হাদীর জানাজা!
এক মুহূর্তের জন্যও আন্দোলন বন্ধ করা যাবেনা। সকাল বিকাল দিন রাত শিফট করে ২৪ ঘন্টা আন্দোলন জারি রাখতে হবে, ২৪ দিনের মধ্যে হাদীর খুনির ফাঁসি সেই জায়গায় কার্যকর করতে হবে যে জায়গায় সে হাদিকে গুলি করেছিল।আন্দোলনের মধ্যেই হবে জিয়াউর রহমান গোলাম আজম ও দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর জানাজার পর দেশের ইতিহাসের বৃহত্তম জানাজা - হাদীর জানাজা।
যথেষ্ট হয়েছে। এই সরকার ও এই সেনাবাহিনীর কাছে হাদির মত আমরা কেউই নিরাপদ নয়, না জনগণ নিরাপদ, না দেশ!
হাজারো জুলাইযোদ্ধাকে আরও একবার হত্যা করা হল নৃশংসভাবে। হাদি একজন ব্যক্তি ছিল না, সে ছিল হাজারো জুলাই শহীদদের বেদনার মূর্ত প্রতীক।
হাদির মৃত্যুর জন্য প্রধান উপদেষ্টা সমেত তার অথর্ব তিন উপদেষ্টা দায়ী। এটা পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় নারকীয় হত্যাকান্ড ঠিক জুলাই নারকীয় হত্যাকান্ডের মত। হাদি কোন সাধারণ মানুষ বা নেতা ছিল না অথচ নির্বাচন কমিশনার কী বলেছিলেন, - নির্বাচনের আগে দুই একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে হাদি হত্যাকান্ডের মত এতবড় ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে চেয়েছিলেন, প্রধান উপদেষ্টাও ইনিয়ে বিনিয়ে সেটাই বলেছেন। এখন আর আমরা নির্বাচন চায় না, নির্বাসন চায় এই গোটা বেঈমান অন্তরবর্তী সরকারের।
আন্দোলন দমাতে সরকার লোক দেখানো অতিরঞ্জন করছে মাত্র। হাদীর প্রতি ভালবাসা থেকে নয়, মূলত হাদিকে সরকারই খুন করেছে। তাই এই সরকারের বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে।
হাদিই বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মস্তিষ্কে গুলি চালানো হয়েছে। মস্তিষ্কে বুলেট বিদ্ধ জীবনমৃত বাংলাদেশকে একপাশে রেখে যারা ১৬ ডিসেম্বরের খুশী উদযাপন করেছে ভারতের সাথে মিলে তারা ভারতেরই তাবেদার, বাংলাদেশের দুশমন। এই প্রধান উপদেষ্টা এই উপদেষ্টা সরকার এই সেনাবাহিনী এই নির্বাচন কমিশনার সবাইকে এর জবাব বিপ্লবী ছাত্র জনতার কাছে দিতে হবে। এটা বাংলাদেশের উপর আঘাত, নির্বাচন ব্যবস্থার উপর আঘাত অথচ নির্বাচন কমিশনার কী করে কোন মস্তিস্ক নিয়ে বললেন এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এখন আমরা আর নির্বাচন চায়না, এদের সবার নির্বাসন চায়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আস্থা হারিয়েছে। ওয়াকার যুদ্ধের আগেই জাতিকে, বাংলাদেশকে হারিয়ে দিয়েছেন এটা বলে যে - 'আমি সতর্ক করেছিলাম, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হতে পারে' - কী চমৎকার?! - যে সেনাপ্রধানের উচিত ছিল 'শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব পালন করে যাবো' বলে জাতির মোরাল হাই করা সে কিনা করছে সতর্ক দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হওয়ার! সেলুকাস! সত্যিই বিচিত্র! যাই হোক এই সেনাপ্রধান ও এই সেনাবাহিনী অথর্ব, এরা হাসিনার মতই আওয়ামীলীগের মতই ভারতের তাবেদার, তাই এদের পরামর্শ দিচ্ছি ভারতেই পালিয়ে যান, চাইলে ইন্ডিয়ান আর্মির সাথে মিলে গিয়ে পাকিস্থান আর্মির বালও* ছিঁড়তে পারেন। যে ইন্ডিয়ান আর্মি পাকিস্থান আর্মি ও চাইনিজ আর্মির বালও ছিঁড়তে পারেনা সেই ইন্ডিয়ান আর্মির তাবেদারী করতে লজ্জা লাগে না আমাদের বাংলাদেশ আর্মির?! আমরা আপনাদেরকে খুনী হিন্দুস্থানী আর্মির সাথেই মোকাবিলা করবো। লাশ হবো, লাশ নেবো। মরবো, মারবো। আমাদের এই হালের জন্য আপনারাই দায়ী। আমরা সময় ও সুযোগ দুইটাই আপনাদের দিয়েছিলাম স্থিতি ও শান্তির পথে হাঁটতে কিন্তু হাদী ও সাঈদীকে হত্যা করে আপনারাই যুদ্ধের পথে হাঁটলেন। তাই এখন যুদ্ধই হবে। আত্মমর্যাদাশীল জাতি ও দেশ হিসেবে আমাদের জন্য এটা সর্বাত্মক যুদ্ধ !
