৪৭ মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের আধুনিক রিভাইভ্যাল ভার্সন ২৪ শরীফ ওসমান হাদি ইনকিলাব মঞ্চকে ধারণ করুন
৭১ শেখ মুজিব আওয়ামীলীগকে না বলুন, পরিহার করুন। ৪৭ মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগকে আবারও হ্যা বলুন, ধারণ করুন। অথবা ৪৭ মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের আধুনিক রিভাইভ্যাল ভার্সন ২৪ শরীফ ওসমান হাদি ইনকিলাব মঞ্চকে ধারণ করুন কেননা এটিই এখন এক অপার বিপ্লবী মুসলমান জাতিসত্তা ও আত্মমর্যাদাশীল স্বাধীন উন্নত জাতিসত্তার প্রতীক ও চেতনা হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে। একদল মানুষ বা একটি অগ্রসর চিন্তার প্রজন্ম সম্পূর্ণ বিরূপ বৈরী শক্ত ভূমিকে নিজেদের সমন্বনীত আত্মত্যাগের মাধ্যমে নরম ও উর্বর করে গোটা বিশ্বকে অবাক ও কাঁপিয়ে দিয়ে সেই নরম ও উর্বর মাটির সুগভীরে সেই প্রতীক ও চেতনার ঝান্ডা গেঁথে দিয়ে বিশ্ব ইতিহাসে অমর হয়ে গেছে। এরকম আধুনিক বিপ্লব প্রতীক ও চেতনা বিশ্বে বিরল এবং শতাব্দী ধরে গবেষক ও ইতিহাসবেত্তারা এর গবেষণা ও পটনপাঠন চালিয়ে যাবেন। ব্যতিক্রমী বিশ্বকাঁপানো এই বিপ্লবে এত বহুমাত্রিক রসদ ও এন্টিটি মজুদ হয়ে গেছে যে গবেষক ও ইতিহাসবেত্তাদের জন্য এটি এখন সত্যিই এক ডেলিক্যাসি। অন্যদিকে এটি কেবলই একটি দেশের নিছক একটি বিপ্লব মাত্র নয় বরং এটি গোটা উপমহাদেশ সমেত গোটা বিশ্বের জন্য একটি অনন্য অনুপ্রেরণাদায়ী কম্পন ও মাইলস্টোন হিসেবে কাজ করছে এবং এই কম্পনের আফটারশক এখনও গোটা বিশ্বের কোথাও না কোথাও থেমে থেমে অনুভূত হচ্ছে ( নেপাল থেকে ভেনিজুয়েলা সবখানেই এই আফটারশক কম্পন অনুভূত হতে দেখা গেছে, গোটা উপমহাদেশ এখনও এর আফটারশক ঘোর কাটিয়ে উঠতে পারেনি বরং আরো উচ্চ ও বিস্তৃত কম্পনের ঝুঁকিতে আছে )। এ তো গেল আফটারশক, ওদিকে এর আফটারম্যাথ নিয়েও হিমশিম খাচ্ছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন মহল - কোনভাবেই ম্যাথটা পুরোপুরি বুঝে আসছে না বা সলভ করা যাচ্ছে না, সবাই কেবল নতুন নতুন ফর্মুলা ফাংশান ও ইকুয়েশান দিয়ে কম্ম সারছে। সবাই চেতনে অবচেতনে এক ইউনিফায়েড অভিব্যক্তি ও অভিমুখে ছুটছে বা নিজেদের সেদিকেই এডপ্ট করে নিচ্ছে। এটাই এই বিপ্লবের অনন্য ন্যাচারাল ইউনিফায়েড ন্যাচার।
++
মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ শেখ মুজিব জিয়াউর রহমান শরীফ ওসমান হাদি
হাদি কিন্তু সত্যিই উপরের ঐ কাতারে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করে নিয়েছে। বয়স ও তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনকালের কারণে অবিশ্বাস্য বা কারো কারো কাছে অতিরঞ্জিত মনে হলেও এটাই এখন সত্য। এটাই এখন ইতিহাসের পাঠ।
++
৭১ শেখ মুজিব আওয়ামীলীগকে 'না' না বললে, পরিহার না করলে দেশ ও জাতি বিভক্ত হবে, বারবার বিপর্যস্ত হবে। তাছাড়া ভৌগোলিক জাতিরাষ্ট্রের কারণে ৭১ এখনও কিছুটা সেন্স রাখলেও এই পর্যায়ে শেখ মুজিব ও আওয়ামীলীগ কোন সেন্সই রাখেনা। আর ৭১ যে সেন্সটা রাখে সেটাকে রিপ্লেস করার পূর্ণ সেন্স রাখে ২৪।
৭১ নয় ২৪ কে ধারণ ও লালন করাতেই বাংলাদেশের উন্নতি, প্রগতি ও স্থিতি!
