জেল-ফাঁসিতে লজ্জা নাই বরং ওটা কখনও কখনও কারো কারো জন্য গৌরবের। জামাত নেতাদের সেরকমই জেল-ফাঁসি হয়েছে, কিন্তু আওয়ামীলীগ নেতাদের জেল-ফাঁসির চেয়েও অনেক বেশী কিছু হয়ে গেছে।

আওয়ামীলীগের এইরকম সেইরকম চরমতম লজ্জাস্কর পতনের পর যারা আওয়ামীলীগ করতো, সুবিধা ভোগ করতো বা সাপোর্ট করতো তাদের লজায় আত্মহনন করা উচিত। জেল-ফাঁসিতে লজ্জা নাই বরং ওটা কখনও কখনও কারো কারো জন্য গৌরবের। জামাত নেতাদের সেরকমই জেল-ফাঁসি হয়েছে, কিন্তু আওয়ামীলীগ নেতাদের জেল-ফাঁসির চেয়েও অনেক বেশী কিছু হয়ে গেছে। আওয়ামীলীগ ঘরানার মানুষগুলো, তাদের সাপোর্টাররা সমাজে মুখ দেখাচ্ছে কেমন করে, চলছে-ফিরছে কেমন করে? দেশের মানুষের তো আওয়ামীলীগ দেখলেই ঘৃণা ক্রোধ জাগছে মনে ।


সকল আওয়ামীলীগদের উচিত পদ্মা মেঘনা যমুনায় ডুবে মরা। লজ্জাহীন মানুষগুলো এখনও সমাজে কিভাবে চলাফেরা করছে? খাচ্ছে-দাচ্ছে? আমার বুঝে আসেনা! ওদের তো উচিত দলে দলে আত্মহত্যা করা এতবড় লজ্জাজনক পতনের পর - নেত্রী পালিয়ে গেছে, নেতারা খালে বিলে ধরা পড়েছে, কলাপাতায়(বিচারপতি মানিক) শুয়ে কাতরিয়েছে!

রাজনীতিতে উত্থান পতন স্বাভাবিক, কিন্তু এতবড় লজ্জাজনক পতন বোধ হয় দুনিয়ার ইতিহাসে আর কোন রাজনৈতিক দলের হয়নি! 

---
আওয়ামীলীগদেরকে ভারতে ডিপোর্ট করে দেওয়া হোক। ওরা ওখানে গিয়ে জয় বাংলার রাজনীতি করুক, আমাদের এটা তো বাংলা না বাংলাদেশ। বাংলাদেশে দাম্ভিক গোন্ডা জঙ্গী বদমাশ খুনী আওয়ামীলীগের কোন জায়গা নাই। 

---
নিষিদ্ধ শুধু নয় সকল আওয়ামীলীগ ছাত্রলীগদের নাগরিকত্ব বাতিল করে ওদের ভারতে ডিপোর্ট করে দিতে হবে, ওরা রামের দেশে গিয়ে রামনীতি রাজনীতি যাই করুক আমাদের আপত্তি নাই। বাংলাদেশে ওরা রাজনীতি করতে পারবে না। ওরা মনে মনে ভারতেরই নাগরিক। ওরা যদি কাউন্টার হিসেবে বলে আমরা মনে মনে পাকিস্থানের নাগরিক, হয়ত সেটাও সঠিক, তবে সেটা সঠিক হলেও দূরত্বগত কারণে যেহেতু আমাদের পাকিস্থান ডিপোর্ট করা যাবে না, তাই আমরা এই দেশেই থাকবো, তাছাড়া বিপ্লবটা যেহেতু আমরা করেছি, তাই পরাজিতরাই এখন ডিপোর্ট হবে এবং সেটা সহজও,  ভারত সরকারকে রাজি করিয়ে শ্রেফ বর্ডার খুলে দাও আর আওয়ামীলীগদের ছাত্রলীগদের ডিপোর্ট করে দাও। 
---

বাংলাদেশের বিপ্লবী সরকারের উচিত আওয়ামীলীগদেরকে ভারতে ডিপোর্ট করা!

