'জুলাই-আগস্ট রিভ্যলুশন ফেস্টিভ্যাল, বাংলাদেশ'
সামনে আসছে জুলাই - আমাদের প্রকৃত স্বাধীনতার মাস। মাসব্যাপী সৃজনশীল বিপ্লবী কর্মসূচি, ৱ্যালি, সমাবেশ ঘোষণা করা হোক। জুলাই যোদ্ধাদের, যুদ্ধের শহীদদের স্মরণে দোয়া ও অন্যান্য জনবান্ধব কার্যক্রম নেওয়া হোক। এর পরপরই আসছে আগস্ট - আমাদের প্রকৃত বিজয়ের মাস। এই মাসেও সিমিলার ধারাবাহিক কর্মসুচি চালিয়ে নিতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ দুই মাস ধারাবাহিকভাবে শান্তি খুশী উৎসব বিজয় ও বিপ্লব উদযাপন করবে। বিপ্লবী সরকারের উচিত এই দুই মাস জাতীয় পর্যায়ে নানা বর্ণাঢ্য আয়োজনের বন্দোবস্ত করে দেশে বিদেশে বিপ্লবের মাহাত্ম ও সৌন্দর্য তুলে ধরা। 'জুলাই-আগস্ট রিভ্যলুশন ফেস্টিভ্যাল, বাংলাদেশ' - এই শিরোনামে দেশে বিদেশে ফেস্টিভ্যাল হলে, এই ফ্যাস্টিভ্যাল আমাদের আইডেন্টিটি ও ইকোনমি দুটোই বদলে দেবে কারণটা আর কিছু নয়, এর ব্যাপ্তি। দুই মাস যাবত টানা ফেস্টিভ মুডে থাকা একটা জাতির জন্য যদিও কিছুটা চ্যালঞ্জিইং, তবুও আমরা যদি সেটা করে দেখাতে পারি, তাহলে ধীরে ধীরে সেটা আমাদের জাতীয় সংস্কৃতি, ইকোনমি ও আইডেন্টির অংশ হয়ে যাবে। সেনাবাহিনীর ৩৬ তোপধোনি দিয়ে শুরু হবে বিপ্লব-বিজয় উৎসব। এখন থেকে ৩১ নয় ৩৬ তোপধোনি চালু করতে হবে GenZ দের অভূতপূর্ব ৩৬ জুলাই পর্যন্ত আন্দোলনের স্মরণে।
আবারও বলছি মুগ্ধ আবু সাঈদসহ জুলাই আগস্ট বিপ্লবে যারা শহীদ হয়েছেন সেই সব বীর শহীদদের স্মরণ ও স্মৃতি যাতে দেশের মানুষের হৃদয়ে সারা বছরই জাগরুক থাকে সেজন্য এই অন্তরবর্তী সরকারকেই বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে, যেটা পরে নির্বাচিত সরকারও কন্টিনিউ রাখতে বাধ্য হবে নতুবা নির্বাচিত সরকার একবার ক্ষমতা পেয়ে গেলে ওরা সব ভুলে যেতে পারে, শহীদদেরকেও। আবারও সেই নির্মম ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি জাতিকে দেখতে হতে পারে। তাই উদ্যোগটা অত্যন্ত জরুরী। ইনফ্যাক্ট ঐসব শহীদদের প্রাণের বিনিময়েই আমরা আজ আওয়ামীলীগমুক্ত সুন্দর মর্যাদাবান ও উন্নত-উন্মুখ একটি বাংলাদেশ পেয়েছি।
Comments
Post a Comment