Awami Musolman Party AMP
জাগো আবার জাগো বাঙ্গালী মুসলমান
বানাও আরেক পাকিস্থান মুসলমানিস্থান
জাগো আবার, ভাঙো হিন্দুস্থান
বানিয়ে নাও বৃহৎ মুসলমানিস্থান
জাগো আবার, ভাঙো ভারত
বানাও মুসলমানিস্থান বৃহৎ
হিন্দুর নাগপাশে হাঁসফাঁস ভারতের মুসলমান
বাঙ্গালী মুসলমানরা দেবে ওদের মুক্তি অম্লান
বাংলাদেশের ২৫ কোটি বাঙ্গালী মুসলমান আর হিন্দুস্থানের ২৫ কোটি ভারতীয় মুসলমান মিলেই বানাতে হবে এক বৃহৎ মুসলমানিস্থান যা সবদিক দিয়ে বর্তমান পাকিস্থানকে ছাড়িয়ে যাবে, যার জনসংখ্যা ৫০ কোটি যা পাকিস্থানের দ্বিগুন, যার ইকোনোমি হবে হিন্দুস্থানের সমান, সামরিক শক্তিতেও যেটা হিন্দুস্থান ও পাকিস্থানের বরাবার টক্কর হবে।
এটা আমাদেরকে এজন্যই বানাতে হবে কারণ পাকিস্থান বানিয়ে কাজের কাজ কিছুই হয়নাই, আজও মুসলমানরা ভারতে জুলুম-নিপীড়নের শিকার, কাশ্মীরের ৭০ লাখ মুসলমানকে পাকিস্থান ৭০ বছরেও মুক্তি দিতে পারেনি, তো ঐ পাকিস্থান ভারতের ২৫ কোটি মুসলমানকে কী মুক্তি দেবে?! ২০ বছরের মাথায় বাংলাদেশের মুসলমানরাও পাকিস্থান থেকে আলাদা হয়ে গেছে, সুতরাং পাকিস্থান বা পাকিস্থানি মুসলমান নয় আমাদেরকেই অর্থাৎ বাঙ্গালী মুসলমানদেরকেই এটা করতে হবে। প্রসঙ্গক্রমে ঐ পাকিস্থানটাও বাঙ্গালী মুসলমানরাই বানিয়েছিল।
কাজটি করার জন্যই উপরের AMP পার্টিটি বানানো জরুরী। এই পার্টি বাংলাদেশের মসনদে বসবে, এরপর এটা প্রথমে ভারতের পেটের ভিতর ঢুকে যাবে, পরে বৃহৎ হয়ে বেরিয়ে এসে দিল্লীর মসনদেও বসবে, এরপর বানিয়ে নেবে সত্যিকার অর্থেই টু নেশন স্টেট - মুসলমানিস্থান ও হিন্দুস্থান, জিন্নাহর জোড়াতালি দেওয়া টু নেশন থিওরির মত নয়। আমরা গণতান্ত্রিকভাবেই এসবকিছু করতে চায়, আমাদের দাবী যৌক্তিক ও শান্তি-স্থিতির পক্ষে, এই পর্যায়ে সত্যিকার অর্থে দ্বিজাতি তত্ত্ব ভিত্তিক দুটো জাতি-রাষ্ট্র গঠিত হয়ে গেলেই হিন্দু-মুসলমান দ্বন্দ্ব চিরতরে মিটে যাবে, এই অঞ্চলে চিরস্থায়ী শান্তি-স্থিতি কায়েম হবে। অন্যথায় অখন্ডভারত ও বৃহৎ পাকিস্থানের প্যাঁচাল শুনতে শুনতে, মাশুল গুনতে গুনতে হিন্দু মুসলমান দুই জাতিই শুধু ধ্বংস হবে না, এই গোটা উপমহাদেশই ধ্বংস ও মৃত্যুপুরীতে পরিণত হবে।
*আওয়ামীলীগ বিএনপি জামাত খারাপ, ওদের মাঝে যারা ভাল লোক আছে বা এই পর্যায়ে এসে যারা ভাল হতে চায় তথা ভাল মুসলমান হতে চায় ও কেবল মুসলমানের রাজনীতিই (রাম বাম জামাতী জাতীয়তাবাদী সব বাদ দিয়ে) করতে চায় তাঁদের জন্যই এই পার্টি বা প্ল্যাটফর্ম। এটা একটা চাঁখনি হিসেবে কাজ করবে আওয়ামীলীগ বিএনপি জামাতকে ফিল্টার করতে। ফিল্টার্ড আওয়ামীলীগ-বিএনপি-জামাতের লোকরাই দলে নেতৃত্ব দিতে পারবে, তবে সবাইকে শ্রেফ মুসলমানের রাজনীতিই করতে হবে, কোন হিন্দু এই দলের সদস্য হতে পারবে না, দয়া করে এই পর্যায়ে আমাদেরকে লিবারেলিজম ও সেক্যুলারিজমের পাঠ শিখাতে আসবেননা, সেই পাঠ আমরা নিয়েছি, এরপর ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছি এর অসারতা ও বিশ্বমোড়লদেরকে এর আড়ালে জুলুম বা এর অপব্যবহার করতে দেখে। এখন আমরা আমাদের মত ইজম বা মতাদর্শ মোতাবেকই এগুবো লিবারেলিজম, সেক্যুলারিজম, সোশ্যালিজম বা অন্য কোন ইজম মোতাবেক নয়।
Comments
Post a Comment