হাসিনা ও হাদির হত্যাকারীকে ফেরত না দিলে আত্মমর্যাদাশীল জাতি ও দেশ হিসেবে আমাদের জন্য এটা সর্বাত্মক যুদ্ধ !
হাসিনা ও হাদির হত্যাকারীকে ফেরত না দিলে আত্মমর্যাদাশীল জাতি ও দেশ হিসেবে আমাদের জন্য এটা সর্বাত্মক যুদ্ধ !
হাদি এখন জীবনমৃত অবস্থায়। এটা হত্যাচেষ্টা নয়, এটা হত্যাই (হাদি যদি বেঁচে যায়, সেটা একান্তই আল্লাহর রহমত হিসেবেই দেখতে হবে, লক্ষ কোটি মানুষের দোয়ার ফল হিসেবে দেখতে হবে।)। তবে এতদসত্ত্বেও হামলার ধরণ ও আঘাতের মাত্রা বিচারে আমরা এটাকে হত্যা বলেই ধরে নিতে পারি। সুতরাং হাদির হত্যাকারীর ফাঁসি ঠিক সেই জায়গায় কার্যকর করতে হবে যে জায়গাটাতে সে হাদিকে গুলি করেছিল, শুটার বা হত্যাকারীকে ক্রেনে উঠিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে রাজপথে তার ফাঁসি কার্যকর করতে হবে, এটার সাথে বহু খুনের ঘটনা ঘটে যাওয়া চট্টগ্রামের রাজপথেও কোন একজন শুটার বা খুনীর ফাঁসি কার্যকর করতে হবে যাতে এ দুটো প্রকাশ্য ফাঁসির মাধ্যমে দেশে আর কোন শুটারের জন্ম না হওয়ার স্ট্রং বার্তা যায়।
আবারও হাদির কাছে ফিরতে হচ্ছে কারণ এটা সাধারণ কোন ঘটনা নয়, যখন প্রধান উপদেষ্টা নিজমুখেই বলেছেন পেছনে বড় শক্তি কাজ করেছে, এবং আবারও ভাষণে স্পষ্ট করেই বলেছেন - এটা একজন ব্যক্তির উপর আঘাত নয়, গোটা দেশ সরকার ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উপর আঘাত। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে তিনি কেবল এটাকে দেশের উপর আঘাত আখ্যা দিয়েই ক্ষান্ত হয়েছেন, আঘাতকারীর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেবেন সে বিষয়ে কিছু বলেননি ভাষণে। অথচ 'ফলোড বাই' হিসেবে উনার বলা উচিত ছিল আঘাতকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকার বদ্ধ পরিকর। হাদির হত্যাকারী কোন দেশে পালিয়ে থাকলে বা এই ঘটনার সাথে কোন দেশ যুক্ত থাকলে আমরা সেই দেশের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেব। ভাষণের পরই প্রধান উপদেষ্টার উচিত ছিল ভারতের দূতাবাস বন্ধ করে দেওয়া কেননা ভারত এখনও ২৪ এর চেতনাকে মেনে নেয়নি, ২৪ না মানার কারণে শুরুতেই ভারতের দূতাবাসসহ সব কূটনৈতিক সম্পর্ক বন্ধ রাখা উচিত ছিল।) এরপর তদন্ত ও ইন্টেলিজেন্স বেইজড মিলিটারি একশনের অপশনও রাখতে হবে। দিনে দিনে দেনা তো বেড়েছে - হাসিনা কামাল কে ভারত কেন ফেরত দেবে? কোনদিনই দেবে না কারণ ভারত বাংলাদেশকে কেয়ারই করেনা, তখন আন্তর্জাতিক রায় নিয়ে বাংলাদেশের বসে থাকা ছাড়া কোন উপায় নাই মুরোদ না থাকলে, আর মুরোদ থাকলে হাসিনা কামাল বা