আওয়ামীলীগের সকল কর্মী-সমর্থকদের, নেতাদের বাড়িঘর ব্যাংক ব্যবসা বাণিজ্য সব বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রায়াত্ত করে নিয়ে ওদের ভারতে পচিমবঙ্গে ডিপোর্ট* করা হোক, ওরা ওখানে গিয়ে রোহিঙ্গাদের মত উদ্বাস্তু জীবন যাপন করুক অথবা ওখানে 'জয় বাংলা' শ্লোগান দিয়ে পশ্চিমবঙ্গকে স্বাধীন করে তাদের পিতার দেশ মায়ের দেশ বানিয়ে নিক - যেটাই বানাক আমাদের কিছুই যায় আসে না। কিন্তু 'জয় বাংলা' শ্লোগান আর এই বাংলাদেশে চলবে না।

আওয়ামীলীগদেরকে ডিপোর্ট করতে সমস্যা কোথায়? এমনিতেই তো ভারতের সাথে বিশেষ করে কলকাতা পশ্চিমবঙ্গের সাথে তো ওদের অনেক পিরিতি, ওরা ওখানে ভালই থাকবে। আমরাও চাই ওরা ওখানেই ভাল থাকুক। কিন্তু ওখানে বসে যদি ওরা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে, হিন্দু জঙ্গিদের সাথে মিলে জঙ্গিবাদী ক্রিয়াকলাপ করে তাহলে কিন্তু আর রেহাই পাবে না।

*ডিপোর্ট: ওরা আমাদের পাকিস্তান ডিপোর্ট করতে চেয়েছিল, তাদের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে আমরাও চেয়েছিলাম পাকিস্তান ডিপোর্ট হয়ে যেতে কিন্তু এত মানুষকে ডিপোর্ট করতে এত বিমান না আছে বাংলাদেশের কাছে না আছে পাকিস্থানের কাছে! সুতরাং আমাদেরকে ডিপোর্ট করা বাস্তবসম্মত ছিল না, কিন্তু তাদেরকে অর্থাৎ আওয়ামীলীগদেরকে ভারতে ডিপোর্ট করা পুরোপুরি বাস্তবসম্মত এন্ড ভেরি সিম্পল - শ্রেফ বর্ডার খুলে দিন আর ওদের ডিপোর্ট হয়ে যেতে দিন - একদম এমনই সহজ ।

