বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আস্থা হারিয়েছে। ওয়াকার যুদ্ধের আগেই জাতিকে, বাংলাদেশকে হারিয়ে দিয়েছেন এটা বলে যে - 'আমি সতর্ক করেছিলাম, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হতে পারে' - কী চমৎকার?! - যে সেনাপ্রধানের উচিত ছিল 'শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব পালন করে যাবো' বলে জাতির মোরাল হাই করা সে কিনা করছে সতর্ক দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হওয়ার! সেলুকাস! সত্যিই বিচিত্র! যাই হোক এই সেনাপ্রধান ও এই সেনাবাহিনী অথর্ব, এরা হাসিনার মতই আওয়ামীলীগের মতই ভারতের তাবেদার, তাই এদের পরামর্শ দিচ্ছি ভারতেই পালিয়ে যান, চাইলে ইন্ডিয়ান আর্মির সাথে মিলে গিয়ে পাকিস্থান আর্মির বালও* ছিঁড়তে পারেন। যে ইন্ডিয়ান আর্মি পাকিস্থান আর্মি ও চাইনিজ আর্মির বালও ছিঁড়তে পারেনা সেই ইন্ডিয়ান আর্মির তাবেদারী করতে লজ্জা লাগে না আমাদের বাংলাদেশ আর্মির?! আমরা আপনাদেরকে খুনী হিন্দুস্থানী আর্মির সাথেই মোকাবিলা করবো। লাশ হবো, লাশ নেবো। মরবো, মারবো। আমাদের এই হালের জন্য আপনারাই দায়ী। আমরা সময় ও সুযোগ দুইটাই আপনাদের দিয়েছিলাম স্থিতি ও শান্তির পথে হাঁটতে কিন্তু হাদী ও সাঈদীকে হত্যা করে আপনারাই যুদ্ধের পথে হাঁটলেন। তাই এখন যুদ্ধই হবে। আত্মমর্যাদাশীল জাতি ও দেশ হিসেবে আমাদের জন্য এটা সর্বাত্মক যুদ্ধ !
*বালও : ইন্ডিয়ান আর্মি পাকিস্থান আর্মি ও চাইনিজ আর্মির বাল ছিঁড়তে না পারলেও বাংলাদেশ আর্মির বাল ছিড়ার চেষ্টা করতে পারে যেকোনো সময়, তাই বাংলাদেশ আর্মিকে পাকিস্থান ও চাইনিজ আর্মির মত শক্তিশালী হয়ে উঠতে হবে, সেটা সম্ভব না হলে পাকিস্থান আর্মির সাথে মিলেই এগুতে হবে, কোন মজাক বা গুরুর করা যাবে না, পাকিস্থান আর্মি অভিজ্ঞ, ওদের কাছ থেকে শিখতে হবে, ওটা একটা শহীদি ঈমানি আর্মি, প্রতিদিনই ওঁরা কাফের-মুশরিকী শক্তির কাছে অকাতরে শহীদ হচ্ছে যুগের পর যুগ ধরে - সাথে সাথে সমানুপাতিক বা বহুপাতিক বদলাও নিচ্ছে। প্রয়োজনে আমরাও প্রতিদিন শহীদ হবো এবং আমাদের আর্মিও শহীদ হবে, হিন্দু বা হিন্দুস্থানের গোলামীর চেয়ে শাহাদতের পথই শ্রেয় পথ, ঈমান ইসলাম ও ইনসাফের পথ, আমরা এই পথেই হাটবো। আমরা একটি শব্দও গালি দেওয়ার লোক নই, কিন্তু আমাদের এই হালের জন্য আপনারাই দায়ী। জুলুমের ইন্তেহা করেছেন আপনারা, বহু জুলাইযোদ্ধার মগজের পর সব জুলাই শহীদদের একক বেদনাবাহী হাদীর মগজও খতম করেছেন আপনারা, কিন্তু হাদীর মগজ খতম হলেও মেজাজ জাগ্রত, আজ গোটা দেশ ও জাতি হাদীর মেজাজে, আর এই মেজাজেই আপনারা খতম হবেন, খতম হবে আধিপত্যবাদী ভারত ও তার সব সেনা। আত্মমর্যাদাশীল দেশ ও জাতি হিসেবে আমাদের এটা সর্বাত্মক যুদ্ধ। আমাদের এই সর্বাত্মক যুদ্ধ চলবে সর্বশেষটি (দ্য লাস্ট সোলজার অব ইন্ডিয়ান আর্মি এন্ড দ্য লাস্ট এক্সট্রিমিস্ট হিন্দু অব হিন্দুস্থান) খতম না হওয়া পর্যন্ত।
সেনাবাহিনী আস্থা ফিরে পেতে চাইলে, ২৪ ঘন্টার মধ্যে হাদীর খুনিকে হিট করে দেখাতে হবে তা সে র এর সেইফ হাউজ বা ভারতের পার্লামেন্ট যেখানেই লুকিয়ে থাকুক না কেন? শুধু তা নয় - পাকিস্থান যেভাবে বহু টার্গেট কিলিং এর মাস্টারমাইন্ড র এজেন্ট কুলভূষণকে ইরানের মাটি থেকে ধরে এনে জেলে পুরে রেখেছে তেমনি হাদীর খুনের মাস্টারমাইন্ডকেও যে দেশেই থাকুক ধরে এনে জেলে পুরতে হবে। এইবার আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাকে সাহস ও দক্ষতা দেখাতে হবে। সেটা তারা দেখাতে না পারলে জনগণই সেটা করে দেখাবে -
র এজেন্ট ধর,
ধইরা ধইরা জেলে ভর!
লীগ ধর,
ধইরা ধইরা জেলে ভর!
-=
এক মুহূর্তের জন্যও আন্দোলন বন্ধ করা যাবেনা। সকাল বিকাল দিন রাত শিফট করে ২৪ ঘন্টা আন্দোলন জারি রাখতে হবে, ২৪ দিনের মধ্যে হাদীর খুনির ফাঁসি সেই জায়গায় কার্যকর করতে হবে যে জায়গায় সে হাদিকে গুলি করেছিল। হাদীর খুনিকে ক্রেনে উঠিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে প্রকাশ্য রাজপথেই ফাঁসি কার্যকর করতে হবে।
Comments
Post a Comment