আওয়ামীলীগবধ কাব্য ইতিহাস ইতিমধ্যেই লিখে ফেলেছে, এবার শুরু করা যাক ভারতবধ কাব্য -
বর্তমানে দেশের ৬০ থেকে ৭০ ভাগ বা তারও বেশী মানুষ ভারতবিরোধী - এখানে কোন লুকোচুরি নাই, এটাই সত্য ও সুস্পষ্ট বাস্তবতা!
পাকিস্থানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক ডারের ঐতিহাসিক বাংলাদেশ সফরের পরও যদি চিফ এডভাইজর ও আর্মি চিফ দুজনই পাকিস্তান সফর না করেন তাহলে বুঝতে হবে এই দেশের মানুষ, মানুষের রাজনীতি ও রাজনৈতিক দলগুলো পাকিস্থানের পক্ষে আছে কিন্তু উক্ত দুই জনাব এখনও তলে তলে পাকিস্থানের বিপক্ষে তথা ভারতের পক্ষে কাজ করছেন। ৪৮ ঘন্টার অল্টিমেটাম দেওয়া হোক বিপ্লবী ছাত্র জনতার পক্ষ থেকে - এই সময়ের মধ্যেই জনাবদ্বয়কে তাদের ভারতবিরোধী অবস্থান অথবা পাকিস্থানবিরোধী অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে। বর্তমানে দেশের ৬০ থেকে ৭০ ভাগ বা তারও বেশী মানুষ ভারতবিরোধী - এখানে কোন লুকোচুরি নাই, এটাই সত্য ও সুস্পষ্ট বাস্তবতা এবং সেটা হয়েছে ভারতেরই ৫৪ বছরের শোষণনীতির ফলে, পাকিস্থান আমাদের ২০-২৫ বছরের শোষণ করলে ভারত আমাদেরকে অর্ধ শতকের বেশী শোষণ করেছে এবং আমাদের সেনাবাহিনীকে দূর্বল করে রেখেছিল। সুতরাং এই সমস্ত যৌক্তিক কারণে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের আকাঙ্খার প্রতি সম্মান রেখে দুই প্রধান জনাবের উচিত ভারতবিরোধী অবস্থান পরিষ্কার করা, যদিও তারা চাইলে পাকিস্তানবিরোধী অবস্থানও পরিষ্কার করতে পারেন, তাদের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা আছে সেটাও করার। কিন্তু জনগণকে ধোঁয়াশায় রাখা যাবেনা। তাদের অবস্থানটা পরিস্কার করতেই হবে আনুষ্ঠানিকভাবে এবং সেটা ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই নতুবা জনাবদ্বয়কে পদত্যাগ করতে হবে। কারণ তলে তলে ভারতের পক্ষে অবস্থান নিয়ে থাকলে সেটা জুলাই যোদ্ধা ও শহীদদের আত্মার সাথে বেঈমানি, বিশ্বকাঁপানো জুলাই বিপ্লব ও চেতনা ২৪ এর সাথেও বেঈমানি এবং গাদ্দারি। তাই ওনারা যদিও ভারতের পক্ষে অবস্থান নিয়ে থাকেন তাহলে উনাদের পদে থাকার যোগ্যতা নাই, বিশেষকরে আর্মি চিফ - উনি তো বহু আগেই উক্ত পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন।
সেনাপ্রধান নানা কারণেই বেশ গুরুত্বপূর্ণ সাবজেক্ট বা অবজেক্ট ২৪ ও ২৪ উত্তর বাংলাদেশের জন্য। তাই সেনাপ্রধানকে নিয়ে লেখা বেশ কিছু আর্টিক্যাল এখানে একসাথে সন্নিবেশ করে দিলাম, আশা - এতে জাতি ও দেশ সঠিক পথের দিশা পাবে বা সঠিক পথে থাকবে।
আর্টিক্যাল #১
ওয়াকার সাহেব আপনি আর্মি পার্সন, খেলতেই পারেন কিন্তু
ওয়াকার সাহেব আপনি আর্মি পার্সন, খেলতেই পারেন কিন্তু ওবাইদুল কাদেরের মত ফাউল খেলবেন না, এখনও সময় আছে, র এর কোল থেকে নামেন আর আইএসআই এর কোলে উঠেন, নয়তো দুই কোলই হারাবেন, আমরাও আপনাকে সতর্ক করলাম, ৭১ এর পাকিস্থান আর ২০২৫ এর পাকিস্থানের মধ্যে যে তফাৎ সেটা আমেরিকার জন্যও একটি ফ্যাক্টর, পাকিস্থানকে হালকা নেবেন না যেমনটি ভারত নেয়।
আর যার ইন্ধনে পিলখানা হত্যাকান্ড থেকে শুরু করে সব গুম খুন ও সর্বশেষ জুলাই হত্যাকান্ড সেই হিন্দুত্ববাদী মোদী বিজেপি'র ভারতের পক্ষে আপনি কেন অবস্থান নেবেন, কোন নৈতিক ভিত্তি বা যুক্তিই নাই।
শুধু শেখ হাসিনা নয় নরেন্দ্র মোদীরও বিচার হতেই হবে। কারণ হাসিনা শ্রেফ মোদীর প্রেসক্রিপশন ফলো করেছে মাত্র।
পাকিস্থানকে ভাল না লাগলে চীন থেকে ৪০ টি জে ১০ সি কেন বাংলাদেশ কেনেনি এতদিন? সেই জবাব ইউনুস ও ওয়াকারকে দিতেই হবে। ওয়াকার অবান্তর রাশিয়া, কাতার ঘুরে নিজের আখের গুছাচ্ছে আর বাংলাদেশকে বিপদের মুখেই ফেলে রেখে পালাবে একদিন।
১৫ বছর কোথায় ছিল এইসব সেনা অফিসাররা যারা এখন ক্যামেরায় নিজেদের নূরানী চেহারা দেখাচ্ছেন?, ১৫ বছরে ১৫ টি যুদ্ধবিমানও কেন কেনেনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী? মুখ দিয়ে তো আর সার্বভৌমত্ত রক্ষা করা যায় না, বিমান মিসাইল ড্রোন এসব লাগে। কাল ভারত এটাক করলে আমরা সব মারা পড়ব আর এসব সেনা অফিসাররা পালিয়ে যাবে। ওয়াকার সাহেব তো এক পা খাড়া করে রেখেছে পালিয়ে যাওয়ার জন্য।
জামাতের পালস আর বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের পালস এই মুহূর্তে এক, এই পালস বুঝতে ভুল করলে বা ডাইবার্ট করার চেষ্টা করলে সেনাপ্রধান ওয়াকারের পরিণতি মঈন ইউ আহমেদের চেয়েও খারাপ হবে।
