৭১ এ পাকিস্থান থেকে দেশ আলাদা হয়েছে, ২৪ এ দেশ ভারত থেকে স্বাধীন হয়েছে!
on
Get link
Facebook
X
Pinterest
Email
Other Apps
৭১ এ পাকিস্থান থেকে দেশ আলাদা হয়েছে, ২৪ এ দেশ ভারত থেকে স্বাধীন হয়েছে - এটাই বাংলাদেশের প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধ, প্রকৃত স্বাধীনতা, স্বাধীনতা ২.০, সেকেন্ড রিপাবলিক যাই বলেন বলতে পারেন। এটাকেই আমাদের রক্ষা করতে হবে। পাকিস্থান দূরত্বগত কারণে আর আমাদের দেশ দখল করতে আসবে না, ভারত থেকে নেওয়া ২৪ এর স্বাধীনতা ও চেতনা রক্ষায় জাতিকে চিরদিন ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং দেশের সেনাবাহিনীকে একমাত্র সম্ভাব্য বড় শত্রু ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্থানের মতই শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। ৭১ নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করলে জাতি বিভক্ত হবে, তাছাড়া ইতিহাস কেবল ৭১ নয় ৪৭ও ইতিহাস। ৭১ আনতে চাইলে ৪৭ও এসে যেতে পারে। ইতিহাসকে ৭১ এ লক করা যাবে না, সেটা করতে গিয়েই আওয়ামীলীগ ধ্বংস হয়ে গেল। বিএনপিও ৭১ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে ধ্বংস হবে। এই দেশের প্রজন্ম অনেক প্রাজ্ঞ, তারা অনেক দূর - দূর অতীত ও দূর ভবিষ্যত দুটোকেই স্পষ্ট দেখতে পায়। তারা মতলববাজ অতীতচারী অত্যাচারীদের যেমন ক্ষমা করেনা তেমনি মতলববাজ ভবিষ্যতচারীদেরও রেহাই দেবে না। তাঁরা প্রচন্ড ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস রিয়েকশন ওইথ পাওয়ার এন্ড প্রিসিশন দেয় অনেকটা চৌকস সেনাবাহিনীর মতই যেটা আমরা ২৪ এর আগস্ট মাসজুড়ে দেখেছি। এই প্রজন্মটি যাদের GenZ বা যাই বলা হোক, ওরা বারবার বারুদ উড়িয়ে রাজপথেই ফায়সালা করে দেবে সকল অন্যায় অত্যাচার জুলুম তথা যেকোনো ফ্যাসিবাদকে।
৭১ নিয়ে অতিরঞ্জন ও বাড়াবাড়ি করবেন না, এতে কেবলই বিভক্তি ও অরাজকতা বাড়বে।
৭১ কে ২৪ রিপ্লেস করে দিয়েছে, এটাই বাস্তবতা। আওয়ামীলীগের যেমন কোন মূল্য নাই তেমন ৭১ এরও কোন মূল্য নাই এখন।
আওয়ামীলীগ ১৫ বছর বিরামহীন ৭১ এর ভাঙ্গা রেকর্ড বাজিয়েও ঠিকতে পারলোনা, অথচ এরপরও ২৫ মার্চ ১৬ ডিসেম্বর আগস্ট আসলে মিডিয়াগুলো আবার ঐসব ভাঙ্গা রেকর্ড বাজানো শুরু করে দেয়! এভাবে চললে জাতি বারবার বিভক্ত হবে, বিপর্যয়ে পড়বে, এগুতে পারবে না। নিউজের প্যাটার্ন মোটিভ ন্যারেটিভ চেঞ্জ করতে হবে। হিন্দুস্থানের চক্রান্তে ও চাপাবাজ ক্ষমতালিপসু শেখ মুজিবের চাপাবাজি ও ক্ষমতালিপ্সার কারণেই পাকিস্থানকে বাধ্য হয়ে ভ্রাতৃঘাতী এক যুদ্ধ পরিচালনা