পাকিস্থানের শবে বরাতের রিয়েকশন হিসেবেই ভারত দিওয়ালি বলেছে।
পাকিস্থান পরমাণু ও কনভেনশনাল দুটিতেই এগিয়ে। বিশেষ করে পরমাণুতে পাকিস্থান সংখ্যা এবং মানেও অনেক উন্নত - শুধু ভারতের চেয়ে উন্নত তা নয় পাকিস্থানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইউরোপ আমেরিকা বা রাশিয়ার মতই বা কোন কোন ক্ষেত্রে আরও উন্নত। এজন্যই আজ যে উত্তর কোরিয়া আমেরিকাকে কেয়ারই করেনা সেই উত্তর কোরিয়ার নিউকগুলোও পাকিস্থানের দেয়া উন্নত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ প্রযুক্তিরই ফল। এজন্যই কনভেনশনাল যুদ্ধই চলবে, পারমাণবিক কেবল পাগলই ভাবতে পারে। আর পাগলে যদি ভাবেও ওটার ঔষধ পাকিস্থান তৈয়ার করে রেখেছে বহু আগেই। ওটা এমন - 'মে যব ডুবুঙ্গি, সনম তুজে লেকেই ডুবুঙ্গি' - এই তত্ব আমেরিকা রাশিয়া চায়না সহ সব পারমাণবিক শক্তিধর দেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য বা সবাই এটা মেনে চলে। এজন্যই পারমাণবিক যুদ্ধ হওয়ার কোন চান্স নাই, হ্যাঁ ট্যাকটিক্যাল নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড নিয়ে লিমিটেড যুদ্ধ হতে পারে আর এতেই পাকিস্থান সবচেয়ে বেশী দক্ষ ও প্রস্তুতিসম্পন্ন দেশ। ওদের আছে অসংখ্য ছোট ছোট ট্যাকটিক্যাল স্মার্ট বম্ব। একারণেই আপনি দেখবেন ভারত তো ভারত, ইউরোপ আমেরিকা চায়না রাশিয়া কেউই কখনই পাকিস্থানকে ঘাটাতে আসবে না। হয়তো আপনি ইতমধ্যে দেখেছেনও, আমেরিকা যেভাবে ইরানে এসেছে, এইভাবে পাকিস্তানেও তো আসতে পারতো, কিন্তু আপনি কী দেখেছেন, উল্টো - আমেরিকা পাকিস্থানে এসেছে বন্ধু হয়ে ঐভাবে নয়। যে পাকিস্থানে ঐভাবে আসবে, শ্রেফ উড়ে যাবে, ফিরে যাওয়ার সুযোগ পাবে না। সেটা আমেরিকা রাশিয়া ইউরোপ চায়না যেই হোক না কেন?! পাকিস্থান নিজের সভারেন্টিকেই ইনভিন্সিবল বানাতে নিউক্লিয়ার প্রজেক্ট নিয়েছিল, কাউকে এটাক করতে নয়। এবং পাকিস্থান অত্যন্ত সফলভাবেই তাঁদের সভারেন্টিকে ইনভিন্সিবল বানিয়েছে।
Comments
Post a Comment