ভারত আক্রমণ করলে প্রাথমিক জবাবটাও আমরা দিতে পারবো না, কেন সেনাপ্রধান ওয়াকার চীন গিয়ে জে ১০ সি বা ইউরোপ গিয়ে ইউরো ফাইটার নিয়ে আসছে না?, পাকিস্থানের জে এফ ১৭ বাদ দিbলাম, কারণ পাকিস্থান ৭১ সালে আওয়ামীলীগদের তথা ভারতীয় রাজাকারদের হত্যা করেছিল, তাই ওয়াকার সাহেব এখনও হাসু আপার মত গোসসা করে পাকিস্থান সফর করেননি, ঠিক আছে, কোন সমস্যা নাই, চায়না কেন সফর করলেন না, ইউরোপ কেন সফর করলেন না? ভারতের মত রাশিয়া কেন গেলেন? রাশিয়ার অস্ত্র নিয়ে ভারতকে তো পাকিস্থানের কাছে দু' দু বার লজ্জাজনকভাবে হেরে যেতে দেখলাম আমরা GenZ প্রজন্ম! এরপরও ওয়াকারের টনক কেন নড়ছে না, ওয়াকারের মাথায় কী পাকিস্থান হ্যামার স্ট্রাইক করবে? তারপর গিয়ে ওয়াকারের টনক নড়বে? ইউরো ফাইটার নয়, ওয়াকার আমেরিকা গিয়ে এফ ৩৫ নিয়ে আসলেও মিয়ানমারের কাছেও হেরে যাবে বাংলাদেশ, কারণ ট্রেনিংটাই আসল, ভারতের পাইলটদের সেটা নাই বলেই ওরা বারবার হেরে যাচ্ছে, ওদিকে পাকিস্তানী পাইলটদের শুধু চাইনিজ জেট নয়, ওদের আছে মার্কিন এফ ১৬ চালানোরও দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, তাই পাকিস্তানী পাইলটদের হাতে ট্রেনিংটাই হবে বাংলাদেশের জন্য ব্রম্মাস্ত্র যা দিয়ে অন্তত ভারতের যেকোনো আগ্রাসী পদক্ষেপের প্রাথমিক জবাব দিতে সক্ষম হবে আমাদের সেনাবাহিনী, পরবর্তী স্টেইজটায় বাংলাদেশের সাহসী জনগণ ও সেনাবাহিনী মিলে ভারতকে পিছু হটতে বাধ্য করবে। এটাই আমাদের স্বাধীনতা ও সম্মানজনক স্ট্যান্ট, অথচ ওয়াকারের বক্তব্য শুনলে মনে হয় তিনি ভারতের আক্রমণের প্রথম দিনই পরাজয় বরণ করে দেশের মানুষকে মরতে দিয়ে পালিয়ে যাবেন এই বলে - 'বলবেন না যে আমি আগে সতর্ক করিনি?' বেটা তোর কাজ সতর্ক করা নয়, প্রটেকশন দেওয়া - যেভাবে পাকিস্থানের সেনাপ্রধান তাঁর নিজ দেশের জনগণকে প্রটেকশন দিয়েছেন নতুবা সাম্প্রতিক পাক ভারত যুদ্ধে লাখ নিরীহ পাকিস্তানী মানুষ মারা যেত কেননা ভারত কাপুরুষের মত সাধারণ জনগণের উপরই বেশী স্ট্রাইক করেছে! ড্রোন এটাকে সাধারণ মানুষের বাড়িঘরের জানালার কাঁচও ভেঙ্গে পড়তে দেখা গেছে অথচ এরপরই পাকিস্তান মোক্ষম জবাব দিয়ে ভারতকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে - তাই সেনাপ্রধান হিসেবে আপনাকে পাকিস্থান সেনাবাহিনী থেকেই শিখতে হবে কারণ পাকিস্থানের মত বাংলাদেশেরও সম্ভাব্য বড় শত্রু ভারত।
আর্টিক্যাল #২
জেনারেল ওয়াকারের কোর্ট মার্শাল করতেই হবে
ছাত্র জনতার হাতে আগুন মশাল,
জেনারেল ওয়াকারের কোর্ট মার্শাল!
যেসব সেনা সদস্যরা রিফাইন্ড আওয়ামীলীগের নামে আওয়ামীলীগ পুনর্বাসনের চেষ্টা করেছে তারা দেশের বিরুদ্ধে বিপ্লবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, আর 'স্বাধীনতা বিপন্ন হবে' বলে জেনারেল ওয়াকার আগেই দেশবিরোধী অবস্থান ও বক্তব্য ব্যক্ত করেছেন। সুতরাং ঐসব সেনাসদস্যদের এবং জেনারেল ওয়াকারের কোর্ট মার্শাল হতেই হবে। পাকিস্থানের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল বাজওয়ার কোর্ট মার্শাল হচ্ছে ঠিক ওয়াকার মার্কা বক্তব্য দেওয়ার কারণেই। পাকিস্থান পারলে বাংলাদেশও পারবে। ওয়াকারের বক্তব্য শুনলে মনে হয় তিনি ভারতের সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশের সেনাপ্রধান নন। ভারত পাকিস্থান উত্তেজনা যখন তুঙ্গে তখনও তিনি একজন সেনাপ্রধান হয়েও নির্বিকার চুপ ছিলেন অথচ আমাদের প্রধান উপদেষ্টাই তখন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি না রাখা আত্মঘাতী বলে জাতিকে ও সেনাবাহিনীকে উজ্জীবিত রেখেছিলেন। অথচ এমন বক্তব্য আসা উচিত ছিল সেনাপ্রধানের তরফ থেকে, কিন্তু তিনি জাতিকে হতাশ করেছেন, বার বার করছেন। শুধু রাজনৈতিক বক্তব্যই তিনি ভাল দেন, এত শখ থাকলে চাকরি ছেড়ে দিয়ে রাজনীতিতে নামলেই পারেন।