করতে হয়েছে - এইভাবে নিউজ করতে হবে কারণ এটাই এখন বাস্তবতা। শেখ মুজিব চাপাবাজি না করে টেবিল টকে পারদর্শী হলে কোন হত্যার ঘটনা ঘটতো না, পাকিস্থান কেন নিজ দেশের মানুষ অর্থাৎ পাকিস্তানীদেরকেই হত্যা করবে?, বাঙালীরা তো তখন পাকিস্তানীই ছিল! সুতরাং ঐসব হত্যাকাণ্ডের জন্য শেখ মুজিবই দায়ী, শেখ মুজিবের চাপাবাজি আর ক্ষমতা লিপ্সাই দায়ী ছিল।
৭১ মুক্তিযুদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা এসব একচ্ছত্রভাবে আওয়ামীলীগের ছিল, এখন আওয়ামীলীগ নাই, ওসবেরও দরকার নাই, ওসব পুরোনো কাসুন্দি ঘাঁটতে গেলে জাতি বিভক্তই হবে, বিএনপি বা অন্য কোন দলের ওসব ওন করার সুযোগ নাই, মানায়ও না, ওসব আওয়ামীলীগকেই মানাতো। যাই হোক এখন ৭১ নয় ২৪ কেই সবাইকে ধারণ করতে হবে, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধাদের নয় ২৪ এর মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদেরই স্বীকৃতি দিতে হবে - মানতে হবে স্বাধীনতা ২. ০ মুক্তিযুদ্ধ ২. ০ বিজয় ২৪ বাংলাদেশ ২. ০ সেকেন্ড রিপাবলিক এসব কনসেপ্ট ও চেতনাকে - এটাই এখন ঐক্য ও এগিয়ে যাওয়ার মূলমন্ত্র, প্রতিবেশী ভারতকেও এখন এটাই মেনে নিতে হবে নতুবা আমরা ওদের দুতাবাসসহ সকল কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করবো। আবার ৭১ কে আনতে চাইলে আবার ৪৭ও এসে যেতে পারে, তাই ২৪এ-ই স্থির থাকতে হবে। ২৪-ই এখন জাগ্রত বাংলাদেশের ২৪ ঘন্টা চলমান আবেগ উচ্ছাস বাঁধাহীন স্বপ্ন ও ভবিষ্যত নির্মাণের ভিত্তিমূল!। আর ৭১ ১ দিনের স্মৃতি বস্তাপঁচা সংকীর্ণ ও কেবলই ১৫০০ মাইল দূরের একটি দেশের বিরোধীতা করা যা এই যুগে বেমানান ও অপ্রয়োজনীয়।
৭১ ছিল বুর্জোয়া ও চালবাজ, চালাক ও ক্ষমতালোভী শেখ মুজিবের সৃষ্ট যুগের একটি ব্লাফ, ব্লান্ডার!
বুয়া ৫২ ও ব্লান্ডার ৭১ এবং প্রাইড ৪৭ ও ২৪
৫২ এর ভাষা আন্দোলন ও ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ দুটোই ছিল বুয়া ধাপ্পাবাজি চাপাবাজি ব্লাফ ও ব্লান্ডার। এই বুয়া ব্লাফ ও ব্লান্ডারের মূল হোতা বা কারিগর ছিল কলকাতার হিন্দু বুদ্ধিজীবীরা। এটা বাংলাদেশের বাঙ্গালী মুসলমানদের কোন গৌরবময় অর্জন নয় বরং ওটা ছিল বাঙ্গালী হিন্দুদের ছলাকলাময় অর্জন। বাংলাদেশের বাঙ্গালী মুসলমানদের গৌরবময় অর্জন ছিল ৪৭ এর পাকিস্থান। ৫২ তে বাঙ্গালী মুসলমানকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে আর ৭১ এ তাদের দিয়ে ব্লান্ডার করানো হয়েছে। কলকাতার হিন্দু বাঙ্গালী কুশীলবরা পশ্চাদপদ গরীব বাঙ্গালী মুসলমানদেরকে বলির পাঁঠা বানিয়ে তাদের দিয়ে বুয়া ৫২ ও