জামাত বা পাকিস্থানকে কেন মাফ চাইতে হবে? মাফ চাইতে হবে ভারতকে, মাফ চাইতে হবে ইন্দিরা ও মুজিবকে, আর এখন মাফ চাইতে হবে শেখ হাসিনাকে!
জামাত বা পাকিস্থানকে কেন মাফ চাইতে হবে? মাফ চাইতে হবে ভারতকে, মাফ চাইতে হবে ইন্দিরা ও মুজিবকে, আর এখন মাফ চাইতে হবে শেখ হাসিনাকে!
পাকিস্থানের ভূখন্ড পাকিস্থানের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বলে মাফ চাইতে হবে ইন্দিরা ও মুজিবকে। ছিনিয়ে নেওয়ার পর ৫৩ বছর ধরে ছলেবলে ভোগদখল করেছে বলে মাফ চাইতে হবে ভারত ও মোদীকে। ৪ মে ৫ আগস্ট সহ সকল গণহত্যা ও গুম খুনের জন্য মাফ চাইতে হবে শেখ হাসিনাকে এবং মূল পরিকল্পনাকারী মোদী ও র এজেন্টদেরকে।
মানবিক কারণে মাফ চাওয়ার প্রশ্ন উঠলে সেটা একবার নয় ইতিমধ্যেই তিন তিন বার পাকিস্থান সংশ্লিস্টদের কাছে মাফ চেয়েছে আর এখন জামাতও একই কারণে বা একইভাবে মাফ চেয়েছে। কিন্তু অন্যভাবে বা অন্য একটি দেশ বা গোষ্ঠী বা শক্তির কাছে মাফ চাইতে বলা হলে জামাত বা পাকিস্থান সেটা কেয়ামত পর্যন্তও চাইবে না। বরং ৩ লাখ বা ৩০ লাখ নয় এইবার প্রয়োজনে পাকিস্থান ৩০ কোটিকে হত্যা করবে। যারা জামাত ও পাকিস্থানকে মাফ চাওয়ার কথা বলেন তাদের মাঝে এখনও সেই হিন্দুত্ববাদী অশুভ শক্তির অপছায়া রয়ে গেছে। তারা সেই অশুভ অপশক্তির পালেই হাওয়া যুগাচ্ছেন।
৩০ কোটিকে হত্যা করার প্ল্যান আসলে ভারতই এখন নিয়েছে, ইসরাইল-ফিলিস্থিনের মত পরিস্থিতিই ভারত এখানেও সৃষ্টি করতে চায়। কিন্তু স্মার্ট ও শক্তিশালী পাকিস্থানের ডিটেরেন্স, সুইফট রেসপন্স ও ডিফেন্সিভ স্ট্রাটেজি যেটা এখন পাকিস্থান অফেন্সিভ করতে বাধ্য হয়েছে যার কারণে ভারতের জন্য সেরকম কিছু সম্ভবপর হয়ে উঠছে না। ভারত যা করবে পাকিস্থান সেটা রুখে দেবে অথবা সমানুপাতিক কিংবা বহুপাতিক জবাব দেবে। অর্থাৎ ভারত ৩ জন মারলে পাকিস্থান ১৩ জন বা ৩০ জনই মারবে। ফিলিস্থিনের লাখো মানুষের মৃত্যুর মত উপমহাদেশের কোটি মানুষ মৃত্যু ঝুঁকিতে আছে ভারতের এগ্রেসিভ নীতির কারণেই, তবে ভয় বা শঙ্কার তেমন কোন কারণ নাই কারণ পাকিস্থান সেটা রুখে দেবে বা বলা যায় রুখে দিয়েই আসছে যুগের পর যুগ বছরের পর বছর দিনের পর দিন ঘন্টার পর ঘন্টা বা মিনিটের পর মিনিট। সবার অজান্তেই সবাইকে এখানে পাকিস্থান রক্ষা করে চলেছে নিজেদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে। তবে ম্যাসিভ মৃত্যুভয় বা শঙ্কা না থাকলেও ফুল ফ্লেজ্ড ওয়ারের শঙ্কা আছে, তবে যথারীতি স্মার্ট ও পাওয়ারফুল পাকিস্থান সেই এমিনেন্ট ওয়ারেও ক্যাজুয়েলটি ৩:৯ (হাজার) রাখবে পূর্বের বা সাম্প্রতিক দুই ওয়ার ২০১৯ ও ২০২৫ এ যেমন তাঁরা স্মার্ট ও লিথাল সব স্ট্রাটেজি ও ট্যাকটিক দিয়ে রেসিওটা ৩:১৩ (জন) রেখেছে, অর্থাৎ ৩ জন মরলে ওদিকে ১৩ জনকে মারার মধ্য দিয়ে পাকিস্থান ওয়ার কনক্লুড করেছে, একইভাবে এমিনেন্ট ফুল স্পেকট্রাম ওয়ারেও কোটি মানুষের মৃত্যু নয় ৩ হাজারের বিপরীতে ওদিকে তিনগুন অর্থ্যাৎ ৯ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে অর্থাৎ পাকিস্থান রেসিওটা তেমনই রাখবে বা রাখার চেষ্টা করবে। এইভাবে বিপুল মানুষের জীবন ওসম্পফদ বাঁচিয়ে দিচ্ছে বারবার বা দেবে বলে সবার উচিত পাকিস্থানের কাছে শোকরিয়া আদায় করা এবং পাকিস্থানের হাতকেই শক্তিশালী করা। অন্য আরেকটি কারণেও এই অঞ্চলের প্রতিটি ছোট দেশ - মালদ্বিপ, মায়ানমার শ্রীলংকা নেপাল ভুটান বাংলাদেশ এমনকি আফগানিস্তানের মানুষেরও উচিত পাকিস্থানের কাছে শোকরিয়া আদায় করা কারণ দেশগুলির অজান্তেই তাদের সভারেন্টিকে রক্ষা করে চলেছে পাকিস্থান নিজের আত্মত্যাগ ও শক্তিশালী কনভেনশনাল এবং নিউক্লিয়ার ডিটেরেন্স দিয়েই নতুবা আগ্রাসী ভারত কবেই সবগুলি ছোট দেশের স্বাধীনতা হরণ করে নিজেদের দিবাস্বপ্ন অবাস্তব অখন্ডভারতকে বাস্তব করে ফেলত!
Comments
Post a Comment