ভারত বিপ্লবের পরই প্রথম যেটা করেছে সেটা হল তাদের বর্ডার সিল করা অথচ এরা অর্থাৎ আওয়ামীলীগরা তো ভারতের বন্ধু, ভারতের তো উচিৎ ছিল এদের জন্য বর্ডার পুরোপুরি খুলে দেওয়া! বিপদের দিনে কোন বন্ধু কি বন্ধুর জন্য ঘরের দরজা সিল করে দেয় অথচ ভারত তো সেটাই করল! যাই হোক এখন বাংলাদেশ সরকারের উচিৎ ভারতকে বলা বর্ডার খুলে দিতে। ভেবে দেখুন যদি আওয়ামীলীগদের মারা শুরু হয়ে যেত তাহলে কী হতো? যদি আওয়ামীলীগরা প্রাণে বাঁচতে নদ নদী খাল বিল সাগর বন্দর পেরিয়ে রোহিঙ্গারা যেমন বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছিল তেমনি আওয়ামীলীগরাও ভারতে পালানো শুরু করতো? তাহলে ভারত কি পারত বর্ডার সিল করে দিতে? আমরা কি পেরেছি রোহিঙ্গাদের জন্য বর্ডার সিল করতে? আমরা শান্তিপ্ৰিয় ও মানবিক বলেই আওয়ামীলীগদের গণহারে মারা শুরু করিনি, তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়নি এবং শান্তিপ্ৰিয় ও মানবিক বলেই আমরা আমাদের বিপ্লবী সরকারের মুখপাত্রের মাধ্যমে ভারতকে বলছি বর্ডার খুলে দিন, আওয়ামীলীগদেরকে ডিপোর্ট হতে দিন। নিজের বন্ধুর জন্য নিজের ঘরের দরজা খুলে দিন। আপনারা কিন্তু স্বীকার করেন তারা আপনাদের বন্ধু, সুতরাং বন্ধুদের জন্য বর্ডার খুলে দিন, এরা এখন আমাদের জন্য বার্ডেন, এমনিতেই আমাদের উপর রোহিঙ্গাদের বার্ডেন চেপে বসে আছে, দুই বার্ডেনের ভার আমরা বইতে চাই না, আপনার বন্ধুর বার্ডেন আপনি নিন। শুধু একজন আওয়ামীলীগ সুপ্রিমোর ভার নিয়ে আপনি দায় এড়াতে চাচ্ছেন, নিজের বন্ধুদের উপর জুলুম ও ওদের সাথে বেওয়াফা করছেন যারা কিনা আকলের মাথা খেয়ে পাগলের মত আপনাকে প্রায় অর্ধ শতক সাপোর্ট দিয়ে গেছে, ভেবে দেখুন আপনি কিন্তু তাদের সাথে বেওয়াফা-ই করেছেন আর আমাদের উপর বিরক্তিকর বার্ডেন চাপিয়ে রেখেছেন! এরাই তো আমাদের শান্তির দেশ ও সমাজটাকে বিষিয়ে রেখেছিল, গুণ্ডামি গুম গুলি গালি করে দেশটাকে অরাজক করে রেখেছিল! সুতরাং এদেরকে কিন্তু আমরা বেশিদিন সহ্য করতে পারিনা এবং করবও না, তাই এদের বার্ডেন আমরা বেশী দিন নিতে রাজি নয় যদিও রোহিঙ্গাদের বার্ডেন আমরা আরো কিছু দিন বা বছর নিতে রাজি আছি মানবিক কারণে! যদি বাংলাদেশের বিপ্লবী সরকার ও বিপ্লবী ছাত্র জনতা ঘোষণা করে আওয়ামীলীগদের জন্য কেবল দুই মাসের নিরাপত্তা, দুই মাস পর জনগণ আওয়ামীলীগদেরকে যাকে যেখানে পাবে হত্যা করবে, হত্যার বদলে হত্যা, তখন ভারত বা নরেন্দ্র মোদী আপনি কি বর্ডার না খুলে পারবেন? তাই বলছি বর্ডার খুলে দিন, নিজের বন্ধুদেরকে বাঁচান।

- মুগ্ধ, আবু সাঈদ, নাম নাজানা সব তরুণ শহীদগণ


---

৭১ নয় ২৪ কে ধারণ ও লালন করাতেই বাংলাদেশের উন্নতি, প্রগতি ও স্থিতি!


