আমরা বাঙালি, ইলিশের প্রতি আমাদের নৃতাত্ত্বিক ও ভূ-বৈচিত্রিক ক্র্যাবিং আছে

আমরা বাঙালি, ইলিশের প্রতি আমাদের নৃতাত্ত্বিক ও ভূ-বৈচিত্রিক ক্র্যাবিং আছে, ইলিশ না  খেলে আমাদের মাথা খুলেনা।

খুব খারাপ! অমানবিক! গরিব বাংলাদেশিদের প্রতি অদরদী সিদ্ধান্ত! উপদেষ্টাদের বলছি গ্রামে যান, মা খালাদের জিজ্ঞেস করেন ওরা শেষ কবে ইলিশ খেয়েছিল? ওরা হয়তো ভুলেই গেছে! হায়রে আমাদের জাতীয় মাছ। শহরের মানুষ তো দাম বেশি হলেও কিনে ১ পিস হলেও খেতে পারে কিন্ত গ্রামের গরিব মানুষগুলোর কপালে ১ বছরে ১ পিস ইলিশও জুটে না। ভারতীয়রা টাকার জোরে ক্ষমতার জোরে বাঙালীর মুখের ইলিশ কাইডা খাচ্ছে বছরের পর বছর। এজন্যই ভারতের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করাটাই ছিল একটি বড় ঐতিহাসিক ভুল! ভেবে দেখুন এতবড় বিপ্লবের পরও আমরা ভারতের কাছে আজও কত অসহায়! আজও ওরা বাংলাদেশিদের আমিষ চোষে খাচ্ছে। ওরা আমাদের নির্বোধ বানাতে চায়। ওরা আমাদের প্রোটিন ডিফিসিয়ান্সিতে রাখতে চায় যাতে আমরা ওদের বিরুদ্ধে বেশি মাথা খাটাইতে না পারি। ১৫ বছর পর এতবড় বিপ্লবের পরও এসব শুনতে হচ্ছে?! ফরিদা নামক উপদেষ্টা কী বলেছিলেন - 'আগে দেশের মানুষ খাবে তারপর রপ্তানী' - এখন ইনি বলছেন ভিন্ন কথা ! একেকসময় একেক কথা - পাইছে কী এরা? পদত্যাগ করতেই হবে এদের! ভারতের বৃহত্তর স্বার্থে ইলিশ দিয়ে দিচ্ছে আমাদের বৃহত্তর স্বার্থে নয়। আমাদেরকে মেধায় দূর্বল রাখার এটা ভারতের বহু পুরোনো অমানবিক কৌশল। আমরা বাঙালি, ইলিশের প্রতি আমাদের নৃতাত্ত্বিক ও ভূ-বৈচিত্রিক ক্র্যাবিং আছে, ইলিশ না খেলে আমাদের মাথা খুলে না। ইলিশ একান্তই আমাদের উপর আল্লাহ প্রদত্ত বিশেষ নিয়ামত ও রহমত! এতবড় বিপ্লবের পরও গরিব বাংলাদেশীদের ইলিশ খেতে দিচ্ছেনা এরা, এদের উপর এবং ভারতের উপর গরীব বাংলাদেশীদের লানত ও আল্লাহর গজব পড়ুক।

ভারত বাংলাদেশের জলসীমায় ওয়াটার ইঞ্জিনিয়ারিং করে ভোর রাতে ইলিশের ঝাঁককে তাদের জলসীমায় নিয়ে যায়। অর্থাৎ সোজা কথায় ভারত আমাদের ইলিশ চুরি করেও খায়। হাসিনার থেকে উপহার হিসেবে হাজার হাজার টন তো খেতই! এটাই বাংলাদেশের মানুষের তাদের জাতীয় মাছ বছরের পর বছর খেতে না পারার মূল কারণ!