সেনাবাহিনীকে পরাজিত করেই ৫ আগস্ট বিপ্লব সম্পন্ন হয়েছে। হেফাজত সেনাবাহিনীকে পরাজিত করতে পারেনি কিন্তু ছাত্র জনতা পেরেছে। সেনাবাহিনীর বিপ্লবের বিরুদ্ধে যাওয়ার কোন এখতিয়ার বা সুযোগ নাই। ভারত আর আওয়ামীলীগ থেকে খাওয়া বন্ধ হলেও শান্তিরক্ষা থেকে খাওয়া এখনও বন্ধ হয়নি, বিপ্লবীদের বিরুদ্ধে গেলে সেটাও সেদিনই বন্ধ হয়ে যেত, সেজন্যই সেনাবাহিনী বিপ্লবীদের পক্ষ নিয়েছিল, বিপ্লবীদের প্রতি বা দেশের মানুষের প্রতি দরদের জন্য নয়। এই সেনাবাহিনীর দেশের মানুষের প্রতি কোন দরদ নাই, দরদ থাকলে ৪ মে শাপলা চত্বরে গভীর রাতে এই সেনাবাহিনী আওয়ামীলীগের গদি বাঁচাতে হেফাজতের উপর ঝাঁপিয়ে পড়তো না, ওরা সেটা না করলে সেদিনই আওয়ামীলীগের পতন হয়ে যেত, ৫ আগস্ট সৃষ্টির এবং এত ছোট ছোট ছেলে মেয়ে ও তরুণ যুবার রাজপথে রক্ত ও প্রাণ ঝরানোর প্রয়োজন হতোনা। এছাড়া হাসিনার ১৫ বছরের জুলুম ও দুঃশাসনের সঙ্গী এই সেনাবাহিনী, ওরা মঙ্গল গ্রহে ছিল না, এই বাংলাদেশেই ছিল, এবং সব জুলুম ও দুঃশাসনে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ মদদ দিয়ে গিয়েছিল। সুতরাং শুধু আওয়ামীলীগ কেন এই সেনাবাহিনীরও বিচার হওয়া জরুরী। অন্তত সাম্প্রতিক বিশ্বকাঁপানো যে বিপ্লব সেই বিপ্লববিরোধী দেশবিরোধী এটেম্প্ট ও বিশেষ করে জেনারেল ওয়াকারের দেশবিরোধী বক্তব্যের কারণে সেনাবাহিনীর একাংশের কোর্ট মার্শাল হওয়া একান্তই যৌক্তিক ও তথ্যভিত্তিক।
আর্টিক্যাল #৩
আওয়ামীলীগ আর ওয়াকার | 'দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে' | যোগসূত্র
৭১ এর স্বাধীনতার চেয়ে ২৪ এর স্বাধীনতার পরিসর অনেক বড় ও ব্যাপক। ২৪ ২৪ ঘন্টা চলমান আবেগ ও বাঁধাহীন স্বপ্ন আর ৭১ ১ দিনের স্মৃতি! ২৪ এর স্বাধীনতা ও বিজয় ভারত থেকে নিয়েছি যা ৭১ এর চেয়ে বড় ব্যাপক বাস্তব বহুমুখী ও আনকোরা, পক্ষান্তরে ৭১ বস্তাপঁচা সংকীর্ণ, শুধু ১৫০০ মাইল দূরের একটা দেশের বিরুদ্ধে অবান্তর ও এই যুগে বেমানান বিরোধীতা করা!
ইতিহাস কেবল ৭১ নয়, ৪৭ও ইতিহাস এবং সেটা ৭১ বা ২৪ এর চেয়েও বড় ইতিহাস যা ভুলে যাওয়া এই উপমহাদেশের প্র্যায় ১০০ কোটি মুসলমানের জন্য অকল্যাণকর ও ভয়ঙ্কর হবে। ইতিহাসকে ৭১ এ লক করা যাবে না, সেটা করতে গিয়েই আওয়ামীলীগের এই পরিণতি! ৭১ নয় ২৪ কেই ভারতকে মেনে নিতে হবে। ২৪ না মানলে ভারতের সাথে সব কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে, দুতাবাস সহ সব বন্ধ থাকবে। বিএনপিকেও ২৪ কেই মেনে নিতে হবে, না মানলে ৭১ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে বিএনপির পরিণতিও আওয়ামীলীগের মতই হবে।
৭১ এ দূরত্বগত কারণে পাকিস্থান থেকে বাংলাদেশ একরকম স্বাধীনই ছিল, তাই ওটা ঠিক প্রকৃতঅর্থে স্বাধীনতা ছিল না, ছিল একধরণের ছল করা, ষড়যন্ত্র করা, মাছের তেল দিয়ে মাছ ভেজে খাওয়া - শেখ মুজিব সেটাই করেছিল, খেয়েছিল; ৫৩ বছর ধরে ভারত সেটাই করে আসছিলো, খেয়ে আসছিলো। তাই ভারত থেকে নেওয়া ২৪ এর স্বাধীনতাই প্রকৃত স্বাধীনতা এবং এই স্বাধীনতা রক্ষা করাও প্রকৃত কঠিন কাজ ঠিক যেমন পাকিস্থানের স্বাধীনতা রক্ষা করাও এক সুকঠিন কর্ম, ৭০ বছর ধরে পাকিস্থান সেই সুকঠিন কর্ম আঞ্জাম দিয়ে আসছে, এখন বাংলাদেশেরও তার কঠিন পথ চলা শুরু হয়েছে। বাঙ্গালী ভীতু বা এই কাজে অযোগ্য হলে এই স্বাধীনতা বিপন্ন হবে যেটাই অবশ্য ইতিমধ্যেই ভীতু ও অযোগ্য বর্তমান সেনাপ্রধান ওয়াকারুজ্জামান ব্যক্ত করে ফেলেছেন। তাই ঐ সেনাপ্রধানকে সরিয়ে কঠোর হাতে বাংলাদেশের কঠিন পথ চলা শুরু ও জারি রাখতে হবে। হিম্মৎ হারানোর কিছু নাই, এই কঠিন পথে পাকিস্থান আমাদের অনুপ্রেরণা এবং সহযোগীও হতে পারে, ওরা ঘাস খেয়ে এটম বম্ব বানানোর কথা চাউর করে দিয়েছিলো, ভেবে দেখুন কতটা কঠিন ছিল তাঁদের পথ চলা! এবং সত্যি সত্যিই পাকিস্থান এটম বম্ব বানিয়েছে আর আল্লাহর দয়ায় তাঁদের ঘাসও খেতে হয়নি। এটম ছাড়াও কনভেনশনালিও পাকিস্থান অনেক শক্তিশালী, দেশ হিসেবে ওরা ভারতের চেয়ে ছোট, ইকোনমিও ছোট কিন্তু সামরিক শক্তিতে পিছিয়ে নেই, ভেবে দেখুন এটা কিন্তু এমনি এমনি হয়নি, ঘাস না খেতে হলেও অনেক কঠিন পথ পাকিস্থানকে পাড়ি দিতে হয়েছে, বারবার সামরিক বাজেট বাড়াতে হয়েছে বলে জাতিতে অর্ধাহারে অনাহারেও কাটাতে হয়েছে, বলতে গেলে এখনও পাকিস্থান অনেকটা সেভাবেই কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে যাচ্ছে। যখন এরকম এক জ্বলন্ত মেসাল বাংলাদেশের সামনে বাঙালির সামনে মজুদ আছে তখন আশা করি বাংলাদেশ তার কঠিন পথে হিম্মৎ হারাবে না, ভারতের কাছে তার নতুন ও প্রকৃত স্বাধীনতা বিকিয়ে বা বিপন্ন হতে দেবে না।