হাদির হত্যাকারীকে র এর সেইফ হাউজেই হিট করতে পারে বাংলাদেশ, হিট না করলেও হুমকি দিতে হবে যাতে ভারত ওদেরকে সুর সুর করে ফেরত দেয়। এরপরও যদি না দেয় তাহলে আত্মমর্যাদাশীল জাতি ও দেশ হিসেবে আমাদের জন্য এটা সর্বাত্মক যুদ্ধ - আমরা সবকিছুই করবো, বহুমাত্রিক পন্থায় করবো, এমনকি ভারতের পার্লামেন্টেও যদি আমাদের টার্গেটকে লুকিয়ে রাখা হয় আমরা সেখানেও হিট করবো (প্রতিকী ভাবে এটা বললাম যদিও আমরা যেকোনো দেশের সভারেন্টিকে সম্মান করি কিন্তু যদি আমাদের সভারেন্টিকে অসম্মান করা হয় তখন এটা প্রতিকী থাকবে না বাস্তবে হবে।), আমাদের দুর্বল মনে করলে ভারতীয়রা ভুল করবে - আমাদের তুর্কি ড্রোন মিসাইল রকেট সিস্টেম রেডি, আমাদের নেভীর আঘাত সামলাতেই ভারত হিমশিম খাবে, প্রয়োজনে আমরা তখন ভারতের জন্য পাকিস্থানের চেয়েও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবো। ভারত যত লাখ সৈন্যই বাংলাদেশে পাঠাক, ওরা আর ভারতে ফিরতে পারবে না, বাংলাদেশেই ওদের কবর রচিত হবে।
শরীফ ওসমান হাদি তাঁর জ্ঞান ও প্রজ্ঞা বিচারে ভারতের জন্য এক মহা দুশমন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ভ্যানগার্ড। হাদি বাংলাদেশে নির্বিশেষে সব দল মতের লোকের কাছে জনপ্রিয় ছিল। হাদি ঘটনার পর ভারতের মিডিয়ায় উল্লাস প্রকাশ করা হয়েছে, নিজেদের থার্ড ক্লাস খুনী গোয়েন্দা সংস্থা 'র' কে বাহ্ বাহ্ দেওয়া হয়েছে। আননোন গান ম্যান টার্গেট কিলিং ইত্যাদি বলে গলা ফাটিয়েছে ও বুক ফুলাচ্ছে ভূরাজনৈতিক মারপ্যাঁচে পরাজিত ভারতীয়রা, এদের ন্যূনতম সিভিক সেন্সটা পর্যন্ত নাই, চেহারা দেখিয়ে দেখিয়ে হেসে হেসে ইউটিউবে নিজেদের ফাউল নীচ অহমিকা ও দম্ভ দেখিয়ে বেড়াচ্ছে। আমরা পরিষ্কার বলতে চায় - হাদির উপর গুলিবর্ষণকারী যেখানেই থাকুক, আমরা তাকেও হিট করবো, ভারত যদি তাকে পার্লামেন্টেও লুকিয়ে রাখে, তাহলে আমরা ভারতের পার্লামেন্টকেও বম্ব করবো। র এর সেইফ হাউজগুলো উড়িয়ে দেওয়া হবে, শেখ হাসিনাকে ফেরত না দিলে ভারতের অভ্যন্তরেই তাকে হিট করা হবে, বিচার হয়ে গেছে রায়ও হয়ে গেছে, তাই আমরা সেটা কার্যকরও করবো সেটা যে তরিকায়ই হোক না কেন? লুকিয়ে রাখা প্রত্যেক আওয়ামীলীগ নেতাকে 'র' এর সেইফ হাউজেই হিট করা হবে - আমাদের ড্রোন, ফাইটার, মিসাইল, রকেট সিস্টেম রেডি। প্রয়োজনে আমরা ভারতের জন্য পাকিস্থানের চেয়েও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবো। আমাদের নেভীর আঘাত সামলাতেই ভারত হিমশিম খাবে। ট্রুপ পাঠাবে? পাঠাক, আমরা সেটাই চায়। কাশ্মীরে ট্রুপ রেখেছে ওরা, বাংলাদেশেও রাখুক ১০ লাখ ভারতীয় সেনা, আমরা ভারতের এই ১০ লাখ সেনাকে বাংলাদেশের মাঠিতেই কবর দিতে চায়, (আমরা ওদের লাশ পুড়াবো না, সাগরে ফেলে দেবো না বা লাশের কোন বেহুঁর্মতি করা হবে না, কবর দেওয়া হবে লাখে লাখে ভারতীয় সেনাকে (আল্লাহ আমাদের সহায় হোন এই নেক কাজে, আমীন।)