*বালও : ইন্ডিয়ান আর্মি পাকিস্থান আর্মি ও চাইনিজ আর্মির বাল ছিঁড়তে না পারলেও বাংলাদেশ আর্মির বাল ছিড়ার চেষ্টা করতে পারে যেকোনো সময়, তাই বাংলাদেশ আর্মিকে পাকিস্থান ও চাইনিজ আর্মির মত শক্তিশালী হয়ে উঠতে হবে, সেটা সম্ভব না হলে পাকিস্থান আর্মির সাথে মিলেই এগুতে হবে, কোন মজাক বা গুরুর করা যাবে না, পাকিস্থান আর্মি অভিজ্ঞ, ওদের কাছ থেকে শিখতে হবে, ওটা একটা শহীদি ঈমানি আর্মি, প্রতিদিনই ওঁরা কাফের-মুশরিকী শক্তির কাছে অকাতরে শহীদ হচ্ছে যুগের পর যুগ ধরে - সাথে সাথে সমানুপাতিক বা বহুপাতিক বদলাও নিচ্ছে। প্রয়োজনে আমরাও প্রতিদিন শহীদ হবো এবং আমাদের আর্মিও শহীদ হবে, হিন্দু বা হিন্দুস্থানের গোলামীর চেয়ে শাহাদতের পথই শ্রেয় পথ, ঈমান ইসলাম ও ইনসাফের পথ, আমরা এই পথেই হাটবো। আমরা একটি শব্দও গালি দেওয়ার লোক নই, কিন্তু আমাদের এই হালের জন্য আপনারাই দায়ী। জুলুমের ইন্তেহা করেছেন আপনারা, বহু জুলাইযোদ্ধার মগজের পর সব জুলাই শহীদদের একক বেদনাবাহী হাদীর মগজও খতম করেছেন আপনারা, কিন্তু হাদীর মগজ খতম হলেও মেজাজ জাগ্রত, আজ গোটা দেশ ও জাতি হাদীর মেজাজে, আর এই মেজাজেই আপনারা খতম হবেন, খতম হবে আধিপত্যবাদী ভারত ও তার সব সেনা। আত্মমর্যাদাশীল দেশ ও জাতি হিসেবে আমাদের এটা সর্বাত্মক যুদ্ধ। আমাদের এই সর্বাত্মক যুদ্ধ চলবে সর্বশেষটি (দ্য লাস্ট সোলজার অব ইন্ডিয়ান আর্মি এন্ড দ্য লাস্ট এক্সট্রিমিস্ট হিন্দু অব হিন্দুস্থান) খতম না হওয়া পর্যন্ত। হাদী ও সাঈদীর মেজাজে জাগ্রত থাকবে গোটা বাংলাদেশ! আলহামদুলিল্লাহ!