আওয়ামীলীগ তো ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে পতিত ও নিষিদ্ধ হয়ে গেছে। অফিসিয়ালি নিষিদ্ধ করতে বাঁধা কোথায়? চিরস্থায়ীভাবেই নিষিদ্ধ করতে হবে এই চিরসন্ত্রাসী দলটিকে! এত দরদ কেন এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটির প্রতি, এই গোষ্ঠীটি ৭১ এর পর থেকেই সন্ত্রাসী-জঙ্গী। আওয়ামীলীগ শুধু ২৪ এর অপরাধী নয়, ৭১ এর পর থেকেই আওয়ামীলীগ অপরাধী। ৭১ পরবর্তী জাসদের ৩০ হাজার কর্মীকে এই আওয়ামীলীগই হত্যা করেছিল। এরপর এরা টার্গেট করেছিল জামাতকে। জামাতের অসংখ্য শাহাদাত রাজপথে মানুষ দেখেছে, জুলাই বিপ্লবেও জামাতের কর্মীরাই শহীদ হয়েছেন, এর আগে ১৫ বছরে অসংখ্য জামাত কর্মী গুম খুন হয়েছেন। শুধু জুলাই বিপ্লব ও ৫ আগস্ট হত্যাকান্ডের বিচার নয়, আগের হাজার হাজার গুম খুন ও ক্রসফায়ারের নামে প্রত্যেক বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ডের বিচারও শুধু নয়, স্বাধীনতা-উত্তর জাসদের ৩০ হাজার টগবগে তাজা কর্মী হত্যার বিচারও হবে, করতেই হবে। যদি নিষিদ্ধ না করেন তাহলে আওয়ামীলীগের ছোট বড় সব নেতা-কর্মীদের, গডফাদারদের ও শেখ পরিবারের সব সদস্যদের ফাঁসি কার্যকর করেন এবং তাদের সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে জুলাই ফাউন্ডেশনে দান করেন। নিষিদ্ধ করার চেয়েও এটাই বেশী এই মুহূর্তে ছাত্র জনতার গণদাবী। কারণ বিচার সমানুপাতিক হওয়া জরুরী, ওরা যত মানুষ খুন করেছে, যত মানুষের সম্পদ লুট জবরদখল করেছে, যত মানুষের সামাজিক সম্মান নষ্ট করেছে ঠিক সেই অনুসারে সমানুপাতিক বিচার চায় আমরা GenZ প্রজন্ম।
৭১ মুক্তিযুদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা এসব একচ্ছত্রভাবে আওয়ামীলীগের ছিল, এখন আওয়ামীলীগ নাই, ওসবেরও দরকার নাই, ওসব পুরোনো কাসুন্দি ঘাঁটতে গেলে জাতি বিভক্তই হবে, বিএনপি বা অন্য কোন দলের ওসব ওন করার সুযোগ নাই, মানায়ও না, ওসব আওয়ামীলীগকেই মানাতো। যাই হোক এখন ৭১ নয় ২৪ কেই সবাইকে ধারণ করতে হবে, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধাদের নয় ২৪ এর মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদেরই স্বীকৃতি দিতে হবে - মানতে হবে স্বাধীনতা ২. ০ মুক্তিযুদ্ধ ২. ০ বিজয় ২৪ বাংলাদেশ ২. ০ সেকেন্ড রিপাবলিক এসব কনসেপ্ট ও চেতনাকে - এটাই এখন ঐক্য ও এগিয়ে যাওয়ার মূলমন্ত্র, প্রতিবেশী ভারতকেও এখন এটাই মেনে নিতে হবে নতুবা আমরা ওদের দুতাবাসসহ সকল কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করবো। আবার ৭১ কে আনতে চাইলে আবার ৪৭ও এসে যেতে পারে, তাই ২৪এ-ই স্থির থাকতে হবে। ২৪-ই এখন জাগ্রত বাংলাদেশের ২৪ ঘন্টা চলমান আবেগ উচ্ছাস স্বপ্ন ও ভবিষ্যত নির্মাণের ভিত্তিমূল।
আওয়ামীলীগ আর ভারত থেকে খাওয়া বন্ধ হয়েছে, শান্তিরক্ষা থেকে খাওয়া বন্ধ হয়নি, ওগুলো খেয়ে শান্তিতে থাকেন ওয়াকার সাহেব, আমাদেরকেও শান্তিতে থাকতে দেন। রাজনীতি করতে আসবেন না, বাংলাদেশকে সামরিকভাবে শক্তিশালীও করবেন না কারণ আপনার আগ্রহ সেদিকে কম দেখা যাচ্ছে। আপনি তো পস নিলেন ভারতেও যাচ্ছেন না, পাকিস্থানেও যাচ্ছেন না, আগেরগুলো দৌড়ে ভারতে গিয়ে দস্তক দিয়ে আসতো, আপনি পাকিস্থান কেন গেলেন না, সমস্যা কোথায়? ইউনুস সাহেব তো আপনার হাত পা বেঁধে রাখেননাই, আপনি আসলেই মুখোশধারী আওয়ামীলীগের পাজী, ঠিক আছে পাকিস্থান না যান, চীন কেন যাচ্ছেন না? ভারত গোসসা করবে, তাই? ঠিক আছে তাহলে ভারতই যান, গোলামীর দস্তক দিয়ে আসেন। আমরা সেটাও মেনে নেব কিন্তু চালাকি করবেন না, পর্দার পেছনে খেলবেন না কারণ এটা পর্দার যুগ নয়, GenZ রা এখন ২৪ এর চেতনা নিয়ে ২৪ ঘন্টা জেগে থাকে, ওরা এখন সব দেখে। আর শুধু দেখে না প্রচন্ড ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস রিয়েকশানও দেয়। তাই সাবধানে খেলবেন, বেটার না খেলে নিজের কাজ যেটা সেটা করা অর্থাৎ দেশকে সামরিক সক্ষমতায় এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সেটা করলেই আপনি সম্মানিত থাকবেন।
'দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ত বিপন্ন হবে' - নাহ! একজন সেনাপ্রধানের মুখে এমন কথা মানা যায় না। হতাশ হলাম। কার কাছে বিপন্ন হবে? পাকিস্থান তো আর বাংলাদেশের স্বাধীনতা হরণ করতে আসছে না, তিনি কি ভারতকে ওয়েলকাম করছেন? আর আমাদের সতর্ক করছেন! তিনি কে ? তিনি কি দেশপ্রেমিক বাংলাদেশী নন? বাংলাদেশের সেনাপ্রধান নন? আমাদের ২০ কোটি মানুষের তথা মুসলমানের দেশ এই বাংলাদেশ, পৃথিবীর কোন শক্তিই আমাদের স্বাধীনতা বিপন্ন করতে পারবে না, এমনকি সুপারপাওয়ার আমেরিকা আসলেও পারবে না। সেই জায়গায় ওনি আমাদের ভারত নামক জুজুর ভয় দেখালেন, আবার সতর্কও করলেন!!! এই সেনাপ্রধানের পদত্যাগ করতেই হবে, ওনি তো সতর্ক করার মধ্য দিয়ে যুদ্ধের আগেই কেটে পড়লেন, হার মেনে নিলেন এবং জাতিকেও হারিয়ে দিলেন! ইউক্রেনকে কি রাশিয়া বিপন্ন করতে পেরেছে, সেনা ও জাতি একসাথে লড়াই করে যাচ্ছে ওখানে , ইউক্রেনের এক নারীকে দেখতে পেলাম, উনি নিজ সেনাদের জন্য ক্যামোফ্লেজ তৈরী করছেন চরম আবেগে! এরকম সময়ে তো এই ওয়াকার আমাদের হারিয়ে দেবেন। আমরা চায় না আমাদের ঐরকম সময় আসুক কিন্তু মনোবলটা তো সবসময় তেমনই থাকা উচিত একটি জাতি ও সেনাদের ! কিন্তু ওয়াকার সাহেব আমাদেরকে যুদ্ধের আগেই হারিয়ে দিয়ে সরে পড়লেন এই বলে -'আমি আগেই সতর্ক করেছিলাম''। যদি উনি সত্যিই যুদ্ধের কোন অনিবার্যতা দেখেন, তাহলে অনতিবিলম্বে উনি পাকিস্থান ও চীন সফর করে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে রাখবেন এবং জাতিকেও যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলবেন - এটাই একজন সেনাপ্রধানের কাজ হওয়া উচিত, জাতিকে সতর্ক করা বা জুজুর ভয় দেখানো নয়।
সেনাপ্রধান কি বাংলাদেশকে বলিউড মনে করেন। কামব্যাক করাবেন? ওসব কামব্যাক টামব্যাক বলিউডে হয়। এটা বলিউড নয় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের রাজপথই আওয়ামীলীগকে ভারতে থ্রোব্যাক করে দিয়েছে। আর রাজপথই আবারও কিংবা বারবার ফায়সালা করে দেবে ওসব কামব্যাক টামব্যাক - এই দেশের প্রজন্ম অনেক প্রাজ্ঞ, তারা অনেক দূর - দূর অতীত ও দূর ভবিষ্যত দুটোকেই স্পষ্ট দেখতে পায়। তারা মতলববাজ অতীতচারী অত্যাচারীদের যেমন ক্ষমা করেনা তেমনি মতলববাজ ভবিষ্যতচারীদেরও রেহাই দেবে না। তাঁরা প্রচন্ড ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস রিয়েকশন ওইথ পাওয়ার এন্ড প্রিসিশন দেয় অনেকটা ওয়াকার সাহেবের সেনাবাহিনীর মতই কিংবা বিশ্বের যেকোনো চৌকস সেনাবাহিনীর মতই যেটা আমরা ২৪ এর আগস্ট মাসজুড়ে দেখেছি। এই প্রজন্মটি যাদের GenZ বা যাই বলা হোক, ওরা বারবার বারুদ উড়িয়ে রাজপথেই ফায়সালা করে দেবে সকল অন্যায় অত্যাচার জুলুম তথা যেকোনো ফ্যাসিবাদকে।
দেশ ও দফা এক দাবীও এক,
আওয়ামীলীগ মাস্ট নট কামব্যাক!
আমরা জিন্দা শহীদ গাজী,
ওয়াকার তুই হিন্দুস্থানের পাজী!
*ওয়াকার সাহেবকে আমরা এখনও পছন্দ করি, সম্মানও করি, কিন্তু উনার চিন্তার ডাইমেনশন ও ডাইরেকশন বদলাতে হবে এবং বাংলাদেশকে পাকিস্থান ও ইরানের মত সামরিক শক্তিধর করে তুলতে সব ইনিশিয়েটিভ ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস GenZ মুডে নিয়ে জাতিকে দেখাতে হবে যে তিনি সত্যিই যেকোনো আগ্রাসী বহিঃশক্তিকে মোকাবিলা করার মত পজিশনে বাংলাদেশকে নিয়ে যাচ্ছেন। আমাদের হাতে সময় বেশী নেই, আমরা বেশিদিন ভারত নামক জুজুর ভয়ে থাকতে চায় না। আমাদের টাকা আছে, ইকোনমির আকার অনেকটা পাকিস্থানের মতই বরং কিছুটা ভালও বলা যায়, সুতরাং পাকিস্থান ভারতকে দাঁতভাঙ্গা জবাবের কথা বলতে পারলে আমরাও পারবো, পাকিস্থানের সেনাপ্রধান কিন্তু সেটাই বলছেন আর আমাদের সেনাপ্রধান আমাদের সতর্ক করছেন, পাকিস্থানের আইএসপিআর সারাদেশের ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টদের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে ব্রিফ করছে, তাদেরকে মোটিভেটেড ও মোরাল আপ করছে আর আমাদের এখানে কেবল সতর্ক করা হচ্ছে! ওয়াকার সাহেব মন খুলে কথা নয়, ঝেড়ে কাশেন কারণ সময়টা তেমনই - পাকিস্থান যান আর ভারতের র এর সাথে মিলে ষড়যন্ত্র করেন যাতে আবারও পাকিস্থান ভাঙতে পারেন, পাকিস্থানের ক্ষতি করতে পারেন - এটাই আপনার মন খুলে বলা, লাভ হবে না ঝেড়ে কাশেন - পাকিস্থান যান, প্রয়োজনে চায়নাও যান, ওয়ার ডিজাইন স্ট্রাটেজি বানিয়ে রাখেন নিজ দেশের জন্য এটাই আপনার প্রধান কাজ। আগের সবগুলো ভারতে গিয়ে দস্তক দিয়ে আসত, এবার আপনি না হয় পাকিস্তান গিয়ে দস্তক দিলেন, সমস্যাটা কোথায়? কেন যাননি আপনি এখনও পাকিস্থান? জে ১০ সি চায়না দেবে না, পাকিস্থান লবিং করে রুখে দেবে, পাকিস্থান থেকে ৪০ টি জে এফ ১৭ থান্ডার আনেন, আপাতত ওগুলো এনাফ, সাথে আমাদের তুর্কি ড্রোন তো আছেই যেটা ইন্ডিয়া চেষ্টা করেও পায়নি পাকিস্থান লবিং করে রুখে দিয়েছিল কিন্তু বাংলাদেশকে পেতে দিয়েছে। আপনি মন খুলে বললেন, আমরা