আর ১ টি ইলিশও ভারতকে দেওয়ার দরকার নাই। বহুত খাইছে ওরা আমাদের ইলিশ, উপহার হিসেবেও খাইছে, চুরি করেও খাইছে ১৫ বছর যাবৎ।

ওরা নাকি বাংলাদেশে পোকাওয়ালা চাল, পঁচা পিয়াজ ইত্যাদি দেবে বাংলাদেশকে শাস্তি হিসেবে। আসলে ভারত সবসময়ই বাংলাদেশকে পঁচা জিনিসই দিত, হাসিনার আমলেও দিয়েছে বরং বেশীই দিয়েছে আর ওদিকে নিয়ে যেত আমাদের তাজা ইলিশ! যাই হোক এরকম প্রতিবেশী থেকে আলু পিঁয়াজ নেওয়ার আর দরকার নাই। দাম যদি বেশীও হয় তাহলেও আমাদের অন্য দেশ থেকেই নেওয়া উচিত। 

গভীর রাতে ভারত সীমান্তে বিজিবির উপর আক্রমণ করেছে। পাকিস্থানের মত বর্ডারে ফ্লাডলাইট বসানো হোক। ভারতীয়রা চোর, ওরা চোরের মত রাতের আঁধারেই সব করে, হামলাও করে রাতে, ২০১৯ সালের কথাই ধরুন ২৬ ফেব্রুয়ারী ভারত রাতের আঁধারে পাকিস্তানে হামলা করতে গেছিল আর পাকিস্থান পরদিন সকালে দিনের আলোতে ভারতে হামলা চালায়। ভারত যে চোর তার আরও একটি প্রমাণ ওরা রাতের আঁধারে বাংলাদেশের জলসীমা থেকে ইলিশ চুরি করে, ইলিশের ঝাঁককে ওদের জলসীমায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সাগরেও ইলিশ এরিয়ায় ফ্লাডলাইট বসানো হোক।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা - লোকটা হেসে হেসে ডাবল মিনিং ডাবল স্ট্যান্ডার্ড কথা বলেন! বর্ডারে রক্ত দেওয়ার দরকার নাই, দরকার পাকিস্তানি থান্ডার আর এসআরবিএম - এই দুটো হলেই ভারত বর্ডার ও কেন্দ্র দুই জায়গাতেই ঠান্ডা হয়ে যাবে। পাকিস্থানের মত বর্ডার ফ্লাড লাইট বসানো হোক! মালাউনরা বেশিরভাগ কাজ রাতেই করে, আমাদের ইলিশও এরা রাতের বেলা চুরি করে ওদের জলসীমাই নিয়ে যায় আবার দিনের বেলায় উপহার হিসেবেও খাইত!

ওয়াকার সাহেব -  আপনি আর্মি পার্সন, খেলতেই পারেন কিন্তু ওবাইদুল কাদেরের মত ফাউল খেলবেন না, এখনও সময় আছে, র এর কোল থেকে নামেন আর আইএসআই এর কোলে উঠেন, নয়তো দুই কোলই হারাবেন, আমরাও আপনাকে সতর্ক করলাম, ৭১ এর পাকিস্থান আর ২০২৫ এর পাকিস্থানের মধ্যে যে তফাৎ সেটা আমেরিকার জন্যও একটি ফ্যাক্টর, পাকিস্থানকে হালকা নেবেন না যেমনটি ভারত নেয়।

আর যার ইন্ধনে পিলখানা হত্যাকান্ড থেকে শুরু করে সব গুম খুন ও সর্বশেষ জুলাই হত্যাকান্ড তারা কি ইলিশ উপহার পাওয়ার যোগ্য, তাদের জন্য আপনি ইলিশ পাঠাবেন?

শুধু শেখ হাসিনা নয় নরেন্দ্র মোদীরও বিচার হতেই হবে। কারণ হাসিনা শ্রেফ মোদীর প্রেসক্রিপশন ফলো করেছে মাত্র।

 

- মুগ্ধ, আবু সাঈদ, নাম নাজানা সব তরুণ শহীদগণ  

Comments