হাদী ও সাঈদী
হাদিকে হত্যা করা হয়েছে তিন রাষ্ট্রের পররাষ্ট্র সেটআপের মাধ্যমে। বালাকৃষ্ণ, জয়শঙ্কর ও তৌহীদের ফাঁসি চায়। জয়শঙ্করের ডিক্টেশন ও তৌহীদ হোসেনের গ্রিন সিংনাল পেয়ে বালাকৃষ্ণ হাদীর জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দিয়েছে, জাগ্রত জীবনমৃত বাংলাদেশকে খুন করেছে। হাদীর পরিবারের অসম্মতি, মেডিকেল বোর্ডের ন্যাচারাল এওয়েট টাইম স্পান উপেক্ষা এবং কুইন এলিজাবেথ হাসপাতালের সাথে জয়েন্ট মেডিক্যাল সেল গঠনে বাঁধা দিয়ে বালাকৃষ্ণ অনেকটা জোর করে অপারেশন স্টার্ট করে হাদিকে খুন করেছেন। নতুবা হাদী মালালার মত ফিরে না আসলেও হয়তো আরও অন্তত একটি সপ্তাহ আমাদের হাদী আমাদের মাঝে থাকতো। হাদী মরে যাওয়ার হলে স্পটেই মারা যেত অথবা ঢাকায়ই মারা যেত, এক সপ্তাহ সে কাম ব্যাক ফেইজে ছিল, অথচ এই সিঙ্গাপুরি হাসপাতাল ও বালাকৃষ্ণ হাদীকে দুই দিনের কম সময়েই হত্যা করলেন, সিঙ্গাপুরে স্থানান্তরের পরও হাদীর কামব্যাক হোপ বেড়েছিল, চিকিৎসককে সাড়াও দিয়েছিলেন হাদী। কিন্তু হায় আফসোস বর্বর অমানবিক ভারত আমাদের হাদীকে বিদেশের মাটিতে দ্বিতীয়বারের মত খুন করলো। এ তো গেল হাসপাতালের শয্যায় ভারতের দ্বিতীয় বাংলাদেশীকে খুন। এর আগে প্রথম হাসপাতালের শয্যায় ভারত খুন করেছিল জামাতের সাঈদীকে। হাদী ও সাঈদীর হত্যা একই সূত্রে গাঁথা, ঘটনাচক্রে দুজনেই আবার একই জেলা বরিশালের বাসিন্দা এবং দুজনই ছিল নিজ নিজ সময়ের দেশ কাঁপানো জাগ্রত বিবেক তথা জাগ্রত বাংলাদেশ তথা বিপ্লবী বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি ও ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী উর্বর মস্তিস্ক ও উচ্চ কণ্ঠস্বর। সেই মস্তিস্ক ও কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করে দেওয়া হলেও লক্ষ কোটি আরও উর্বর ও উচ্চ মস্তিস্ক ও কণ্ঠস্বর আল্লাহ এই জমিনে তৈয়ার করে দিয়েছেন যারা সিসাঢালা প্রাচীরের মত দাঁড়িয়ে সমশ্বরে শ্লোগানে শ্লোগানে তাবেদার ঢাকা ও গাদ্দার-কিলার দিল্লীর মাথায় আঘাত করতে থাকবে -
তুমি কে? আমি কে?
হাদী! হাদী!
তুমি কে? আমি কে?
সাঈদী! সাঈদী!
আমি কে? তুমি কে?
হাদী! হাদী!
আমি কে? তুমি কে?
সাঈদী! সাঈদী!