৭১ কে ধারণ ও লালন করা মানে পাকিস্থানের সাথে দুশমনী ধারণ ও লালন করা যা বাংলাদেশে বারবার ২৪ সৃষ্টি করবে এবং স্থিতি ও উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্ত হবে। তদুপুরি ভারতের মত এতবড় দেশ ও অর্থনীতি পাকিস্থানের সাথে প্রায় ১০০ বছর দুশমনী করে কিছু করতে পারেনি, সেখানে বাংলাদেশ পাকিস্থানের সাথে দুশমনী ধারণ ও লালন করে কী করতে পারবে? এদিকে ২৪ সৃষ্টির পর ভারতও এখন বাংলাদেশের দুশমন, দুটি বড় দেশের সাথে দুশমনী বাংলাদেশ কখনও এফোর্ড করতে পারবে না, যেকোনো একটিকে দুশমন হিসেবে বেছে নিতে হবে, ৫৩ বছর পাকিস্থানের সাথে দুশমনী করে কিছু হয়েছে? কখনও কিছু হবেও না। ওটা শ্রেফ পলিটিক্যাল রেটরিক, একটা ফলহীন স্থবিরতা। এবার আমাদের দরকার নতুন দুশমন, এমন দুশমন যাতে আমাদের ফল আসবে, গতি আসবে আর সেই দুশমনটা হচ্ছে ভারত, ভারতের সাথে দুশমনিতেই আমাদের লাভ, এটা আমাদের ফল দেবে গতি দেবে, দেবে ধীরে ধীরে শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতা যেমনটি দিয়েছে পাকিস্থানকে, ভারতের মত দুশমন ছিল বলেই পাকিস্থান আজ এত শক্তিশালী, ওরা না খেয়ে মিসাইল বানায়, ফাইটার জেট বানায় আর ভারতকে নাকানিচুবানি খাওয়ায়। তাই দুশমন একটা থাকা বা রাখা জরুরী। মাইয়ানমারের সাথে দুশমনীও আমাদের বেশী কিছু দেবে না, তাই দুশমন যখন রাখতেই হয় তখন সেটা ভারত হলেই বেশী লাভ। এটা রাখলে একদিন আমরাও পাকিস্থানের মতই শক্তিশালী হয়ে উঠবো। তদুপুরি সময় বাস্তবতাও বাংলাদেশকে সেদিকে ঠেলে দিয়েছে। পাকিস্থান চায়না বলয়েই বাংলাদেশ ভাল করবে। ভারত এখন একা ও ক্ষয়িসনু, অন্যদিকে পাকিস্থান-চায়না রাইজিং সুপার পাওয়ার। ভারত শুধু ক্ষয়ইসনু নয় বরং অস্তিত্ব সংকটে আছে, নিকট ভবিষ্যতেই ভারত থাকবে না বা থাকলেও সেটা না থাকার মতই হবে। অনেকে পাকিস্থানের ক্ষেত্রে সিনারিওটা বেশী প্রযোজ্য দেখতে পান, আসলে ওটা ওদের দৃষ্টির স্বল্পতা বা আবেগ অন্ধতা। পাকিস্থান থাকবে, পাকিস্থান যাওয়ার হলে বহু আগেই চলে যেত। বরং তলে তলে পাকিস্থান ভারতের যাওয়ার