বেশী লাফালে কী হয় বা এক লাফে গাছে উঠতে চাইলে কী হয় সেটা কিন্তু সবাই জানে !

আমি ৮ বছর আগে J10Cs সিলেক্ট করেছিলাম আমার দেশের জন্য, পাকিস্থান ও ভারতকে গভীরভাবে স্টাডি করে, আজও সেই J-10C ই সবচেয়ে বেশী স্মার্ট ও লিথাল চয়েস। আমার এই ব্লগ পোস্টটি দেখুন তখন হাসিনার আমল আর আমাদের এয়ার ফোর্স মোদী হাসিনার কোলে পড়ে পড়ে ফিডার খাচ্ছিল। 


J-10C নিয়ে পোস্টটি খুঁজে পাওয়া গেল না, তবে ঐ সময়ের সিমিলার এই পোস্টটি দেখতে পারেন, ২০১৯ সালের পোস্ট, অত্যন্ত ক্রান্তিকাল ও টান টান উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তাপূর্ণ সময় ছিল, কিন্তু আমি তখন পাকিস্থান যুদ্ধে জয়ী হচ্ছে বলে নিশ্চিত ছিলাম এবং সেটাই হয়েছে এবং তখনই আমি বাংলাদেশকে চাইনিজ J-10Cs ক্রয় করার পরামর্শ দিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম, পরে বোধ হয় কোন কারণে আমি সেটা ডিলেট করে দিয়েছিলাম, যাই হোক নীচের পোস্টটি দেখতে পারেন, পাকিস্থানের F-16s JF-17s ইত্যাদি স্টাডি করে যুদ্ধকালীন পাকিস্থানের জয়ের ব্যাপারে এন্টিসিপেট করে করা একটি পোস্ট।