১৬ ডিসেম্বর মোদির পোস্টে ‘ভারতের বিজয় দিবস’, একবারও উল্লেখ নেই বাংলাদেশের নাম | এর মানে ওরা বাংলাদেশের সভারেন্টিকে সম্মান করেনা। বাংলাদেশের বিজয়কে নিজেদের বিজয় হিসেবে প্রচার করে আসছে ৫৪ বছর ধরে।
এবার যুদ্ধটা ভারতের সাথেই জিততে চায় আমরা এবং নিজেদের বিজয় দিবসকে একান্তই নিজেদের বানাতে চায়। যদিও যুদ্ধটা সফিষ্টিকেটেডলি আমরা ইতিমধ্যেই জিতেও গেছি, ২৪ এর স্বাধীনতাটা আমরা ভারত থেকেই, ভারতীয়দের ও তাদের দোসরদের তাড়িয়েই নিয়েছি, ৫ আগস্ট-ই আমাদের প্রকৃত বিজয় দিবস এবং এটা একান্তই আমাদের নিজস্ব, ১৬ ডিসেম্বরের মত শেয়ার্ড নয়।
ইউটিউবে এক ভাইয়ের জজবা দেখুন -
স্কোর ৫০:০১
@AzbX12
আমি ভারতের বিরুদ্ধে একদিন অস্ত্রহাতে মুক্তিযুদ্ধ করবো আর মিনিমাম ৫০ টা ভারতীয় মেরে আমি আমার কলিজা আমার বাংলাদেশের জন্য শহীদ হবো এটাই আমার আকাঙ্খা। ঔ মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের দিনটাকে আমার দেশবাসী নিজেদের প্রকৃত বিজয় দিবস হিসাবে পালন করবে। কোন দেশ এই দিনটির ভাগ বসাতে আসবেনা সেদিন। এটা হলো আমার স্বপ্ন। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। ইনকিলাব জিন্দাবাদ❤
যদি ভারত ২৪ না মানে হাসিনা ও হাদির হত্যাকারীকে ফেরত না দেয় তাহলে দূতাবাসসহ ভারতের সাথে সব কূটনৈতিক সম্পর্ক বন্ধ থাকবে। দুই দেশকেই সর্বাত্মক যুদ্ধের পরামর্শ দেওয়া গেল। ইটজ অ্যা ডেডলক, দ্য ওয়ার ইজ ইমিনেন্ট। সর্বাত্মক যুদ্ধ ভারত এফোর্ড করতে পারবে কিনা (পূর্ব ও পশ্চিম দুই ফ্রন্টেই ফুল স্পেকট্রাম ডেডলি ইনভ্যাসিভ ওয়ার), সিদ্ধান্তটা নেওয়ার সুযোগ এখনও আমরা ভারতের হাতেই দিয়ে রেখেছি, আমরা এফোর্ড করতে পারবো কিনা সেট অবান্তর কারণ আমাদের ফুল ফোর্সটা এফর্ডের নয় এটাকের। আমরা ফুল ফোর্স নিয়ে এটাক করবো, হারিয়ে দেব অথবা হারিয়ে যাবো! এবার সিদ্ধান্তটা ভারতের, বলটাও তাদের কোর্টেই বাট সাধু সাবধান! আমরা বাঙ্গালী জাতি - আমাদের হেরে যাওয়ার বা হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কম বা নেই বললেও চলে। ব্রিটিশ ভারত পাকিস্থান* সবাই আমাদের কাছে শুধুই হেরেছে।
*যদিও পাকিস্থানের ব্যাপারটা বর্তমানে সম্পূর্ণ আলাদা বা রিভার্স।
পাকিস্থান থেকেই বাংলাদেশ, পাকিস্থানের মাঝেই বাংলাদেশ !
