হামলার পরই জবাব পাবে। পাকিস্থান ইসলামের রীতি অনুযায়ী কখনও আগে হামলা করেনা, এজন্যই পাকিস্থান বসে আছে। ভারতের হামলা শুরুর পরই দিল্লী শেষ করবে পাকিস্থান, ভেরি ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস এন্ড লিথাল রেসপন্স রেডি ফ্রম পাকিস্থান। জেনারেল আসিম মুনির জিন্দাবাদ! পাকিস্থান জিন্দাবাদ!
২০১৯ সালে ভারতের অবস্থা খুব খারাপ ছিল । তখন পাকিস্তান চাইলে ইন্ডিয়াকে খতম করে দিতে পারতো। কিন্তু দুর্বলকে আক্রমণ করা মুসলমানদের ধর্মে নাই, তাই পাকিস্তান ভারতকে ফ্যান্টাস্টিক টি পান করিয়ে ৬ বছর সময় দিয়েছে তাগড়া হবার জন্য। ২০১৯ সালে পাকিস্থান যখন F-16s উড়ালো তখন ওদিকে ভারতের হাতে ঐ মানের একটি জেটও ছিল না, ফলে ডগ ফাইটে মজা পেলনা পাকিস্থান, ৬ টি টার্গেট লক করেও মাত্র ১ টি হিট করেছিল শান্তি ও আঞ্চলিক স্থিতি রক্ষার স্বার্থে। ৬ বছর পর ফ্রান্স ও রাশিয়া থেকে এটা সেটা টেনেটুনে ভারত এখন পাকিস্থানের লেবেলে উঠেছে, তাই পাকিস্তান এবার আর ছেড়ে দেবে না। খতম করেই ছাড়বে ভারতকে।
২০২৫: ভারত হামলা করেছে, জবাবও পেয়ে গেছে। শুধু ভারত নয় পুরো দুনিয়াও জবাব পেয়ে গেছে।
Defensive strategy aapnake Pakistan bilkul sahih position par hay aur humesha rehega, Pakistan kabhi bhi Offensive strategy nahi aapnyaga kiu ki Hum Musolman hay aur Offensive strategy me gorur shamil hotha hay jo Allahoko shaqt na pachand hay, islia aap humesha dekhenge Offensivewalo ko Zillat pakor letha hay. Isilia Pakistan Superpower banneki baad bhi Offensive nahi hoga, Defensive Strategy parhi rehega. Humne defensive strategy par Iran ko bhi jawab dia tha, Iran ne du missiles dag dia tha, humne osko chora tha? Jane du Iran powerful mulk hay, du missiles dag dia tu kia hua, jane du!, lakin humne jane nahi dia, tagra jawab dia, Iran aur India ko chora kal America aur even China bhi hum par koi harqat kare tu humara pass oska bhi Defensive jawab mauzud hay! Sirf aur Sirf Islam ki khatir Allah ki khatir hum Offensive pe nahi jounga, Superpower banneki baad bhi nahi.
পাকিস্থানের শবে বরাতের রিয়েকশন হিসেবেই ভারত দিওয়ালি বলেছে। পাকিস্থান পরমাণু ও কনভেনশনাল দুটিতেই এগিয়ে। কনভেনশনাল যুদ্ধই চলবে, পারমাণবিক কেবল পাগলই ভাবতে পারে। আর পাগলে যদি ভাবেও ওটার ঔষধ পাকিস্থান তৈয়ার করে রেখেছে বহু আগেই। ওটা এমন 'মে যব ডুবুঙ্গি, সনম তুজে লেকেই ডুবুঙ্গি' - এই তত্ব আমেরিকা রাশিয়া চায়না সহ সব পারমাণবিক শক্তিধর দেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। এজন্যই পারমাণবিক যুদ্ধ হওয়ার কোন চান্স নাই, হ্যাঁ ট্যাকটিক্যাল নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড নিয়ে লিমিটেড যুদ্ধ হতে পারে আর এতেই পাকিস্থান সবচেয়ে বেশী দক্ষ ও প্রস্তুতিসম্পন্ন দেশ। একারণেই আপনি দেখবেন ভারত তো ভারত, ইউরোপ আমেরিকা চায়না রাশিয়া কেউই কখনই পাকিস্থানকে ঘাটাতে আসবে না। হয়তো আপনি ইতমধ্যে দেখেছেনও, আমেরিকা যেভাবে ইরানে এসেছে, এইভাবে পাকিস্তানেও তো আসতে পারতো, কিন্তু আপনি কী দেখেছেন? উল্টো!- আমেরিকা পাকিস্থানে এসেছে বন্ধু হয়ে ঐভাবে নয়। যে পাকিস্থানে ঐভাবে আসবে, শ্রেফ উড়ে যাবে, সেটা আমেরিকা রাশিয়া ইউরোপ চায়না যেই হোক না কেন?! পাকিস্থান নিজের সভারেন্টিকেই ইনভিন্সিবল বানাতে নিউক্লিয়ার প্রজেক্ট নিয়েছিল, কাউকে এটাক করতে নয়। এবং পাকিস্থান অত্যন্ত সফলভাবেই তাঁদের সভারেন্টিকে ইনভিন্সিবল বানিয়েছে।
Comments
Post a Comment