হাদী ও সাঈদী - ভারতের জন্য দুটি বাংলাদেশী হাইপার স্পেকট্রাল হাইপারসনিক মিজাইলের মত ছিল, সম্ভবত ভারত পাকিস্থানি ও চাইনিজ হাইপারসনিককেও অতটা ভয় পায়নি যতটা এই দুই বাংলাদেশী হাইপারসনিক মিজাইলকে দেখে ভয় পেয়েছিল। আমরা এমনই অর্থাৎ বাংলাদেশীরা এমনই, আমরা গরীব হলেও (ঘটনাচক্রে হাদী ও সাঈদী দুজনই গরীব ঘরানারই মানুষ ছিলেন) আমাদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা উপমহাদেশে শ্রেষ্ট, খোদ ব্রিটেন ও পাকিস্থান আমাদের এই বিষয়ে স্যালুট দেয়, সম্মান করে কিন্তু ভারত করে তাচ্ছিল্য। আমরা সামরিক হাইপারসনিক বানাতে না পারলেও ঠিকই আমরা রাজনৈতিক হাইপারসনিক বানাতে পারি, বানাতে পারি জুলাই বম্ব, ওহ সরি জুলাই বিপ্লব। জুলাই বিপ্লবের পর এটা ভারত হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। হাসিনার মত মোদীর গদিও নড়বড়ে, যেকোনো সময় বাংলাদেশের মত ভারতের উপরও উদয় হতে পারে জুলাই বম্ব তথা GenZ Bomb (বম্ব বলাই যেতে পারে), পালিয়ে যেতে হতে পারে মোদী ও বিজেপি নেতাদের ঠিক হাসিনা ও আওয়ামীলীগ নেতাদের মতই। বম্ব বা বোমার কথা যখন এসেই গেল তখন প্রকৃত সত্যটাও বলে ফেলি - ভারত পারমাণবিক বোমাকেও অত ভয় পায় না যত ভয় পায় জামাত ইসলামকে।
জুলাই আগষ্টে যে রাষ্ট্রীয় হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছিল হাদি হত্যা তার সিক্যুয়াল নতুন সফিষ্টিকেটেড সেটআপে এটাও রাষ্ট্রীয় হত্যাকান্ড। পুরো অন্তরবর্তী সরকারই এতে জড়িত - এজন্যই প্রধান উপদেষ্টা কেবল বলেছেন এটা রাষ্ট্রের উপর আঘাত কিন্তু আঘাতকারীর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিবেন সেটা তিনি ভাষণে বলেননি অর্থাৎ তিনি এখনও হয় ভারতকে ভয় করছেন নয় হাসিনার মতই নতুন মোড়কে তাবেদারী করছেন। যথেষ্ট হয়েছে, হাদিকে দিয়ে কেবল শুরু, এখনই আবারও আওয়ামীলীগ ও এই পুরো অন্তরবর্তী সেটআপের বিরুদ্ধে রুখে না দাঁড়ালে আরও অনেক ভাইকে আমাদের হারাতে হতে পারে। মৃত্যুতে আমাদের ভয় নাই কিন্তু এইবার আমরা কেবল মরবো না, মেরে মেরেই মরবো। আবার জেগে উঠো ছাত্র জনতা, হটাও এই অন্তরবর্তী সরকার। পরবর্তী সরকার হবে একান্তই আমাদের সরকার, বিপ্লবী সরকার ইরানের মত। আর্মিও হবে ইরানের মত বিপ্লবী আর্মি। কোন নির্বাচন এই মুহূর্তে প্রয়োজন নাই। এই মুহূর্তে প্রয়োজন আবারও বিপ্লব, এবারে পরিপূর্ণ ইসলামী বিপ্লবী।