পাকিস্থান থেকেই বাংলাদেশ, পাকিস্থানের মাঝেই বাংলাদেশ ! পাকিস্থান ছাড়া বাংলাদেশের কোন অস্তিত্ব নাই। আজ পাকিস্থান না থাকলে কাল বাংলাদেশও থাকবে না। ভারত তার দিবাস্বপ্ন 'অখন্ডভারত' ঠিকই বাস্তব করে ফেলবে। ভারতের ঐ স্বপ্নের পথে একমাত্র বাঁধা হয়ে চীনের প্রাচীরের মত দাঁড়িয়ে আছে পাকিস্থান। পাকিস্থানই রক্ষা করে চলেছে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সব ছোট দেশের স্বাধীনতা ও সভারেন্টি! ধর্ম বর্ণের মিল থাকায় বাংলাদেশের উচিত পাকিস্থানের সাথে ৪৭ এর মত আবারও একাত্ম বা একীভূত হয়ে যাওয়া - এতে পাকিস্থান আরও শক্তিশালী হবে এবং উপমহাদেশে ইসলামের পতাকা উড্ডিন থাকবে, মুসলমানদের হারানো মান মর্যাদা ফিরে আসবে নতুবা ভারতের মুসলমানদের মত বাংলাদেশ ও পাকিস্থানের মুসলমানরাও ধীরে ধীরে হিন্দু জাতির কাছে মান মর্যাদা হারিয়ে ফেলবে। স্বাধীন থেকেও কোন লাভ হবে না। দুই দেশই ধীরে ধীরে অর্থনৈতিকভাবে দূর্বল হবে, আসলে দূর্বল হবে না, ভারত ষড়যন্ত্র করে দূর্বল করে দেবে - ৭০ বছর যাবত ভারত মূলত সেটাই করে আসছে এবং তাতে ভারত অনেকটা সফলও হয়েছে বলা যায়, বিশেষ করে ৭১ এই ক্ষেত্রে ভারতের জন্য অনুপ্রেরণা ও মাইলস্টোন হিসেবে কাজ করছে, তাই বাংলাদেশকে ৭১ কে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে ২৪ আঁকড়ে ধরে এগুতে হবে অথবা পাকিস্থানের সাথে একীভূত হয়েই এগুতে হবে।
এটা না করলে ভারত তর তর করে সবদিক দিয়ে এগিয়ে যাবে আর বাংলাদেশ ও পাকিস্থান পিছিয়ে যাবে ও দূর্বল হয়েই থাকবে। অথচ বাংলাদেশ পাকিস্থানের সাথে আবার একীভূত হয়ে গেলে ভারতের কোন ষড়যন্ত্রই সফল হবে না। তখন তর তর করে পাকিস্থানই তরক্কী করবে, সবদিক দিয়ে এগিয়ে যাবে। এমনকি পাকিস্থান যখনই মন চাইবে বা জরুরী মনে করবে ইনভ্যাজনও করে ফেলতে পারবে - পরিপূর্ণ ভিক্টরি বা টেকওভার - 'মোকাম্মল ফাত্তাহ ওভার হিন্দুস্থান' পাকিস্থান করেই ফেলতে পারবে আল্লাহর রহমতে। তখন 'অখন্ডভারত' স্বপ্ন চুরমার হয়ে যাবে বরং 'গ্রেটার পাকিস্থান' গড়ে উঠবে এবং উপমহাদেশে ইসলামের পতাকা চির উড্ডিন থাকবে, মুসলমানদের হারানো মান মর্যাদা ফিরে আসবে ও জারি থাকবে, বাবরি মসজিদ আবারও গড়ে উঠবে আরও বৃহৎ ল্যান্ডসক্যাপে, মুঘল এসথেটিক ও এমবিয়েন্সে তাজ মহলের মত আরেকটি বিশ্ব আশ্চর্য অমর কীর্তি হিসেবে - নাম দেওয়া যেতে পারে 'মস্ক অব বাবরি মহল', সংক্ষেপে তাজমহলের মত বাবরিমহল। 'বাবরি মহল মসজিদ' / 'Mosque of Babri Mahal' / 'MBM' -মূলত কেন্দ্রে থাকবে মসজিদ আর চার পাশে জীবন্ত হয়ে উঠবে মুঘল আমল, মুঘল ভাইব। দর্শণার্থী বা মুসল্লিদের মনে হবে তাঁরা টাইম ট্রাভেল করে মুঘল আমল ভাইবে ফিরে গেছে।