পোস্ট লিংক: https://myctgbanglamcb.blogspot.com/2019/08/blog-post_21.html


বেশী লাফালে কী হয় বা এক লাফে গাছে উঠতে চাইলে কী হয় সেটা কিন্তু সবাই জানে। প্রত্যেকটা প্ল্যাটফর্ম ভিন্ন, একেকটা প্ল্যাটফর্মে অভিজ্ঞ হতে ১০-১২ বছর লেগে যায়, F-16s প্ল্যাটফর্মে অভিজ্ঞ হতে পাকিস্থানের এক যুগ লেগেছে, ভারত কোন প্ল্যাটফর্মেই অভিজ্ঞ হতে পারেনি, রাশিয়ান ফ্রেঞ্চ দৌড়ের উপর থেকেছে, কাজের কাজ কিছুই শেখেনি। বাংলাদেশের অবস্থাও তেমনটিই হবে বলেই মনে হচ্ছে। পাকিস্থান F-16s এর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে JF-17s বানিয়েছে, দ্রুত J-10C ও এডপ্ট করে নিয়েছে। বাংলাদেশ হয় বেশী চালাকি করছে নয় শ্রেফ পাগলামি করছে, যে নিজেকে সবার থেকে বেশী চালাক মনে করে সে আসলে সবার থেকে বোকা। বেশী লাফালে সব দেশই মুখ ফিরিয়ে নেবে পরে। শুধু কিনলে হবে না, ট্রেনিং আর অভিজ্ঞতাটাই আসল, ভারতের পাইলটদের সেটা ছিলনা বলেই ওরা একবার নয় দু দুবার মার খেয়েছে। এই অঞ্চলে সবচেয়ে বেশী রিয়েল ব্যাটেল টেস্টেড অভিজ্ঞতা আছে কেবল পাকিস্থানের কাছে, এমনকি চীনের কাছেও নাই, চীন কেবল বানিয়ে রেখে দেয়, রিয়াল ব্যাটল টেস্টেড হওয়ার সুযোগই পায়নি, অথচ পাকিস্থান সোভিয়েত আমল থেকেই আফগানিস্তান ইসরাইল দুই দেশেই নিজেদের অভিজ্ঞতা পাকা করে নিয়েছে, তাই অনেক সময় চীন খোদ পাকিস্থানের রিয়েল ইনপুট ডাটার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, ২০১৯ সালে ভারতের সাথে আকাশযুদ্ধের পর JF-17s এর ব্যাটল সার্টিফিকেটের জন্য চীনকে পাকিস্থানের জন্য অপেক্ষা করতে হয়, এমনকি JF-17s চীন পাকিস্থানের পার্মিশন ছাড়া মার্কেটিংও করে না বা করতে পারেনা। সুতরাং ভেবে দেখুন বাস্তব অভিজ্ঞতা কতটা ইম্পর্টেন্ট। আর পাকিস্থান রাফাল নামানোর পর তো গোটা সামরিক জগতে ভূমিকম্প মত ঘটে গেছে, এখনো বহু এক্সপার্ট গবেষণা ও নথিপত্র তালাশে ব্যস্ত, ডোনাল্ড ট্রাম্প তথা আমেরিকা পর্যন্ত পাকিস্থানের খাতির করা শুরু করে দিয়েছে তথ্য হাতাতে, সুতরাং অভিজ্ঞতাটাই আসল গেইম চেঞ্জার। তাই আবারও বলছি, আগেও একাধিক পোস্টে বলেছি, লাফালাফি কম করে পাকিস্থান যান, অভিজ্ঞদের থেকেই অভিজ্ঞতাটা বা ট্রেনিংটা নেন, বিশেষ করে F-16s প্ল্যাটফর্মের অভিজ্ঞতাটা, পারলে ১০ ২০ টা F-16s ও বাংলাদেশে নিয়ে আসেন অবশ্য যদি পাকিস্থান রাজি হয়। পাকিস্থান বাংলাদেশকে অন্তত এখন পর্যন্ত ছোট ভাই-ই মনে করে, তাই রাজি হয়েও যেতে পারে, তবে বেশী চালাকি করলে পাকিস্তানিরা কিন্তু বোকা নয়, ওরা অর্ধশতকেরও বেশী সময় ধরে একটি উন্মাদ অপশক্তিকে মোকাবিলা করে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে, পাকিস্তানিরা ভারতীয় ও বাঙালিদের চেয়ে বেশী চালাক বলেই সেটা সম্ভব হয়েছে, তারা আবার চালাক হওয়ার পাশাপাশি অমায়িকও অন্যদের মত দাম্ভিক নয়। ওদের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর ট্র্যাক রেকর্ডিং দেখুন, চালাক না হলে এতবড় ও এত সফল সংস্থা কীভাবে চালাচ্ছে ওরা। তাই বাংলাদেশকে আমি সতর্ক করছি পাকিস্থানের সাথে কখনও পাঙ্গা নিতে যাবেন না, পাকিস্থান আপনার প্রতি আবেগ অন্ধ বা দুর্বল যার সুযোগ আপনি নেবেন না, নিলে পরিণতি তেমনই হবে যেমনটি ভারতের হবে, তখন পাকিস্থান আর আপনার উপর আবেগ অন্ধ বা দূর্বল থাকবে না যেমনটি আপনি এখন আফগানিস্তান বা তালিবানের ক্ষেত্রে দেখতে পাচ্ছেন। পাকিস্থান মুসলমান ভাই হিসেবেই আফগান বা তালিবানদের প্রতি দূর্বল ছিল, তাই উপরে আমেরিকার সাথে থাকলেও ভিতরে তালিবানের কাবুল জয় পর্যন্ত পাকিস্থান সহায়তা করে গেছে তালিবান সেটা স্বীকার করুক বা না করুক। কিন্তু এখন পাকিস্থান ঐটাই করবে যেটা আমেরিকাও করেনি বা করতে পারেনি। কেন পাকিস্থান এমনটা করার পর্যায়ে আসল কারণ ঐ পাঙ্গা, তালিবান পাকিস্থানের সাথে পাঙ্গা নিয়েছে, তাই বাংলাদেশ এবং ইরানকেও সতর্ক করছি পাকিস্থানের সাথে পাঙ্গা নেবেন না, বা পাকিস্থানকে হালকা নেবেন না। পাকিস্থানের একমাত্র শত্রুর সাথে মিলে যাবেন না অবশ্য তালিবান পাঙ্গা নেওয়ার পাশাপাশি সেটাও করেছে অর্থাৎ একমাত্র শত্রুর সাথে মিলে গেছে যেটা সব থেকে বেশী মারাত্মক ও অকল্পনীয় পরিনামবাহী হবে। অপেক্ষা করুন - তালিবানের পরিণাম দেখতে পাবেন!



Comments