ইরানিরা নিজেদের মিসাইলকে সিকিউর করেছে, নিজেদেরকে নয়!

ইরানিরা নিজেদের মিসাইলকে সিকিউর করেছে, নিজেদেরকে নয়। চাইলে ওঁরা নিজেদেরকেও সিকিউর করতে পারতো, কিন্তু সেটা করলে তো আর এত শাহাদাত পাওয়া যেতনা, এখন ওঁরা শ এ শ এ শহীদ হয়েছেন যেটাই ওঁনাদের চাওয়া বা ইচ্ছা ছিল, কে না জানে একজন ঈমানদার মুসলমানের জন্য শাহাদাতের মৃত্যুই সবচেয়ে প্ৰিয় ও কাঙ্খিত বিষয়!

ভুগর্ভস্থ মিসাইল সিটিতে নামাজ আদায় করছেন ইরানি কমান্ডাররা -

এখনও ওঁরা অনেকটা সারফেসে থেকেই যুদ্ধ করছে, এমনকি সাধারণ ইরানিরাও ইহুদিদের মত বাঙ্কারে লুকায়নি। কারণ সাধারণ ইরানিরাও শাহাদাতের কামনা রাখনেওয়ালা মুসলমান, ওঁরা যুদ্ধকে মোটেও ভয় পায় না, ফিলিস্থিনি এবং পাকিস্থানিরাও ওরকম, যুদ্ধকে ভয় তো পায়-ই না, উল্টো উপভোগ করে। অপারেশন বুনিয়ানুন মারসুসের সময় যখন ইন্ডিয়া মানুষের বাসা বাড়ির জানালার কাঁচ ভাঙছিল ড্রোন পাঠিয়ে তখন সাধারণ পাকিস্থানিরা ভয় না পেয়ে নিজের কাছে থাকা বন্দুক নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিল, রেঞ্জারদের সাথে মিলে ইন্ডিয়ান ড্রোনকে গুলি করছিল - এটাই সাধারণ পাকিস্থানিদের জজবা। ওদিকে সাধারণ ইন্ডিয়ানরা ইহুদীদের মত বাঙ্কারে লুকিয়েছিল, আর পাকিস্থানিরা দিব্যি শপিং করছিল,  কাবাব খাচ্ছিল, লাচ্চি-কফি পান করছিল, কারো চোখে মুখে ভয়ের লেশমাত্র দেখা যায়নি, ওঁরা ওঁদের আর্মিকে কাফি মনে করে ইন্ডিয়াকে ঠেঙ্গাতে বা হঠাতে। পাকিস্থানি তরুণরা তো মিম-ট্রল-টন্ট করে সোশ্যাল মিডিয়া ফ্লাড করে দিয়েছিলো।

Comments