আমি স্মার্ট ও ফাস্ট যুদ্ধের পক্ষে যা পাকিস্থান বিশ্বকে দু দুবার দেখিয়েছে!

যুদ্ধ কীভাবে করতে হয় সেটা বিশ্বকে পাকিস্থানের কাছ থেকে শেখা উচিত। সম্প্রতি পাকিস্থান দুটি যুদ্ধ করেছে তার প্রতিপক্ষ ভারতের সাথে, একটি ২০১৯ সালে অপারেশন সুইফট রিটর্ট যা তিন দিনে শেষ করেছে পাকিস্থান, আরেকটি ২০২৫  সালে অপারেশন বুনিয়ানুন মারসুস যা ৪ দিনে শেষ করেছে পাকিস্থান। যুদ্ধে জয় ও সকল টার্গেটও এচিভ করেছে পাকিস্থান। জান মালের ক্ষতি হয়েছে নামমাত্র। আমি ঠিক এরকম স্মার্ট ও ফাস্ট যুদ্ধের পক্ষে যা পাকিস্থান বিশ্বকে দু দুবার দেখিয়েছে। ৩-৪ দিনের বেশী কোন যুদ্ধ এই প্রযুক্তি-উন্নত যুগে গ্রহণযোগ্য নয়, ৩-৪ দিনের মধ্যে জয় পাওয়ার নিশ্চয়তা না থাকলে কোন যুদ্ধ শুরু করাও উচিত নয়, পুতিন যদি ইউক্রেনে হামলা করে ৩-৪ দিনের মধ্যে দখল করে নিতে পারতো তাহলে আমি পুতিনকে সমর্থন করতাম কিন্তু সেটা এখন ৩-৪ বছর ধরে চলছে যেটা আমার মতে যুদ্ধ নয় বরং একটি যুদ্ধাপরাধ। কারণ কোন একটি দেশের কোন অধিকার নাই গোটা বিশ্বকে অন্তহীন যুদ্ধের মধ্যে রাখার। এখন থেকে যেসব দেশ ওরকম যুদ্ধ শুরু করবে ওদেরকে যুদ্ধাপরাধী দেশ হিসেবে ঘোষণা করে বিচার করতে হবে। আমেরিকা-ইসরাইল ইরানে হামলা করে যদি ৩-৪ দিনে দখল করে নিতে পারতো এবং বিশ্বের স্থিতিশীলতা ও শান্তি ফিরিয়ে দিতে পারতো তাহলে আমেরিকা-ইসরাইলের এটাকে যুদ্ধ এবং তাদেরকে নায়ক ঘোষণা করে বিশ্ব বাহ্বা দিতেই পারতো, কিন্তু ৩-৪ দিনের জায়গায় ৩০ দিন হয়ে গেল এবং রাশিয়া-ইউক্রেনের মত অন্তহীন যুদ্ধেও রূপ নিতে পারে এটা, এবং গোটা দুনিয়ার শান্তি ও স্থিতি ইতিমধ্যেই নষ্ট করেছে বলে আমেরিকা-ইসরাইলের এটাও যুদ্ধ নয় বরং একটি যুদ্ধাপরাধ। রাশিয়ার মত আমেরিকা-ইসরাইলেরও বিচার করতে হবে। রাশিয়াও এগ্রেসর আর আমেরিকা-ইসরাইলও এখানে এগ্রেসর। কাল চায়না তাইওয়ানে হামলা করে ৩-৪ দিনে দখল সম্পন্ন করে বিশ্ব শান্তি ও স্থিতির বিঘ্ন না ঘটালে তাহলে চায়নার ওটা হবে যুদ্ধ এবং চায়নাও হবে নায়ক। কিন্তু যদি যুদ্ধ বিলম্বিত হয় তাহলে চায়নাও হবে যুদ্ধাপরাধী। আমেরিকা চীনে হামলা করে যদি ৩-৪ দিনে চীন দখল করে নিতে পারে তাহলে আমেরিকার ওটা হবে যুদ্ধ আর আমেরিকা হবে মহানায়ক, কিন্তু যদি যুদ্ধ বিলম্বিত হয় তাহলে আমেরিকা হবে মহা যুদ্ধাপরাধী যার বিচার বিশ্বকে একদিন করতেই হবে। একইভাবে চীন কাল আমেরিকা আক্রমণ করে ৩-৪ দিনে দখল সম্পন্ন করতে পারে তাহলে চীনের ওটাও হবে যুদ্ধ এবং চীনও হবে মহানায়ক। আর যুদ্ধ বিলম্বিত হলে, বিশ্ব শান্তি ও স্থিতি নষ্ট হলে চীনও হবে মহাযুদ্ধাপরাধী যার বিচার বিশ্বকে একদিন করতেই হবে। রাশিয়ার বেলায়ও একই বিষয় প্রযোজ্য, রাশিয়া ৩-৪ দিনে আমেরিকা দখল করুক কিংবা আমেরিকা ৩-৪ দিনে রাশিয়া দখল করুক কারো কোন আপত্তি নাই, কিন্তু যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা শুরু করে বিশ্বের শান্তি ও স্থিতি নষ্ট করাতে বিশ্বের সবার ঘোরতর আপত্তি থাকবে এবং সবার উচিত এটাকে বিচারযোগ্য অপরাধ ঘোষণা করে যারা ইতিমধ্যেই সেটা করেছে তাদের বিচারের জন্য বিশ্বব্যাপী কেইম্পেন লঞ্চ করা আর নতুন করে যাতে কেউ সেটা শুরু করতে না পারে সেজন্যও বিশ্বব্যাপী কেইম্পেন জোরদার করা। বিশ্বটা আমাদের, আমাদেরকেই এটা করতে হবে, আমরা যদি এটা না করি, তাহলে একদিন আমাদের হাতেই আমাদের সামনেই এই বিশ্ব ধ্বংস হবে।

Comments