আগে মেয়েটাকে কোন মিডিয়া জুলাইযোদ্ধা বলেনি, বা কোন মেইনস্ট্রিম মিডিয়া তাঁকে কখনো ডাকেওনি। এখন ফলাও করে তাঁকে জুলাইযোদ্ধা বলে প্রচার করা হচ্ছে। এর মানে মিডিয়া জুলাই যুদ্ধকে খাটো করার চেষ্টা করছে। ছাত্র জনতার উচিত মেয়েটির পাশে দাঁড়ানো। সে তাঁর ছোট্ট ব্যক্তিত্ব দিয়ে অনেক সাহসী বক্তব্য-বিবৃতি দিয়েছিলো পতিত ছাত্রলীগ-আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে যেভাবে আর কেউ বলেনি ঠিক ওসমান হাদীর মত যেমন আর কেউ বলেনি। এক এক করে সাহসী মুখগুলোকে নানাভাবে টার্গেট করা হচ্ছে। ওসমান হাদি বা তাহরিমারা না হলে আজ এই বিপ্লবী বাংলাদেশ হত না। ঠিক ওদের মেজাজেই ছাত্রলীগ আওয়ামীলীগ ও ভারতকে রুখে দিতে হবে চিরতরে। আবার আওয়াজ উড়া বাংলাদেশ। হাদি হত্যার বিচার আদায় করতে আর তাহরিমাদের হয়রানি করা রুখে দিতে আবারও দুর্বার আন্দোলনে রাজপথ উত্তপ্ত করে দিন, আমাদের আগের বিপ্লব পূর্ণাঙ্গ হয়নি, এবারের বিপ্লবকে পূর্ণাঙ্গ করতে হবে - শেষ ছাত্রলীগ আওয়ামীলীগ বা ভারতীয় এজেন্টটি দেশে থাকা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। ছাত্রলীগ আওয়ামীলীগ ও ভারতীয় এজেন্ট মুক্ত বাংলাদেশের পথ চলাকে এগিয়ে নিতে হবে।
*ছাত্রলীগ সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যে নৈরাজ্য ও নৈতিক অধঃপতন কায়েম করেছিল তাহরিমার কথাগুলো তার-ই রিয়েকশন। ছাত্রলীগ সেটা করেছিল বলেই তো সারা দেশে সাধারণ শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্ত অতবড়ো আন্দোলনটা করেছিল। এরা ছাত্রলীগের উপর ত্যক্তবিরক্ত হয়েই আন্দোলনে নেমেছিল, টাকা পয়সা পদ পদবী ইত্যাদির লোভে নয়।
Comments
Post a Comment