যথেষ্ট হয়েছে। এই সরকার ও এই সেনাবাহিনীর কাছে হাদির মত আমরা কেউই নিরাপদ নয়, না জনগণ নিরাপদ না দেশ। ওদিকে সৌদি আরব ও সেন্ট্রাল এশিয়ার দেশ এবং সর্বশেষ লিবিয়াকে দেখা গেল তারা নিজেদের দেশের দায়ভার সম্পূর্ণ পাক আর্মির হাতে তুলে দিয়েছে। তাই এখন সরাসরি আনুষ্ঠানিকভাবেই আমরাও পাকিস্থান আর্মিকে অনুরোধ করছি 'টেকোভার বাংলাদেশ এন্ড বাংলাদেশ আর্মি এগেইন এন্ড সেভ বাংলাদেশ এন্ড সেভ পিপল অব বাংলাদেশ ফ্রম ইন্ডিয়া'। অন্যথায় বাংলাদেশ ফিলিস্থিন হয়ে যেতে পারে। পাক ও চাইনিজ আর্মির হেভি ইন্টারভিনশন বা ডিপ্লয়মেন্ট দরকার এখানে পরিস্থিতি সেদিকে যাওয়ার আগেই। বাংলাদেশ আর্মি গাদ্দার- ইন্ডিয়ার তাবেদার, এই গোটা আর্মিটাকে ডিজল্ভ করে দিতে হবে। পুরো কমান্ড পাক আর্মির হাতে নিতে হবে। চাইনিজ আর্মিকেও অরুণাচল ও সেভেন সিস্টার ঘিরে ডিপ্লয়েড রাখতে হবে।
ছাত্ররা মাঠে নামলে এই আর্মিও নামে। হাদিকে যখন হত্যা করা হয়, হাসিনা যখন মানুষ গুম খুন করে তখন এই আর্মি নাকে তেল দিয়ে ঘুমাতো, আর দেশের প্রতিরক্ষা বলতে কিছু করেনি যেটাই ছিল ওদের প্রধান কাজ, এখন যে গোটা দেশে মানুষকে ঠেঙ্গাচ্ছে সেটা নিশ্চয় তাদেরক কাজ নয়। খুনিরা খুন করে ভারতে পালিয়ে যায়, আমরা আন্দোলনে নামলে এরাও নামে আমাদের গ্রেফতার করতে, খুনিদের গ্রেফতার করে না, যা করে লোক দেখানো, যা বলে তাও লোক দেখানো বা শুনানো।
হাসিনার মত এই সেনাবাহিনীও খুনী বাহিনী। হাসিনার ১৭ বছরের গুম খুন জুলুমের তারাও সহযোগী, তারা মঙ্গলগ্রহে ছিল না, এই দেশেই ছিল, কেন তাদের কেউ একজন হাসিনাকে নিবৃত্ত করেনি? হাসিনার জুলুমে মানুষ এতটাই অতিষ্ট ছিল যে সেনাবাহিনী ক্ষমতা নিয়ে এরশাদের মত ১০ বছর দেশ চালালে জনগণ সেটা মেনে নিত অথচ এরা সেটাও করেনি, শ্রেফ হাসিনাকে মদদ যুগিয়ে গেছে আর হাসিনার মত ভারতের তাবেদারী করে গেছে, এখন ওদের অনেকে বড় বড় দেশপ্রেমের বুলি আওড়াচ্ছে, ১৭ বছর কোথায় ছিল তাদের এই দেশপ্রেম?
সেনাবাহিনী আস্থা ফিরে পেতে চাইলে, ২৪ ঘন্টার মধ্যে হাদীর খুনিকে হিট করে দেখাতে হবে তা সে র এর সেইফ হাউজ বা ভারতের পার্লামেন্ট যেখানেই লুকিয়ে থাকুক না কেন? শুধু তা নয় - পাকিস্থান যেভাবে বহু টার্গেট কিলিং এর মাস্টারমাইন্ড র এজেন্ট কুলভূষণকে ইরানের মাটি থেকে ধরে এনে জেলে পুরে রেখেছে তেমনি হাদীর খুনের মাস্টারমাইন্ডকেও যে দেশেই থাকুক ধরে এনে জেলে পুরতে হবে। এইবার আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাকে সাহস ও দক্ষতা দেখাতে হবে। সেটা তারা দেখাতে না পারলে জনগণই সেটা করে দেখাবে -
র এজেন্ট ধর,
ধইরা ধইরা জেলে ভর!
লীগ ধর,
ধইরা ধইরা জেলে ভর!
-=
এক মুহূর্তের জন্যও আন্দোলন বন্ধ করা যাবেনা। সকাল বিকাল দিন রাত শিফট করে ২৪ ঘন্টা আন্দোলন জারি রাখতে হবে, ২৪ দিনের মধ্যে হাদীর খুনির ফাঁসি সেই জায়গায় কার্যকর করতে হবে যে জায়গায় সে হাদিকে গুলি করেছিল। হাদীর খুনিকে ক্রেনে উঠিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে প্রকাশ্য রাজপথেই ফাঁসি কার্যকর করতে হবে।
Comments
Post a Comment