উপমহাদেশজুড়ে জিহাদ হবে
উপমহাদেশজুড়ে জিহাদ হবে - নেওয়া হবে কাশ্মীর সহ সারা ভারতে হত্যা করা প্রত্যেক মুসলমানের প্রাণের বদলা, নেওয়া হবে মসজিদ ভাঙ্গা ও মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট করার বদলা। নেওয়া হবে মুসলমানদের মান মর্যাদা নষ্ট করে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করার বদলা। ফিরিয়ে আনা হবে মুসলমানদের হারানো মান মর্যাদা শান শওকত। হিন্দুর দয়ায় মুসলমানরা নয়, মুসলমানদের দয়ায় হিন্দুরা বেঁচে থাকবে। (আমরা অনেক সহ্য করেছি হিন্দুদের জুলুম - আর নয়, যখন আরশাদ মাদানী-মেহমুদ মাদানীর মত শান্তিপ্ৰিয় মুসলমান নেতা জিহাদের কথা বলতে বাধ্য হয়েছেন তখন জিহাদই হবে, যখন জাকির নায়েকের মত একজন ইসলামিক স্কলারকে শুধুমাত্র মোটিভেশনাল কার্যক্রমের কারণে নিজ দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হয় তখন জাকিরকে ফিরিয়ে আনতে জিহাদ হবে। We've already checked their Sense or Practice of Secularism Humanity and Moral level. All are Bogus. So now it's We who will build new ideological geopolitical state of our own Sense or Practice of Secularism Humanity and Moral level.
মুসলমান কাউকে হত্যা বা জুলুম করেনা, জিহাদের মাধ্যমে শত্রুকে পরাজিত করে, হত্যাটা বা জুলুমটা তারাই অর্থাৎ কাফের মুশরিকরাই করে, মধ্য প্রাচ্যে ইসরাইল যার জ্বলন্ত উদাহরণ আর কাফের মুশরিকদেরই উপমহাদেশীয় ভার্সন হচ্ছে ভারত তথা হিন্দু জাতি ও দোসর আওয়ামীলীগ - হত্যাটা এরাই করে, করেছে বা করছে - আইনজীবি আলিফকে এরাই হত্যা করেছে, ইনকিলাব মঞ্চের হাদিকেও এরাই হত্যা করেছে। ( হামলা বা আঘাতের মাত্রা বিচারে হাদির এটাকে হত্যা হিসেবেই দেখতে হবে, আর যদি হাদি বেঁচে যায় তাহলে সেটাকে একান্তই আল্লাহর রহমত হিসেবেই দেখতে হবে। )।
আজকের মেহমুদ মাদানী ভারতে সেটাই বলছে -
'যব যব জুলুম হোগা, তব তব জিহাদ হোগা!'
Comments
Post a Comment