আল্লাহর পক্ষ থেকে আসমানী সাইন বা সিম্বল অব ট্রুথ বারবার দেখা ও অনুভব করা সত্ত্বেও ভারতের হিন্দুরা বারবার পিঠটান দিচ্ছে!
আল্লাহর পক্ষ থেকে মুজেজা কারামাত ইত্যাদি যাই বলা হোক, ইসলামী পরিভাষা সম্পর্কে আমার প্রপার জ্ঞান নাই, আমরা এটাকে আমাদের ভাষায় মিরাকল বা আসমানী সাইন বা সিম্বল অব ট্রুথ বলতে পারি, তো এবার বলি - আল্লাহর পক্ষ থেকে আসমানী সাইন বা সিম্বল অব ট্রুথ বারবার দেখা ও অনুভব করা সত্ত্বেও ভারতের হিন্দুরা বারবার পিঠটান দিচ্ছে, সত্যকে গ্রহণ করছে না, ইসলামে ঈমান আনছে না!
আসমানী সাইন বা সিম্বল অব ট্রুথ -
বাবরি মসজিদ ভাঙ্গা, বলরাম সিং ও তার বন্ধু
করোনা ও ভারত
করোনায় বোধ হয় দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশী মরেছে ভারতীয়রা, এসওপি অবজ্ঞা করে করোনা সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করে ওদের ধর্মগুরু যখন নদীর তীরে বড় সমাবেশ করল তখন করোনার সার্জ ভারতে তীব্র আকার ধারণ করলো (অবস্থা বেগতিক দেখে দুশমন পাকিস্থান পর্যন্ত সিলিন্ডার ভর্তি শ শ এ ঈদী এম্বুলেন্স পাঠালো, এমনকি পাকিস্থান নিজেদের স্টিল মিলকে ভারতের জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার বানানোর কনভার্শনের ঘোষণা পর্যন্ত দিয়েছিলো, পরে সার্জ কমে যাওয়ায় পাকিস্থানকে সেটা আর করতে হয়নি ), সার্জ যখন ভারতে তুঙ্গে, সৎকারের কাঠ পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছিলো না তখন একজন হিন্দু পুরোহিতকে দেখা গেল রাস্তায় উচ্চশ্বরে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মদুর রসূলুল্লাহ' পড়তে পড়তে হেঁটে যাচ্ছে! কিন্তু করোনা যেতেই হিন্দুরা আবার পূর্ববৎ হয়ে গেল।
পাকিস্থানের সাথে যুদ্ধে বারবার হেরে যাওয়া
আগেরগুলো না হয় বাদ দিলাম, ২০১৯ ও ২০২৫ এ পাকিস্থানের সাথে যুদ্ধে ভারতের হেরে যাওয়া মামুলি কোন হার বা বিষয় নয়, এটাও ঐশ্বরিক, এখানেও ঐশ্বরিক ইন্টারভিনশন ঘটেছে, সেটা অন্য কেউ না বুঝলেও ভারতের জেনারেলরা হাড়ে হাড়ে বুঝেছে, দুটো যুদ্ধেই ওরা অনিচ্ছুক ফ্রেন্ডলি ফাইয়ারের শিকার হয়ে নিজেদের জেট নিজেরাই নামিয়েছে, জিপিএস কাজ করছিলো না - বারবার লক করা টার্গেট মিস হয়ে গেছে দুর্যোগপূর্ণ ওয়েদারের কারণে। দুই দেশেই বহু আলেম উলামার বসবাস, তাই আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ কিছু ঘটার অবকাশ আছে।
বাংলাদেশে ভারত ও আওয়ামীলীগের চরম লজ্জাজনক পরাজয়
---
শ্রেষ্ট জীব মানুষ,
শ্রেষ্ঠ জাতি মুসলমান!
সৃষ্টির শ্রেষ্ট মানুষ,
মানুষের শ্রেষ্ঠ মুসলমান!
মুসলমানের শ্রেষ্ট নবীগণ,
নবীগণের শ্রেষ্ট মুহাম্মদ (সঃ)!
জীবন যাপন পদ্ধতির শ্রেষ্ট ধর্ম,
ধর্মের শ্রেষ্ট ইসলাম!
জ্ঞানের শ্রেষ্ট বাহন কিতাব,
কিতাবের শ্রেষ্ট কোরান!
দেব দেবী গড গডেস ঋষি সন্ন্যাসী সাধু সন্ত পীর আউলিয়ারা গ্রেট*,
বাট দ্য ওয়ান এন্ড অনলি ট্রুথ ইজ ওয়ান গড আল্লাহ, এন্ড আল্লাহ ইজ দ্য গ্রেটেস্ট! আল্লাহু আকবর।
গ্রেট* : এই পর্যায়ে মানুষের উচিত এই গ্রেটকে পরিহার করে কেবলই গ্রেটেস্টকে ধারণ করা কেননা বহু শতাব্দী ধরে ঐ গ্রেটগুলোর চর্চা মানুষকে মুক্তি দেয়নি, বা উন্নত করেনি, সমাজও কলুষমুক্ত হয়নি। দেব দেবী পীর মুর্শীদ এসব ধরতে গিয়ে, করতে গিয়ে দেবত্ব কিংবা প্রভুত্বের এক মচ্ছব লক্ষ্য করা গেছে সমাজের সব জায়গায় - স্ত্রী স্বামীকে প্রভু বানিয়ে নিয়েছে কিংবা স্বামী স্ত্রীকে, চাকর মালিককে, মালিক তার উপরের কাউকে, জুনিয়র সিনিয়রকে, সিনিয়র সুপ্রিমোকে প্রভু বানিয়ে নিয়েছে - এইভাবে ঐ ইনফেরিয়র দাসত্বসূচক প্রভুত্বের মচ্ছবে সুপিরিয়র মানুষ সাফোকেশনের শিকার হয়েছে, এখন মানুষের দরকার মুক্ত হাওয়া, পিওর এন্ড ফ্রেশ অক্সিজেন। আর অলমাইটি আল্লাহই কেবল সেই মুক্ত হাওয়া, পিওর এন্ড ফ্রেশ অক্সিজেন! আল্লাহ মানুষকে নিষেধও করে দিয়েছিলেন এই বলে - 'তোমরা একে অপরকে নিজের রব বা প্রভু বানিয়ে নিওনা, বরং এক আল্লাহরই ইবাদত কর' - কিন্তু মানুষ সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিজেরাই সেই মচ্ছব বা সাফোকেশনের শিকার হয়ে বসে আছে, সুতরাং এই পর্যায়ে যদি মানুষ মচ্ছব মুক্ত কলুষ মুক্ত হতে চায়, উন্নত হতে চায়, মুক্ত হাওয়া-ফ্রেশ অক্সিজেন চায় তাহলে পূর্বের গ্রেটদের পরিহার করে একমাত্র গ্রেটেস্ট অলমাইটি আল্লাহকেই নিজের জীবন ও সমাজের সবখানে ধারণ ও চর্চা করতে হবে।
Comments
Post a Comment