ঝেড়ে কাশলাম, আবারও বলছি আপনিও এবার ঝেড়ে কাশেন - পাকিস্থান যান, লাফালাফি চাপাচাপি খেলা ফেলা করলে বিপদই বাড়বে আমি সতর্ক করলাম, সাধারণ সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি সতর্ক করতে পারি, আপনি না। পরিশেষে আবারও কেবল আপনাকেই সতর্ক করছি কেননা আপনি জনগণের সামনে হাজিরই হয়েছিলেন এই বলে যে 'আপনার প্রধান কাজ সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রাখা' আর এখন আমিও দেখতে পাচ্ছি যুদ্ধ সন্নিকট ও অনিবার্য, সতর্ক করছি - পাকিস্থানকে হালকা নেবেন না যেমনটি ভারত নেয় বা নিতে চায় বা ভারতের সাথে মিলে যাবেন না, ৭১ এর পাকিস্থান ও ২০২৫ এর পাকিস্থানের মধ্যে তফাৎটা আমেরিকার জন্যও একটা ফ্যাক্টর, আইএসআই যা করবে, পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির যা করবে তা খোদ পাকিস্থানেরও অজানা, মুনির সাহেবের কথা এজন্য উল্লেখ করলাম উনি বহু এসপেক্টে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ও ক্ষীপ্র, উনি সাবেক আইএসআই প্রধানও ছিলেন, উনিই ভারতকে এরিয়াল ফাইটে পরাজিত করেছেন, উনিই ইসরাইল ও ইন্ডিয়া দুই দেশকেই একইসাথে টার্গেট করে পিছু হটতে বাধ্য করেছিলেন নতুবা আজ আপনি কিংবা আমি মন খুলে কথা বলার বা ঝেড়ে কাশবার সুযোগও পেতাম না কেননা ২০১৯ এর এরিয়াল ওয়ার অলমোস্ট ট্রানড ইন্টু নিউক্লিয়ার ওয়ার - ইমোশন এভেঞ্জ ওয়াস স্কাই-হাই, আসিম মুনির স্টপ্পেড ইট, নিউট্রালাইজড ইট ভেরি ক্লেভারলি এন্ড কাউন্টার স্ট্রাটেজিক্যালি! এই আসিম মুনিরই সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল বাজওয়া ও আইএসআই প্রধান ফয়েজ হামিদের কোর্ট মার্শাল করছেন যা পাকিস্থানের ইতিহাসে প্রথম, আবারও আপনাকেই সতর্ক করছি, আপনি পূর্বোল্লেখিত কাজগুলো না করলে আপনার পরিণতিও জেনারেল বাজওয়ার মত কোর্ট মার্শাল, বাজওয়ার কোন দোষ ছিল না, তার টেনিউরে ভারতের সাথে যুদ্ধও সফল হয়েছে কিন্তু তিনি পাকিস্থানের সম্মান হানির চেষ্টা করেছিলেন অর্থাৎ পাকিস্থানের লড়াই করার যে স্পিরিট তাতে নমনীয়তা দেখিয়েছিলেন, ঠিক আপনার মতই ভারত জুজুর ভয় দেখাতে চেয়েছিলেন যেটা জেনারেল আসিম মুনির এবং পাকিস্থানের জনগণ মোটেও ভালোভাবে নেয়নি ফলে বাজওয়া সব সম্মান হারিয়েছেন, আপনার সম্মান এখনও জনগণের কাছে বজায় আছে কারণ আপনি বিপ্লবের সেন্টিমেন্টের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। কিন্তু এখন আপনি 'দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ত বিপন্ন হবে' বলে শুধু বিপ্লব নয় গোটা দেশ ও জাতির সেন্টিমেন্টের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। আপনার কগ্নিটিভ টেস্ট করা জরুরী, সম্পূর্ণ সুস্থ থাকলে একজন সেনাপ্রধান হিসেবে এটা কেউ বলতে পারেনা, বরং যেকোনো সেনাপ্রধান তো এটাই বলে - ' জান দিয়ে দেব তবু দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ত রক্ষা করবো'।
আর্টিক্যাল #৪
আমাদের সুন্দর একটা সেনাপ্রধান!
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকারুজ্জামান আপনার সুন্দর সুন্দর বক্তব্য শুনতে ভাল লাগে তারপরও বলছি যখন তখন আপনার কথা বলার প্রয়োজন নাই, সারফেসে আপনি আপনার কাজ সুসম্পন্ন করেছেন, এখন আপনি ডিপ স্টেটে আপনার কাজ সম্পন্ন করুন, সারফেসে যাদের আপনি বসিয়েছেন তাদেরকে কথা বলতে দিন, কাজ করতে দিন। যখন তখন আপনি কথা বললে স্বাভাবিক নিয়মে আপনি গুরুত্ব ও ওজন হারাবেন। আপনি ১-১১ এর সেনাপ্রধান মঈন এর মত নয়, তার মত হারিয়েও যাবেন না, বাংলাদেশের ইতিহাসে ও আপামর ছাত্র জনতার হৃদয়ে আপনার নাম স্বর্নাক্ষরে লেখা থাকবে। বাংলাদেশের জনগণ আপনাকে শ্রদ্ধা ও ভালবাসার সাথে স্মরণ করবে।
দেশে কোন অরাজকতা নেই। ১৫ বছরের স্বৈরাচার পতনের পর একটু রিয়েকশন হওয়াটা অরাজকতা নয় - এসব পশ্চিমবাংলার ভাষা আপনি বলেছেন। অরাজকতা যদি কিছু হয়ে থাকে সেটার জন্য আপনিই দায়ী, কেন আপনি পরদিনই বা ঐদিনই সারাদেশে আপনার সেনাবাহিনী ডেপ্লয় করেননি, কেন জনতাকে ওসব করতে দিলেন - উন্মত্ত জনতা তো এসব করবেই, আপনি তাদেরকে সেটা করার সুযোগ করে দিয়েছেন যাতে সেটাকে ইস্যু করে পরে আপনি রাজনীতির পটের চাকা ঘুরাতে পারেন, ঠিক যেমন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ইমরানের দলের কর্মীদের কোর কমান্ডারদের বাড়িঘর পর্যন্ত ভাঙচুর করতে দিয়েছে এবং