বস্তাপঁচা ৭১ নিয়ে ফাউল বকবকানি রেখে ভাল হয়ে যা। তোদের ওসব ছলের কথায় আমাদের সরলমননা পূর্বপুরুষরা ৭১ এ বিভ্রান্ত হয়েছিল, আমরা GenZ প্রজন্ম আর বিভ্রান্ত হবো না। আমরা ২৪ সৃষ্টি করেছি, ৭১ কে রিপ্লেস করে দিয়েছি। পাকিস্থান এখন আমাদের সভারেন্টিকে সম্মান করে, কেবল তোরাই প্রতিদিন বর্ডারে আমাদের জ্বালাতন করিস, আমাদের নিষ্পাপ মানুষগুলিকে পাখির মত গুলি করে মারিস। আমাদেরকে ও আমাদের সভারেন্টিকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করিস, তোদের ইউটিউবারতো প্রতিদিন বাংলাদেশ দখলে নিয়ে নিচ্ছে। আবারও বলছি ভাল হয়ে যা। পাকিস্থানীদের মাইরের চেয়ে আমাদের অর্থাৎ বাংলাদেশী মুসলমানদের মাইর আরও তিক্ত হবে তোদের জন্য - বর্ডারে আর জ্বালাতন করবি না, পায়ে ধরেছিস বলে ছেড়ে দিয়েছি গতবার, এইবার আর ছাড় নাই, প্রতিটি বাংলাদেশী লাশের বিপরীতে তিনটি ভারতীয় লাশ পড়বে।
আমাদের এক ভাই কলকাতার এই মতলবী, ফেইক প্রপাগান্ডাকারী সাংবাদিককে ইউটিউবের কমেন্ট সেকশনে কীভাবে ক্লাস দিচ্ছেন দেখেন নীচের এই প্যারাতে -
@AyubKhan-wm9vm
আসসালামু আলাইকুম। আপনার বক্তব্য শুনে খুব ভালো লাগলো আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনি একজন সুবক্তা। আপনার এই ধরনের বক্তব্য সাম্প্রদায়িকতাকে উসকে দিবে। সাম্প্রদায়িকতার বিষ বাস্প বিশ্বে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। যা গর্হিত কাজ। বাংলাদেশকে নিয়ে এবং বাংলাদেশের চিফ অ্যাডভাইজারকে নিয়ে যে ধরনের বক্তব্য রেখেছেন একজন বিদেশী নাগরিক হিসেবে আন্তর্জাতিক শিষ্টাচার ও কূটনীতিক বিধি বিধান সম্পর্কে আপনার জ্ঞানের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। অশালীন, শিষ্টাচার বহির্ভূত ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য আপনার সাংবাদিকতার বস্তুনিষ্ঠতাকে জলাঞ্জলি দিয়েছে। এই কুরুচিপূর্ণ, অশালীন ও গর্হিত অপরাধমূলক কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য আপনাকে অনুরোধ করছি। আপনি হয়তো ভুলে গেছেন ভারতকে আমরা বন্ধু হিসেবে জানি কিন্তু আপনারা কি করেছেন ? বাংলাদেশী মানুষকে সীমান্তে পাখির মত গুলি করে হত্যা করেছেন। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারার উপর বারবার অযাচিতভাবে নোংরামিভাবে হস্তক্ষেপ করে গণতন্ত্রকে ব্যাহত করেছেন।আপনার দেশ বাংলাদেশে স্বৈরাচারের জন্ম দিয়েছে। স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে কাজ করেছে। মানুষকে গুম করেছে, মানুষকে হত্যা করেছে। আমাদের দেশের গণতন্ত্রকে স্বৈরতন্ত্রে রূপ দিয়েছেন। আমাদের দেশের সুস্থ স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক ধারাকে ব্যাহত করেছেন। আমাদেরকে শোষণ নির্যাতন এমন কিছু নাই আপনারা যা করেননি। অত্যন্ত নিন্দনীয় যে হাজারোবার মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ ভারতের মানুষকে বন্ধু জানে কিন্তু সরকারকে জানে স্বৈরাচারের দোসর হিসাবে, নির্যাতনকারী হিসেবে অপহরণকারী হিসাবে। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা --র কে দিয়ে গুম ও খুন, হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। এই হলো আপনার সরকারের চরিত্র। আপনার দেশে তো বাংলা কথা বললেই তাদেরকে তাড়িয়ে দিচ্ছে। মুসলমানরা গরু জবাই করলে তাদেরকে পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। মসজিদ মাদ্রাসা মুসলমানদের বাড়িঘর কে ভাঙচুর করে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। অতঃপর আপনার এই বক্তব্য আপনার মুখেই বড্ড বেমানান। চোরের মুখে রাম রাম। বাংলাদেশকে শোষণ করেছেন। ভারত বাংলাদেশে ১৪ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য করেছেন। এটি ছিল দৃশ্যমান। অদৃশ্য যদি বাণিজ্য ধরি তাহলে ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। কিন্তু বাংলাদেশের পণ্যের উপর বিভিন্ন টেরিফ আরোপ করা হয়েছে। আমরা মাত্র ২০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করতে পেরেছি। বিনামূল্যে আমাদের রোড, রেল,বন্দর, আকাশকে ব্যবহার করেছেন।বাংলাদেশ থেকে নেপালের দূরত্ব ১৭ কিলোমিটার। এক ট্রাক পণ্য ভারত হয়ে নেপালে যেতে সময় ব্যয় করতে হয়েছে ১৭ দিন। বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৭০০ কিলোমিটার পথ যেতে লেগেছে দু্ দিনে। আমাদেরকে তীব্রভাবে শোষণ করেছেন। বাংলাদেশকে ভারতের একটি উপনিবেশ এবং একটি অঙ্গরাজ্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছেন যা জঘন্যতম অপরাধ। আপনাদের চিন্তা ও মগজ থেকে এটা ঝেড়ে ফেলে দেন। দাদাগিরি আচরণ থেকে বিরত থাকুন। সেই কারণেই কোন প্রতিবেশীরা আপনাদেরকে বিশ্বাস করে না আপনাদের কে জানে বিশ্বাসঘাতক হিসাবে। চোরের মুখে রাম রাম সুতরাং আর যেন এই ধরনের অবাঞ্চিত বক্তব্য উপস্থাপন না করা হয়।
Comments
Post a Comment