৭১ কে ধারণ ও লালন করা মানে পাকিস্থানের সাথে দুশমনী ধারণ ও লালন করা যা বাংলাদেশে বারবার ২৪ সৃষ্টি করবে এবং স্থিতি ও উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্ত হবে। তদুপুরি ভারতের মত এতবড় দেশ ও অর্থনীতি পাকিস্থানের সাথে প্রায় ১০০ বছর দুশমনী করে কিছু করতে পারেনি, সেখানে বাংলাদেশ কেন পাকিস্থানের সাথে দুশমনী ধারণ ও লালন করে কী করতে পারবে? এদিকে ২৪ সৃষ্টির পর ভারতও এখন বাংলাদেশের দুশমন, দুটি বড় দেশের সাথে দুশমনী বাংলাদেশ কখনও এফোর্ড করতে পারবে না, যেকোনো একটিকে দুশমন হিসেবে বেছে নিতে হবে, ৫৩ বছর পাকিস্থানের সাথে দুশমনী করে কিছু হয়েছে? কখনও কিছু হবেও না। ওটা একটা ফলহীন স্থবিরতা। এবার আমাদের দরকার নতুন দুশমন, এমন দুশমন যাতে আমাদের ফল আসবে, গতি আসবে আর সেই দুশমনটা হচ্ছে ভারত, ভারতের সাথে দুশমনিতেই আমাদের লাভ, এটা আমাদের ফল দেবে গতি দেবে, দেবে ধীরে ধীরে শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতা যেমনটি দিয়েছে পাকিস্থানকে, ভারতের মত দুশমন ছিল বলেই পাকিস্থান আজ এত শক্তিশালী, ওরা না খেয়ে মিসাইল বানায়, ফাইটার জেট বানায় আর ভারতকে নাকানিচুবানি খাওয়ায়। তাই দুশমন একটা থাকা বা রাখা জরুরী। মাইয়ানমারের সাথে দুশমনীও আমাদের বেশী কিছু দেবে না, তাই দুশমন যখন রাখতেই হয় তখন সেটা ভারত হলেই বেশী লাভ। এটা রাখলে একদিন আমরাও পাকিস্থানের মতই শক্তিশালী হয়ে উঠবো। তদুপুরি সময় বাস্তবতাও বাংলাদেশকে সেদিকে ঠেলে দিয়েছে। পাকিস্থান চায়না বলয়েই বাংলাদেশ ভাল করবে। ভারত এখন একা ও ক্ষয়িসনু, অন্যদিকে পাকিস্থান-চায়না রাইজিং সুপার পাওয়ার। ভারত শুধু ক্ষয়ইসনু নয় বরং অস্তিত্ব সংকটে আছে, নিকট ভবিষ্যতেই ভারত থাকবে না বা থাকলেও সেটা না থাকার মতই হবে। অনেকে পাকিস্থানের ক্ষেত্রে সিনারিওটা বেশী প্রযোজ্য দেখতে পান, আসলে ওটা ওদের দৃষ্টির স্বল্পতা বা আবেগ অন্ধতা। পাকিস্থান থাকবে, পাকিস্থান যাওয়ার হলে বহু আগেই চলে যেত। বরং তলে তলে পাকিস্থান ভারতের যাওয়ার কাব্য তথা ভারতবধ কাব্য লিখে ফেলেছে। পাকিস্থানের জন্য ভারত এখন ৪৮ ঘন্টার আর্মি গেইম, শ্রেফ ৪৮ ঘন্টা সময় নেবে পাকিস্থান সম্পূর্ণ ভারতকে ৱ্যাপ আপ করতে, অপ. বুনিয়ানুন মারসুস সময়কালে দুনিয়া সেটারই একটা ট্রেইলার দেখেছে। এরকম একটা শক্তির সাথে বাংলাদেশ দুশমনী এফোর্ড করতে পারবে না, প্রয়োজনও তো নাই। তাই সব মিলিয়ে ৭১ বাদ দিয়ে বাংলাদেশকে এগুতে হবে, পাকিস্থান বাংলাদেশের প্রতি হস্টাইল নয়, কখনও হবেও না, এমনকি ভারতবধের পরও নয় - সুতরাং এরকম একটি বন্ধু বা ভাইভাবাপন্ন দেশের সাথে কেন আমরা অবান্তর দুশমনী ধারণ ও লালন করবো? স্থবির ও বস্তাপঁচা ৭১ কে পরিহার করে ফ্রেশ আনকোরা ২৪ এর চেতনায় উজ্জীবিত বাংলাদেশ এগিয়ে যাক। 



বাংলাদেশ জিন্দাবাদ! 

পাকিস্থান জিন্দাবাদ!

Comments