আওয়ামীলীগের চেয়ে বেশী দরকার আন্তর্জাতিক আদালতে ভারতের ও তার গোয়েন্দা এজেন্টদেরই বিচার করা
যে ট্রাইবুনালে জামাত নেতাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে সেই একই ট্রাইবুনালে শেখ হাসিনা, আওয়ামীলীগ নেতা এবং ভারতের নরেন্দ্র মোদী, র-এর এজেন্টদের ফাঁসি চাই।
ভারত ইতিমধ্যেই বহু বাংলাদেশীকে মেরেছে, ফেলানিসহ অসংখ্য বর্ডার কিলিং করেছে, পিলখানায় সেনা অফিসারদের মেরেছে, জামাত নেতাদের আওয়ামীলীগ নয় ভারতই মেরেছে - এই যে আওয়ামীলীগের বিচার হচ্ছে হাজারো বাংলাদেশীকে হত্যার দায়ে সেগুলো কি শুধুই আওয়ামীলীগ করেছে? ১৫ বছর ধরে ভারত ও তার থার্ড ক্লাস গোয়েন্দা সংস্থা র এর এজেন্টরা কি বাংলাদেশে এক্টিভ ছিলনা? হাসিনার সব খুনে বাহিনীতে কি র এর রাস্কেলগুলো যুক্ত ছিল না? ওরাও কি সব হত্যাকান্ডে জড়িত ছিলনা? তাই শুধু আওয়ামীলীগের বিচার কেন করবেন? আর আওয়ামীলীগের বিচার তো একরকম আল্লাহই করে দিয়েছেন - ইতিহাসে এরকম লজ্জাজনক পরিণতি কি আর কোন রাজনৈতিক দলের হয়েছে? তাই এখন বরং বেশী দরকার আন্তর্জাতিক আদালতে ভারতের ও তার গোয়েন্দা এজেন্টদেরই বিচার করা একটি স্বাধীন দেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানো ও সে দেশের মানুষকে হত্যা করার দায়ে! এমনকি বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশেও ভারত চিন্বয় দাস নামক একজন হিন্দু যাজককে প্লান্ট করে আমাদের একজন তরুণ মুসলিম আইনজীবীকে হত্যা করেছে - অর্থাৎ আবারও নাক গলানো হত্যা ও গন্ডগোল বাঁধানোর চেষ্টা !! এসবকিছুর বিচারই বেশী জরুরী, আওয়ামীলীগের চেয়ে!
যে ট্রাইবুনালে জামাত নেতাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে সেই একই ট্রাইবুনালে শেখ হাসিনা, আওয়ামীলীগ নেতা এবং ভারতের নরেন্দ্র মোদী, র-এর এজেন্টদের ফাঁসি চাই। প্রধান উপদেষ্টার কাছে দেওয়া গুম কমিশনের রিপোর্টে সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ হয়েছে লোমহর্ষক সব হত্যাকান্ডে ভারতের মোদী ও র সদস্যরা জড়িত ছিল। মোদী ও র এর প্রেসক্রিপশনেই মূলত শেখ হাসিনা, আওয়ামীলীগ নেতারা সব হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। সুতরাং মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে মোদী ও র সদস্যদের বিচারের আওতায় না আনা হলে পুরো বিচার প্রক্রিয়াটি পূর্ণতা পাবে না, এই ট্রাইবুনাল প্রয়োজনে আইসিজে এর সহযোগীতা নিতে পারে শেখ হাসিনার সাথে সাথে নরেন্দ্র মোদিকেও সাজা দিতে।
Comments
Post a Comment