পরে তাদের উপর ক্র্যাকডাউন করে ইমরানের দলকে ব্যান করার পর্যায়ে নিয়ে গেছে। আপনি পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে ফলো করছেন যেটা বাংলাদেশে কোনদিন সফল হবে না, কারণ বাংলাদেশের ব্যাপারটা বিস্ময়কর ভাবে সহজ ও সফল, পাকিস্তানের মত বহুমাতৃক ও মারাত্মক সব জটিল ব্যাপারের মত নয়। পাকিস্থান একটি শক্তিশালী মুসলিম দেশ, আপনি সামরিক বিষয়ে পাকিস্তানকে ফলো করুন-তাতে সমস্যা নাই, বরং বাংলাদেশও মুসলিম দেশ হিসেবে শক্তিশালী হবে কিন্তু রাজনৈতিক বিষয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে ফলো করলে সেটা অকল্পনীয় আত্মঘাতী হবে, তখন পরিস্থিতি ও ঘটনাপ্রবাহ আর আপনার হাতে থাকবে না। আপনি বিশ্বকাঁপানো জুলাই বিপ্লবের একজন বড় প্রভাবক বা নায়কও বলা যায়। আপনার প্রতি এখনও ছাত্র জনতা শ্রদ্ধা ও ভালবাসা রাখে, আপনার যদি দেশ চালানোর খায়েস থাকে তাহলে আপনি চাইলে সেনাবাহিনীর একটি স্টেট্ কোর বানিয়ে সেটা দিয়ে ৫ বছর দেশ চালাতে পারেন, জনগণ হাসিমুখে মেনে নেবে আপনাকে কিন্তু ভুল পথে হাঁটলে ভুলে যাবেন না এই যে প্রজন্মটি দাঁড়িয়েছে এঁরা কিন্তু প্রচন্ড ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস, সেনজিটিভ এন্ড প্রোএক্টিভ - এটা ৫ আগষ্টের প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রভাবক হিসেবে সম্ভবত আপনার চেয়ে ভাল আর কেউ জানেনা।
একবার দেখলাম সেনাপ্রধান কথা দিলেন - তিনি জুলাই বিপ্লব ও চেতনা ২৪ এর সাথেই থাকবেন। যদি ওয়াকার সাহেব সত্যিই লাইনেই থাকেন তাহলে উপরের লেখাটায় বা আর্টিক্যালগুলোয় যেসব খোঁচা বা স্টিং মারা হয়েছে সব ওইথড্র করলাম। তিনি পূর্বের মত সম্মান পাবেন। আমরা তার ভূমিকাকে মূল্যায়ন করি, ইতিহাসও তাঁকে মূল্যায়ন করবে। তিনি জেনারেল মঈনের মত হারিয়ে যাবেন না আর লাইনচ্যুত হলে পরিণতি মঈনের চেয়েও খারাপ হবে।
সেনাপ্রধানের হাতে সুবর্ণ ও সুন্দর একটা সুযোগ এসেছে সত্যিকারের দেশপ্রেম দেখানোর!
আগের সেনাপ্রধান ভারত সফর করেছিলেন, বর্তমান সেনাপ্রধানের উচিত পাকিস্থান সফর করা কারণ পাকিস্থান সেনাবাহিনীই এখন এই অঞ্চলে সুপিরিয়র, দুশমন ভারত পর্যন্ত তলে তলে ভীত ও হতাশ পাকিস্থান সেনাবাহিনীর প্রতিটি সময়োপযোগী স্মার্ট মুভ ও লিথাল ইন্ডাকশন দেখে, উপরে উপরে ওরা যাই বলুক !
রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া রেখে আপনি আপনার আসল কাজটি করেন। রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার জন্য তো রাজনীতিবিদরা ও উপদেষ্টারা আছেন, আপনার প্রধান কাজ তো দেশের প্রতিরক্ষাকে শক্তিশালী করা। ভারত তো ৫৩ বছরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে দাঁড়াতেই দেয়নি, কী আছে আমাদের? এয়ার ডিফেন্স? ওয়ার প্লেন, মিসাইল সিস্টেম, ড্রোন পাওয়ার? কিছুই তো নেই! অথচ আমাদের অর্থের কোন অভাব ছিল না! পাকিস্থানের ইকোনোমিও আমাদের মত ছোট ইকোনোমি অথচ এরপরও তারা নিজেদের ডিফেন্সকে ইন্ডিয়া এমনকি ইরান বা ইসরাইলের মত যুদ্ধবাজ দেশের বিপরীতেও শক্তিশালী করতে পারল, অথচ আমরা পারলাম না। সেনাপ্রধান আপনি প্রকৃত দেশপ্রেমিক হলে এগুলিই ভাববেন আর এসব নিয়েই কাজ করবেন। আপনার হাতে সুবর্ণ ও সুন্দর একটা (যেমনটি আপনি বার বার বলেন সুন্দর একটা, সুন্দর সুন্দর, শুনে তো মনে হল মুদ্রাদোষ, ভাবী সাহেবাকে বারবার বলতে বলতে বোধহয় অভ্যেস হয়ে গেছে! হা হা জাস্ট মজা করলাম!) সুযোগ এসেছে এইসব কাজগুলো করার! ভারত বা অন্য কারো কোন চাপ নেই! আপনি যাই চান তাই করতে পারেন দেশের স্বার্থে! জনগণের স্বার্থে। তবে আপনাকে মনে রাখতে হবে আমরা বাঙ্গালী মুসলমানরা কিন্তু বেশিদিন চুপ থাকিনা, অপেক্ষা করি অবজার্ভ করি, এরপর একদিন জেগে ওঠি, ধরি, নামায়, নাস্তানাবুদ করে ছাড়ি! জিয়া এরশাদ মঈন সাহেবদের উদাহরণ তো আপনার সামনেই আছে, আশা করি আপনি সেটা খেয়ালে রাখবেন। আর বক্তব্য বিবৃতি যদি দিতে হয় - একজন মুসলমান হিসেবে ও একটি মুসলমান দেশের সেনাপ্রধান হিসেবে আপনার বক্তব্য বিবৃতিতে বাঙালী মুসলমান ও ইসলামেরই যাতে প্রতিফলন থাকে, হিন্দু বাঙ্গালী বা অন্যকিছুর যেমন সেক্যুলারিজম* ইত্যাদির প্রতিফলন (যেমনটি আগে দেখা গেছে আপনার বক্তব্য বিবৃতিতে) জরুরী নয় আপনার জন্য সেটাও খেয়াল রাখবেন। আর খেয়াল রাখবেন - পাওয়ার কামস উইথ সাম সর্ট অব রেস্পনসিবিলিটি এন্ড টাইম ফ্রেইম !