কাব্য তথা ভারতবধ কাব্য লিখে ফেলেছে। পাকিস্থানের জন্য ভারত এখন ৪৮ ঘন্টার আর্মি গেইম, শ্রেফ ৪৮ ঘন্টা সময় নেবে পাকিস্থান সম্পূর্ণ ভারতকে ৱ্যাপ আপ করতে, অপারেশন বুনিয়ানুন মারসুস সময়কালে দুনিয়া সেটারই একটা ট্রেইলার দেখেছে। এরকম একটা শক্তির সাথে বাংলাদেশ দুশমনী এফোর্ড করতে পারবে না, প্রয়োজনও তো নাই। তাই সব মিলিয়ে ৭১ বাদ দিয়েই বাংলাদেশকে এগুতে হবে, পাকিস্থান বাংলাদেশের প্রতি হস্টাইল নয়, কখনও হবেও না, এমনকি ভারতবধের পরও নয় - সুতরাং এরকম একটি বন্ধু বা ভাই ভাবাপন্ন দেশের সাথে কেন আমরা অবান্তর দুশমনী ধারণ ও লালন করবো? স্থবির ও বস্তাপঁচা ৭১ কে পরিহার করে ফ্রেশ আনকোরা ২৪ এর চেতনায় উজ্জীবিত বাংলাদেশ এগিয়ে যাক।
৭১ বস্তাপঁচা, ২৪ আনকোরা!
পাকিস্থান ৭১ কে হালকা দেখলে বাংলাদেশ বা বাংলাদেশের কিছু আওয়ামীলীগপন্থী বা ভারতপন্থী লোক ২৪ কে হালকা দেখছে! অথচ ২৪ই বাংলাদেশের প্রকৃত স্বাধীনতা যেটা ভারত থেকে নেওয়া হয়েছে। ৭১ ছিল বুর্জোয়া ও চালবাজ, চালাক ও লোভী শেখ মুজিবের সৃষ্ট যুগের একটি ব্লাফ, ব্লান্ডার! ৭১ এখন বস্তাপঁচা, অন্যদিকে ২৪ আনকোরা! বহুমুখী! বাস্তবতা ও ভবিষ্যত!
৭১ কে ২৪ একরকম রিপ্লেস করে দিয়েছে, এটাই এখন বাস্তবতা। শেখ মুজিব আওয়ামীলীগের যেমন এখন কোন মূল্য নাই তেমন ৭১ এরও এখন তেমন কোন মূল্য নাই। ৭১ এর মূল্য এখন আছে কেবল ভারতের কাছেই, ভারতকে এটা অনুপ্রেরণা যোগায় চিরশত্রু পাকিস্থানের বিপরীতে, মূলত ৭১ এর এই পর্যায়ে এটা ছাড়া আর কোন বৈশিষ্টই অবশিষ্ট নাই আর ঐ বৈশিষ্টটাও বাংলাদেশের জন্য নয় ভারতের জন্য প্রযোজ্য। এখন ভারতকেও ২৪ কেই মেনে নিতে হবে নতুবা ভারতের দুতাবাসসহ সব কূটনৈতিক সম্পর্ক বন্ধ করে দেওয়া হবে।
আওয়ামীলীগ ইতিহাসকে ৭১ এ লক করে রাখতে চেয়েছিল অথচ ইতিহাসকে লক করা যায় না। আবার ৭১ আনতে চাইলে আবার ৪৭ও এসে যেতে পারে, তাই ২৪এ-ই স্থির থাকত হবে। ২৪-ই এখন জাগ্রত ছাত্র জনতার বাংলাদেশের ২৪ ঘন্টা চলমান আবেগ উচ্ছাস স্বপ্ন ও ভবিষ্যত নির্মাণের ভিত্তিমূল।
Comments
Post a Comment