ব্লান্ডার ৭১ সৃষ্টি করেছিল ৪৭ এর রিএকশন হিসেবেই। পাকিস্থানকে দূর্বল ও ব্রেক করাই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য। বাংলাদেশের বাঙ্গালী মুসলমানদেরকে পাকিস্থান হত্যা করেনি, হত্যা করেছে মূলত ভারত, ঐ যে বলির পাঁঠা বানানো - পাকিস্থানকে দিয়ে মূলত ভারতই বাংলাদেশের বাঙ্গালী মুসলমানদেরকে হত্যা করেছিল। বলির পাঁঠা বনে যাওয়া বাঙ্গালী মুসলমানরা ৫০ বছরেরও বেশী সময় বুয়া ৫২ ও ব্লান্ডার ৭১ এ বুদ থাকার পর ২০২৪ এ এসে বিশ্বকাঁপানো বিপ্লব ঘটিয়ে কলকাতার সেই হিন্দু কুশীলবদের জবাব দিয়েছে, ওদেরকেই সবচেয়ে বেশী কাঁপিয়ে দিয়েছে, জবাব পেয়ে গেছে ভারতও - ২৪ এর অভূতপূর্ব গণবিপ্লব দেখে ওরা এখন চোখে সর্ষেফুল দেখছে! ৪৭ এর মত ২৪ও বাংলাদেশের বাঙ্গালী মুসলমানদের আরেকটি গৌরবময় অর্জন।
আবারও বলছি, ৭১ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে দেশ বারবার বিপর্যয় ও ফ্যাসিবাদ দেখবে, ক্ষতিটা এই দেশেরই। পাকিস্থানের তাতে কিছু আসবে যাবে না। নিউজ করতে হবে পাকিস্থানের ন্যারেটিভ ও পার্সপেক্টিভ অনুযায়ীই, ভারতের ন্যারেটিভ ও পার্সপেক্টিভ অনুযায়ী নয়। ভারত তার এতবড় গোদি মিডিয়া, প্রপাগান্ডা, শক্তি - অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সব শক্তি দিয়েও যেখানে পাকিস্থানের সাথে দুশমনি এফোর্ড করতে পারছে না সেখানে আমাদের পাকিস্তান বিরোধী ন্যারেটিভ চালানো আহম্মকি ও বর্তমান বাস্তবতা বিরোধী। বর্তমানে পাকিস্থানই চীনের পর এশিয়ার পাওয়ার প্লেয়ার ও ফ্যাক্টর, ভারত নয়, উপরে উপরে ভারতকে সেটা মনে হলেও তলে তলে ও মোক্ষম সময়ে পাকিস্থানই আসলে সেটা, এখন অপারেশন বুনিয়ানুন মারসুসের পর অবশ্য আর তলে তলে নয় উপরে উপরেও পাকিস্থানকেই দুনিয়া এই অঞ্চলের রিয়াল ও লিথাল পাওয়ার প্লেয়ার ও ফ্যাক্টর হিসেবে মানছে ও রেসপেক্ট করছে!
কীসের ৭১, ৪৭ রিপিট হবে আবার। বরং বলা উচিত আরও বড় বা বেশী কিছু, পাকিস্তান এখন কাশ্মীর নয় পুরো দিল্লী নিয়া ভাবছে। তাই ৪৭ও নয়, আরও আগে যাচ্ছি আমরা, গজনবী বাবর আওরাংজেবদের আমলের সেই স্বর্ণালী সময়ে ফিরছি যখন মুসলমানরা ভারত শাসন করতো, আবারও মুসলমানরাই গোটা উপমহাদেশ শাসন করবে, ওদিকে তালিবানও এসে গেছে। পাকিস্থান তালিবান বাংলাদেশ মিলে ভারত দখলে নেবে খুব শিগ্রী। তালিবান নিয়া চিন্তা করবেন না, ওটা পাকিস্থান সেনাবাহিনীরই বিশেষ ক্লাসিফাইয়েড বি টিম গোটা বিশ্বের জন্য, তালিবানের সাথে ভারতের দহরম মহরম দেখে বিচলিত হবেন না বা ঈমান হারা হবেন না, ভিতরে ভিন্ন কিছু - গ্রেট গেম! স্ট্রং স্টিং!
Comments
Post a Comment