*সেক্যুলারিজম নিয়ে একটু বলেই শেষ করছি - ভারতের সংবিধানে সেক্যুলারিজম এবং তারা মুখেও সেটাই বলে কিন্তু কার্যত তারা কতটা হিন্দুত্ববাদী সেটা এখন সবার কাছে পরিস্কার, পক্ষান্তরে পাকিস্থান সাংবিধানিকভাবে ইসলামিক কিন্তু কার্যত ভারতের চেয়ে বেশী সেক্যুলার। বারবার পাকিস্থানের প্রসঙ্গ এসে যাচ্ছে কারণ এখানেও পাকিস্থান প্রাসঙ্গিক। তাই আপনি সেক্যুলার হন তাতে দোষের কিছু নাই, আমরাও সেক্যুলার, সুতরাং আপনি সেক্যুলার হন কিন্তু সেটা হতে হবে পাকিস্থানের মত, ভারতের মত নয়। আপনি অটোক্রাট হন অর্থাৎ ডেমোক্রেসি নয় কালেক্টিভ অটোক্রেসি দিয়ে দেশ চালান যেমন পাকিস্থান সেনাবাহিনী চালায়, কাজটা ভাল না হলেও পাকিস্থান সেনাবাহিনীর সেটা না করে উপায় ছিল না কারণ পাকিস্থানি জাতি ভুট্টুর মত নেতাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছে, বেনজিরের মত নেত্রীকে এসাসিনেট করেছে - ওরকম একটি দেশে আর্মির সব ক্ষমতা নিজের কাছে না রাখা ছাড়া উপায় নাই কারণ ওটা না করলে পাকিস্থানের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায় অর্থাৎ রাজনীতিবিদরাই দেশটাকে ধ্বংস করে দিত যেমনটি আপনি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বলেছেন 'আপনারা যদি মারামারি কাটাকাটি করেন তাহলে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে' - কথাটি আসলে পাকিস্থানের জন্যই প্রযোজ্য বাংলাদেশের জন্য নয়, তবে এই পর্যায়ে পাকিস্থান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নেতৃত্বে ওরকম অবস্থাটা অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছে। পাকিস্থান এখন অনেকটাই ঐক্যবদ্ধ এক জাতি হয়ে গেছে। যাই হোক বলছিলাম আপনি পাকিস্থান সেনাবাহিনীর মত কালেক্টিভ অটোক্রেসি দিয়েও দেশ চালাতে পারেন - কাজটা ভাল খারাপ যেটাই হোক বিশ্ব কিন্তু ভালই বলবে যদি আপনি সবকিছু সুন্দরভাবে ম্যানেজ করতে পারেন যেমনটা বিশ্ব কিন্তু পাকিস্থানের ডেমোক্রেসিকে (আসলে কালেক্টিভ অটোক্রেসি) ভালই বলছে এবং পাকিস্থান সেনাবাহিনীর প্রশংসাও করছে, তাঁদেরকে সাথে নিয়েই চলছে, আপনার ক্ষেত্রেও তাই হবে। পরেও পাকিস্থান প্রসঙ্গ আসছে, বারবার আসবে কারণ এই অঞ্চলের জন্য দেশটা তেমনই। অন্তত পাকিস্থানের সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক মুভমেন্টগুলো দেশটিকে বারবার প্রাসঙ্গিক করে দিচ্ছে। তাই বারবার পাকিস্থান আসছে বলে বিরক্ত হওয়ার কিছু নাই বরং খুশীই হওয়া উচিত। 'আপনি পাকিস্থানের প্রেমে পড়েননি, পাকিস্থানের প্রেম আপনার উপর পড়েছে' - ব্যাপারটা সেইরকমও ভাবতে পারেন যেমনটি আপনি জুলাই বিপ্লবকে ভেবে নিয়েছিলেন। আমি জানিনা আপনার মাঝে এখনও ভারতপ্রীতি বিদ্যমান আছে কিনা, থাকলেও তাতে পাকিস্থানের কিছু যাই আসেনা, পাকিস্থান ভারতকে বদলে দেবে 'উইথ দ্য পাওয়ার অব বুলেট এন্ড বম্ব' কিন্তু আপনাকে বদলানোর চেষ্টা করবে 'উইথ দ্য পাওয়ার অব লাভ/প্রেম', পাকিস্থান আপনার কাছে প্রেম নিয়েই এসেছে, বারবার আসবে, ফিরিয়ে না দিয়ে আপনিও পাকিস্থানের প্রেমে পড়ুন, বদলে যান।
আপনি সেক্যুলার হওয়ার পাশাপাশি ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির হন। পাওয়ার কামস উইথ সাম সর্ট অব রেস্পনসিবিলিটি এন্ড টাইম ফ্রেইম ! মোর পাওয়ার কামস বাই মোর রিস্ক - যেমন ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের কাছে এখন মোর পাওয়ার কারণ তিনি মোর রিস্ক নিয়েছিলেন। আপনিও মোর রিস্ক নেন। ফিল্ড মার্শালের কাছে যান, টিম আপ করেন আর এগিয়ে যান টুওয়ার্ড দ্য গ্রেট পাওয়ার। এটা একটা গ্রেট রিস্কি মুহুর্ত। ফেইস ইট। ভারত একটি অশুভ কালোশক্তি, এটাকে বধ করা এই উপমহাদেশের প্রায় ১০০ কোটি মুসলমানদের জন্য এখন সকল ফরজের উপর বড় ফরজ হয়ে গেছে। ভারতবধ কাব্য লেখা শুরু করে দিয়েছে ইতিহাস বা হালের জেনারেটিভ এআই প্ল্যাটফর্মগুলো। ভারতবধ কাব্যের পর, ফিউচার বিলংস টু আস! পাকিস্থান পজেজেস দ্য ফিউচার! পাকিস্থান ইজ দ্য ফিউচার! আলহামদুলিল্লাহ!
===
Hadiqa Kiani ne O gaana ga dia jo India sunna chathi tha -
Hum jisse dar rehethi O-hi baat hogye
Bande Mataram! Bharatmata ki jay!
===
US chooses Pakistan over India: Why the dramatic shift?
Because Pakistan proved itself as the real and lethal power in the region by the Op. Bunyanun Marsoos. Trump need Pakistan to play well with China and/or Iran. Moreover Pakistan possesses supersmart intelligence power which is known as the ISI in the world. ISI possesses true power to counter almost all top agencies in the world at a time. That is the unique power of ISI and Pakistan!
The Future is Pakistan!
Pakistan is the Future, not India.
Indian Economy is Dead! Indian Air Force is Dead! Indian Army is Dead! Indian Entertainment industry Bollywood is Dead! Indian Propagandist Media is Dead.
India is Now Dead Man of Asia!
And Pakistan is Now Rising Man of Asia!
Pak-Saudi Pact - Islamic Atomic Shockwave to the world and the Aftermath.
Open Great Game, Open Great Sting !
America Zindabad!
Pakistan Zindabad!
Field Marshal Asim Munir Zindabad!
===
Aayat Arif ne O gana gaa dia jo Pakistan sunna chathi tha -
Pakistan Humesha Zindabad
===
Sur ka jang bhi Pakistan jeet lia bohut pehleyse -
Ho na tha pyar
Music is now The End along with India is now The End.
===
Comments
Post a Comment