১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবস নয়, ওটা ভারতের বিজয় দিবস যা ভারত ৫৪ বছর ধরে পালন করে আসছে। বাংলাদেশের প্রকৃত বিজয় দিবস ৫ আগস্ট আর এ বিজয় বাংলাদেশ নিয়েছে ভারত থেকে।
৭১ এর সবকিছু পরিহার না করলে জাতি বিভক্ত হবে, ২৪ এর সবকিছু ধারণ না করলে বারবার বিপ্লব হবে। ডিসেম্বর ও মার্চ নয় জুলাই ও আগস্টই এখন আমাদের জাতীয় মাস, ৭১ ও মুক্তিযোদ্ধা নয় ২৪ ও জুলাইযোদ্ধারাই এখন আমাদের চেতনা, শান্তি স্থিতি ও উন্নতির মূল সোপান।
বাংলাদেশ তো বাহানা, ভারতই ওদের আসল ঠিকানা ! সেখানেই হাদির শুটাররা আওয়ামীলীগরা পালিয়ে যায়।
শরীফ ওসমান হাদি তাঁর জ্ঞান ও প্রজ্ঞা বিচারে ভারতের জন্য এক মহা দুশমন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ভ্যানগার্ড। হাদি বাংলাদেশে নির্বিশেষে সব দল মতের লোকের কাছে জনপ্রিয় ছিল। হাদি ঘটনার পর ভারতের মিডিয়ায় উল্লাস প্রকাশ করা হয়েছে, নিজেদের থার্ড ক্লাস খুনী গোয়েন্দা সংস্থা 'র' কে বাহ্ বাহ্ দেওয়া হয়েছে। আননোন গান ম্যান টার্গেট কিলিং ইত্যাদি বলে গলা ও বুক ফুলাচ্ছে ভূরাজনৈতিক মারপ্যাঁচে পরাজিত ভারতীয়রা, এদের ন্যূনতম সিভিক সেন্সটা পর্যন্ত নাই, চেহারা দেখিয়ে দেখিয়ে হেসে হেসে ইউটিউবে নিজেদের ফাউল নীচ অহমিকা ও দম্ভ দেখিয়ে বেড়াচ্ছে। আমরা পরিষ্কার বলতে চায় - হাদির উপর গুলিবর্ষণকারী যেখানেই থাকুক, আমরা তাকেও হিট করবো, ভারত যদি তাকে পার্লামেন্টেও লুকিয়ে রাখে, তাহলে আমরা ভারতের পার্লামেন্টকেও বম্ব করবো। র এর সেইফ হাউজগুলো উড়িয়ে দেওয়া হবে, শেখ হাসিনাকে ফেরত না দিলে ভারতের অভ্যন্তরেই তাকে হিট করা হবে, বিচার হয়ে গেছে রায়ও হয়ে গেছে, তাই আমরা সেটা কার্যকরও করবো সেটা যে তরিকায়ই হোক না কেন? লুকিয়ে রাখা প্রত্যেক আওয়ামীলীগ নেতাকে 'র' এর সেইফ হাউজেই হিট করা হবে - আমাদের ড্রোন, ফাইটার, মিসাইল, রকেট সিস্টেম রেডি। প্রয়োজনে আমরা ভারতের জন্য পাকিস্থানের চেয়েও ভয়ঙ্কর হয়েছে উঠবো। আমাদের নেভীর আঘাত সামলাতেই ভারত হিমশিম খাবে। ট্রুপ পাঠাবে? পাঠাক, আমরা সেটাই চায়। কাশ্মীরে ট্রুপ রেখেছে ওরা, বাংলাদেশেও রাখুক ১০ লাখ ভারতীয় সেনা, আমরা ভারতের এই ১০ লাখ সেনাকে বাংলাদেশের মাঠিতেই কবর দিতে চায়, (আমরা ওদের লাশ পুড়াবো না, সাগরে ফেলে দেবো না বা লাশের কোন বেহুঁর্মতি করা হবে না, কবর দেওয়া হবে লাখে লাখে ভারতীয় সেনাকে (আল্লাহ আমাদের সহায় হোন এই নেক কাজে, আমীন।)
Comments
Post a Comment