It's a Void for forming Bangladeshi Establishment like Pakistani Establishment

It's a Void for forming Bangladeshi Establishment like Pakistani Establishment


পুরোনো বিএনপি বুড়ো হয়ে গেছে ক্ষমতার ভার সইতে পারবে না, নতুন বিএনপি এখনও যোগ্য হয়নি বা গড়েই উঠেনি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য আর জামাত এখনও পূর্ণ যোগ্য হয়নি পূর্ণ ক্ষমতা অর্জন ও ভোগ করতে। সুতরাং এটা একটা ভয়েড যেখানে বাংলাদেশ আর্মিকে পাকিস্থান আর্মি থেকে সবক নিয়ে একটি এস্টাব্লিশমেন্ট দাঁড় করাতে হবে। কর্মটি পাকিস্থানে অত্যন্ত কঠিন, বাংলাদেশে মোটামুটি কঠিন তবে পাকিস্থান আর্মি যেহেতু এখন পর্যন্ত সফল তাই বাংলাদেশ আর্মিও সফল হতে পারে। তবে আমরা আগেই বলে দিচ্ছি বাংলাদেশ আর্মিকে ঠিক পাকিস্থান আর্মির মতই হতে হবে সব কিছুতেই, পাকিস্থান আর্মিকে কদম কদম অনুসরণ করতে হবে সব কিছুতেই, কোন চালাকি বা জারিজুরী চলবে না। পালিস্থান আর্মির মতই বাংলাদেশ আর্মিকেও 'নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবর!' শ্লোগান দিতে হবে যুদ্ধ ও শান্তি দুই সময়েই। পাক আর্মির মতই-পাক আর্মির সাথে মিলেই সন্ত্রাসবিরোধী ওয়ার গেইম চালু রাখতে হবে। ভারত বা হিন্দুর রাজনীতি নয় পাকিস্থান বা মুসলমানের রাজনীতিই করতে হবে পাকিস্থান আর্মির মতই। ইউরোপ-আমেরিকা-রাশিয়া লাফালাফি নয় চায়নার সাথে অর্থনৈতিক ও সামরিক দুই ধরণের প্রজেক্টই চালু করতে হবে পাক আর্মির মতই।

এবার আসি ভয়েড কিভাবে পূরণ বা দখল করবেন তাতে - প্রথমেই, পারভেজ মোশারফ বা আমাদের এরশাদের মত নয় দশ বছর চালাতে পারেন ইনার স্ট্রং বাট আউটার মাইল্ড অ্যাপ্রোচ অ্যাপ্লাই করে। তবে এটা সাময়িক এবং নয় দশ বছরের কম হলে বা যত কম হয় তত ভাল। এটা শুধু এস্টাব্লিশমেন্টকে গঠন ও স্ট্রং করতে। পরে, আবারও বলছি পাক আর্মির মতই ডেমোক্রেটিক সিস্টেম ওপেন ও এডপ্ট করে নিন, দ্বিদলীয় ডেমোক্রেসি - সাথে থার্ড ফোর্সও বানাতে পারেন পাক আর্মির পিটিআই (ইমরান খানের দল) এর মত, তবে থার্ড ফোর্স জরুরী নয়, পাক আর্মিও খোদ তাঁদেরই বানানো থার্ড ফোর্সটাকে এখন তাঁরাই খতম করে দিচ্ছে অজরুরী মনে করে কিংবা ইমরান খানের দেশ বিরোধী ভুল ন্যারেটিভ চুজ করার কারণে। যাই হোক আমরা মনে করি এখানে থার্ড ফোর্সও সফল হতে পারে তবে সেটা জরুরী নয় কেনোনা দ্বিদলীয় ডেমোক্রেসি গোটা দুনিয়ায় প্রতিষ্ঠিত। আবারও বলছি, পাক আর্মির মত ডেমোক্রেসি প্র্যাকটিস করুন যার প্রশংসা না করলেও আমেরিকাসহ গোটা দুনিয়া কোন আপত্তি করেনা বা বলা যায় একরকম প্রশংসাই করে। পাকিস্থানের 'নো কনফিডেন্স মোশন' যার মাধ্যমে ইমরান খানকে হটানো হয়েছিল ডেমোক্রেটিক্যালি যা গোটা দুনিয়াই পাক আর্মির গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েছে, অথচ পরিস্থিতি এমন ছিল পারভেজ মোশারফের মত টেকওভার করা জরুরী হয়ে পড়েছিল কিন্তু পাক আর্মি কৌশলের খেলায় জিতে গেল, ধীরে ধীরে শাহবাজ-কেয়ারটেকার-আবার শাহবাজ ইলেকশন (বা সিলেকশন যাই বলেন) এর মাধ্যমে আরেকজন পারভেজ মোশারফ নয় পাকিস্থান বা বিশ্ব পেল একজন ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। বাংলাদেশ আর্মির পথ পাক আর্মির মত অতটা জটিল বা বন্ধুর নয়, অনেকটাই মসৃণ। প্রথম অপশনটা প্রথমে নিয়ে এস্টাব্লিশমেন্ট গঠন করুন। পরে ডেমোক্রেসি ওপেন ও এডপ্ট করুন। অপেক্ষা করুন। তবে মসৃণ হলেও বেশ ঝুঁকিপূর্ণ, বিশেষ করে বাংলাদেশ আর্মি কখনও ইসলাম ও মুসলমান বিরোধী কোন অবস্থান ভুলক্রমেও যদি নিয়ে ফেলে। আবারও বলছি বাংলাদেশ আর্মিকে পুরোপুরি পাক আর্মির এট্রিবিউট এডপ্ট করতেই হবে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে ও সফল হতে।

Comments