বাতিল মাজারপূজারীদের মুখোশ খুলে গেছে, হক সত্য প্রকাশ পেয়ে গেছে, হকপন্থীদের আল্লাহ পরিশেষে বিজয় দান করেছেন

দেওয়ানবাগী সুরেশ্বরী জাকের পার্টি গোলাপ শাহ শাহ আলী মাজার ভাঙ্গা 

শিরক মুশরিক বাতিল ও মাজার পূজারীদের মুখোশ খুলে গেছে, সত্য হক প্রকাশ পেয়ে গেছে!

শোলাকিয়া ঈমাম ভারতের রামমন্দির গামী ঈমাম পাকিস্থানের দাওয়াতে ইসলামীর ইলিয়াস আত্তারী।

All are detected in precision and exposed already throughout media by the counter Islamic Discourse after a long natural spiritual socio-political socio-religious trials and struggles in super silence and virtual paradigm !!!





যারা পীর-দরবার-মাজার মানে ওদের হিন্দু বাবা-দরবার-মন্দিরও মানতে হবে। এই দুই জায়গা-ই শিরকের আখড়া! আসলে যারা পীর-দরবার-মাজার মানে ওরা হিন্দুদের মতই শিরকে লিপ্ত। অথচ আল্লাহ এই শিরক থেকে মুক্ত করতেই নবী (স ), কোরান পাঠিয়েছেন। কোরানে সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়েছে 'তোমরা একে অপরকে আপন রব বানিয়ে নিওনা' অর্থাৎ শিরক করো না। অথচ মাজার বা মন্দিরে ঠিক এটিই হয়, বা হয়ে আসছে বা হচ্ছে! হিন্দু মন্দিরে বা দরবারে মূর্তিকে বা এই বাবা সেই বাবাকে রব বানিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং তার কাছেই সব চাওয়া হচ্ছে। মাজারেও ঠিক তাই হচ্ছে। এবং শুধু মন্দির বা মাজার নয় আজকাল গোটা সমাজে, সমাজের রন্দ্রে রন্দ্রে  এটি অর্থাৎ ঐ জঘন্য ও অমার্জনীয় শিরকই দেদার চলছে। চাকর মালিককে, ছাত্র শিক্ষককে, জুনিয়র সিনিয়রকে, দলের কর্মীরা দলের নেতাকে, এবং এমনকি স্ত্রী স্বামীকে বা স্বামী স্ত্রীকে আপন রব বানিয়ে নিয়ে জঘন্য ও অমার্জনীয় শিরকে লিপ্ত। এই শির্কের বাজার এত গরম, এর কাটতি এত বেশী কারো ফুরসৎই নেই অন্য কিছু ভাবার বা খেয়াল করার! আবার এক শ্রেণীর আলেম এই শিরককে ইশক নাম দিয়ে জায়েজ করার চেষ্টা করে যেটা আরো জঘন্য ও মতলবি! এর মাধ্যমে ঐ আলেমরা মানব চরিত্রের দূর্বলতম বৈশিষ্টের সাথে শিরককে জুড়ে দেওয়ার চেষ্টা করে যাতে মানুষ কখনই বা সহজে শিরক থেকে মুক্ত হতে না পারে। আশার কথা এত কিছুর পরও কিছু মানুষ কিন্তু ঠিকই শিরকমুক্ত জীবন যাপন করে বা শিরকমুক্ত জীবন যাপন করার চেষ্টায় রত থাকে। 

যারা আওয়ামীলীগ করে ওরা ইসলাম থেকে খারেজ হয়েই আওয়ামীলীগ করে। ওরা হিন্দুর থেকেও খারাপ বা জঘন্য! হিন্দুদের কিন্তু ইসলাম গ্রহণের একটা সুযোগ থাকে। অথচ এই আওয়ামীলীগ এরা ইসলামের উপর হিন্দু ধর্মকে ও হিন্দুত্ববাদ ও হিন্দুত্ববাদীদের প্রাধান্য দিয়ে ইহকালে কিছু সুবিধার বিনিময়ে পরকাল হারিয়েছে। অবশ্য তাদের কপালে কখনো কখনো ঐ সুবিধাটুকুও জোটে না যখন তাদের মুনাফিক চরিত্রটি সুবিধাদানকারীর সামনে প্রকাশ হয়ে পড়ে। এদের অনেকেই সরাসরি হিন্দু অথবা মুনাফেক। একইভাবে আওয়ামীলীগের মত তথাকথিত সুন্নী ওলেমালীগও আসলে ইসলাম থেকে খারেজ হয়েই ইসলামের ক্ষতি করার জন্যই মুসলমান সেজে ইসলাম পালন করে, বস্তুতপক্ষে এরাও হিন্দু ও মুনাফেক এবং ইসলামের উপর হিন্দু ধর্মকে ও হিন্দুত্ববাদ ও হিন্দুত্ববাদীদের প্রাধান্য দিয়ে সুবিধাভোগের তালে থাকে বা থাকবে। তবে সাধারণ মুসলমান যারা ওদের ফলো করে তারা কিন্তু অত গভীরের অত কিছু বুঝে না, তাই তাঁরা ঈমানদার বা মুসলমান থাকবে। তবে এই পর্যায়ে সাধারণ মুসলমানদেরও গভীরভাবে ভাবা উচিৎ তাঁরা কাদের ফলো করছে? তাঁরা যাদের ফলো করছে তারা তো নিজেরাই পথভ্রষ্ট, ভন্ড, ধোঁকাবাজ, ঈমান হরণকারী ও মুনাফেক! এই যে দেওয়ানবাগি আটরশি এরা তো বহু আগেই ভন্ড হিসেবে মানুষের কাছে প্রকাশিত হয়ে গেছে, এরপর ২০২৪ এর অভাবনীয় জনবিপ্লবের পর মাজার ভাঙ্গার মধ্য দিয়ে প্রায় সব ভন্ড মাজারওয়ালা সুন্নী আলেমগুলোর মুখোশ, ভণ্ডামি ও মুনাফেকি সারা দেশের জনগণের সামনে দিনের আলোর মত পরিষ্কার হয়ে গেছে। যখন মাজার ভাঙ্গা হল তখন ওরা এমনভাবে সামনে আসল, এমন সব কথা বার্তা বলল যাতে সুস্পষ্টভাবেই বুঝা গেল ওরা আসলে খারেজি - ইসলাম থেকে খারেজ হয়ে যাওয়া শ্রেণী বা দল। খারেজি হয়ে যাওয়ার পর এরা মুসলমান সেজে মুসলমানদের ধোঁকা দিচ্ছে, ঈমান আকীদা হরণ করছে, ওদের অনেকেই সরাসরি কাফের হিন্দু-মুশরিক অথবা মুনাফেক! 






Comments