স্মার্ট ডিসিশন, স্মার্ট ইনডাকশন! ব্রাভো বাংলাদেশ! এখন ভারতকে আমাদের সাথে সম্মান দিয়ে কথা বলতে হবে।
ভারতের S-400 ব্যাটারিকে পাকিস্থানি পাইলটরা এই JF-17s দিয়েই হিট করেছিল অপারেশন বুনিয়ানুন মারসুস সময়কালে তাঁদের সুইসাইডাল মিশনে । যদিও আল্লাহর রহমতে সব পাইলট ফিরে এসেছিলো কারণ পিএএফ এর মাল্টি ডোমেইন ডিজাইন এতটাই উন্নত ও প্রিসিশন ছিল যে পাইলট রিস্ক রেঞ্জের বাইরে থেকেই টার্গেটকে হিট করতে সক্ষম হয়েছিল এবং হিট করেই হিট এন্ড রান করে ফিরেও আসতে পেরেছিল, কোন পাইলটের প্রাণ যায়নি।
পাকিস্থানি পাইলটদের ঐ সুইসাইডাল মিশনের ব্যাপারে অনেকেই জানেন না, নীচের ভিডিওটি দেখুন যেখানে ইন্ডিয়ান ডিফেন্স হ্যান্ডেলই বলছে সুইসাইডাল মিশনটি সম্পর্কে -
S-400 কিলিং মিশনের মতই পাকিস্থান রেডি রেখেছিল একটি ডেডিকেটেড ফ্লিট (ফাইটার জেট রকেট ও ড্রোনের সমন্বয়ে) বিক্রান্ত-কিলার হিসেবে। কিন্তু ভারতের গর্ব আইএনএস বিক্রান্ত ঐ সময়ও মিশন রোল ব্যাক করে ফিরে গিয়েছিল, ফিরে না গেলে ঐ গর্বটা সাগরেই ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশী ছিল।
আকাশে বা সাগরে শুধু নয় স্থলেও পাকিস্থান আর্মি ওরকমই অর্থাৎ ডেডিকেটেড লিথাল এডভান্সমেন্ট জারি রেখেছিল, হামলার তীব্রতা ও মাত্রা দেখে ভারতের বর্ডার আর্মি শ্রেফ পালিয়ে গেছে, সঙ্গীর লাশ পর্যন্ত নিয়ে যায়নি, কোথাও কোথাও সাদা পতাকা উড়িয়েও প্রাণ রক্ষা করেছিল। কোন কোন সৈনিককে বর্ডারে হাউমাউ করে কাঁদতে দেখা গিয়েছিল, বলছিলো -"পাকিস্থান নে বহুত লোকসান পৌঁছাইয়া"।
উপরোক্ত সিনারিও থেকে আন্দাজ করা যায় অপারেশন বুনিয়ানুন মারসুসে পাকিস্তান কতটা আগ্রাসী ছিল, ২৬ টি সাইট হিট করেছে, দিল্লীর উপর পর্যন্ত শ এ শ এ ড্রোন উড়িয়েছে যদিও তাঁরা একটিও সিভিল ইনফ্রাষ্ট্রাকচার হিট করেনি অথচ ভারত পাকিস্থানের সাধারণ মানুষের বাড়িঘর ও মসজিদকেও হিট করেছিল সম্ভবত ইচ্ছে করেই। তাই পরের বার পাকিস্তানের টার্গেট থেকেও ভারতের কিছুই বাদ যাবে না - সিভিল ইকোনোমিক সাইট, এমনকি মন্দিরও - ইঙ্গিতটা ইতিমধ্যেই পাকিস্থান আইএসপিআর এর মাধ্যমে দিয়েও রেখেছে।
Comments
Post a Comment