শেখ মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাইনি, ব্যাঙের গালের সমান ব্যাঙলাদেশের প্রেসিডেন্ট নয় মুজিব চেয়েছিল হোসেন শহীদ সোহরাওয়ারদীর মত পুরো অবিভক্ত পাকিস্থানের প্রেসিডেন্ট হতে, মুজিব তো জেলে বন্দী ছিল, সে তো জানতই না বাংলাদেশ স্বাধীন হচ্ছে বা হয়েছে, বাঙালদের ট্রেনিং থেকে সব ভারত র ও ইন্ধিরা গান্ধী লিড করছিল, ৯ মাস পর অবশেষে বাংলাদেশ স্বাধীন হল আর মুজিবের খায়েশ, খায়েশই থেকে গেল, পুরো পাকিস্থান নয় মুজিব হল ব্যাঙের গালের সমান ব্যাঙলাদেশের প্রেসিডেন্ট। মুজিবও 'নেই মামার চেয়ে কানা মামা ভাল' চিন্তা করে ব্যাঙলাদেশের প্রেসিডেন্ট সেজে গেল। পাকিস্থান গোসসা করে মুজিবকে মূলক দুশমন গাদ্দার ঘোষণা দিয়ে ওকে ওর হালে ছেড়ে দিল। ৪ বছরের মাথায় মুজিব গোষ্ঠীশুদ্ধ নিহত হল - পাকিস্থানের গোসসা তখনও কমেনি, তাই পাকিস্থান বাংলাদেশের দিকে দৃষ্টিও দেয়নি, কোন কমেন্টও করেনি! ৫৩ বছরের মাথায় মুজিব ও তার দলের নিশানও বাংলাদেশ থেকে মুছে গেল - এবার পাকিস্থান প্রথমবারের মত গোসসা কমিয়ে বাংলাদেশের দিকে সুদৃষ্টি দিল আর বলল মুজিব তার সাজা ভোগ করছে পাকিস্থান ভাঙ্গার অপরাধের!
পাকিস্থানের চোখে মুজিবের চেয়েও বড় মূলক দুশমন ও গাদ্দার জিয়া। কেননা জিয়া যুদ্ধের ময়দানে প্রত্যক্ষভাবে দুশমনী করেছে, মুজিব তো শ্রেফ পলিটিক্যাল প্রেসার সৃষ্টি করেছিল। হয়ত সেজন্যই মুজিবের মত জিয়াও মাত্র তিন বছরের মাথায় মর্মান্তিক মৃত্যু বরণ করেছে সেই একই পাকিস্থান ভাঙ্গার অপরাধের সাজা হিসেবেই!
Comments
Post a Comment